লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
ব্যাখ্যা : কিছু কিছু প্রাণী শীত বা গ্রীষ্মের পুরোটা সময় ঘুমিয়ে কাটায়। এর মূল কারণ শক্তি সঞ্চয় করা। শীতকালীন ঘুমকে বলে হাইবারনেশন বা শীতনিদ্রা। গ্রীষ্মকালীন ঘুমকে বলে এস্টিভেশন বা গ্রীষ্মনিদ্রা। আবার কিছু প্রজাতির প্রাণী তো প্রায় প্রতিদিনই এমন দশায় চলে যায়, যেমন আমেরিকান ব্যাজার কিংবা মোটা লেজের অপোসাম।
দিনের আকৃতি, খাদ্যের জোগান, তাপমাত্রা; এই তিনটি বিষয় মূলত প্রাণীদেরকে সঙ্কেত দেয় যে তাদের এখন শীতনিদ্রা বা গ্রীষ্মনিদ্রায় যাবার সময় হয়েছে কি না। যখন তারা ঘুমের এই বিশেষায়িত দশায় চলে যায়, তখন তাদের রক্তসঞ্চালনের মাত্রা, মস্তিষ্কের ক্রিয়াশীলতা এবং হৃৎকম্পন ধীরগতির হয়ে যায়।
মনে রাখতে হবে, সাধারণ ঘুমের থেকে এই বিশেষায়িত ঘুম কিন্তু একেবারেই আলাদা। যখন প্রাণীরা এই বিশেষ দশায় যায়, তখন তারা লম্বা সময় ধরে খাবার না খেয়ে কিংবা শরীরের বর্জ্য অপসারণ না করেও কাটিয়ে দিতে পারে।
আমাদের পরিচিত গ্রীষ্মনিদ্রার প্রাণী হল গিরগিটি ও টিকিটিকি।
গ্রীষ্মনিদ্রা (Estivation) একটি বিশেষ শারীরবৃত্তীয় অবস্থা, যেখানে কিছু প্রাণী গ্রীষ্মকালের চরম তাপ ও শুষ্কতা থেকে বাঁচতে নিজেদের শরীরের কার্যকলাপ কমিয়ে দেয়। গিরগিটি এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিকূল পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়। 🤔
| বিষয় | গ্রীষ্মনিদ্রার আগের অবস্থা | গ্রীষ্মনিদ্রার সময় অবস্থা |
|---|---|---|
| হৃদস্পন্দন | দ্রুত 💓 | ধীর 🖤 |
| শ্বাস-প্রশ্বাস | স্বাভাবিক 😮💨 | কম 😴 |
| শারীরিক কার্যক্রম | সক্রিয় 🏃 | নিষ্ক্রিয় 🛌 |
আবহাওয়া অনুকূলে এলে গিরগিটি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। 🌦️ খাবার ও জলের সন্ধান শুরু করে। 😋
আশা করি, গিরগিটির গ্রীষ্মনিদ্রা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊
আরও জানতে চোখ রাখুন! 👀