টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মাতৃদেহে দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রন করে কোন হরমোন?

A. অক্সিটোসিন
B. থাইমোসিন
C. প্রোল্যাকটিন
D. অ্যাড্রেনালিন
সঠিক উত্তরঃ C. প্রোল্যাকটিন
Explanation:

Another Explanation (5):

মাতৃদেহে দুগ্ধ ক্ষরণ এবং প্রোল্যাকটিন হরমোন 🤱

মাতৃদেহে দুগ্ধ ক্ষরণ একটি জটিল প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন হরমোনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এর মধ্যে প্রোল্যাকটিন (Prolactin) নামক হরমোনটি প্রধান ভূমিকা পালন করে।

প্রোল্যাকটিন: সংক্ষিপ্ত বিবরণ 🧪

  • উৎপাদনস্থল: পিটুইটারি গ্রন্থির অগ্রভাগ (Anterior pituitary gland)
  • রাসায়নিক প্রকৃতি: পলিপেপটাইড হরমোন
  • প্রধান কাজ: স্তন গ্রন্থি (Mammary gland) থেকে দুধ উৎপাদন এবং ক্ষরণ শুরু ও বজায় রাখা।

দুগ্ধ ক্ষরণে প্রোল্যাকটিনের ভূমিকা 🥛

  1. গ্রন্থি তৈরি: গর্ভাবস্থায় প্রোল্যাকটিন স্তন গ্রন্থিগুলোর বৃদ্ধি এবং দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কোষ তৈরি করতে সাহায্য করে।
  2. দুধ উৎপাদন শুরু: সন্তান জন্মদানের পর, প্লাসেন্টা (Placenta) শরীর থেকে বের হয়ে গেলে প্রোজেস্টেরন (Progesterone) হরমোনের মাত্রা কমে যায়। এর ফলে প্রোল্যাকটিন হরমোন দুধ উৎপাদন শুরু করার সংকেত পায়।
  3. দুধ উৎপাদন বজায় রাখা: নিয়মিত স্তন্যপান করানো হলে প্রোল্যাকটিনের ক্ষরণ বজায় থাকে, যা দুধ উৎপাদনকে সচল রাখে। স্তন্যপান করানোর সময় স্নায়ু উদ্দীপনার (Nerve stimulation) মাধ্যমে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে প্রোল্যাকটিন নিঃসৃত হয়।

প্রোল্যাকটিন নিঃসরণের প্রক্রিয়া 🤔

ধাপ বর্ণনা
১ শিশুর স্তন্যপান:👶 স্তন্যপান করার সময় মায়ের স্তনবৃন্ত (Nipple) এবং এরিওলার (Areola) স্নায়ু উদ্দীপিত হয়।
২ স্নায়ু সংকেত: 🧠 এই উদ্দীপনা মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়।
৩ পিটুইটারি গ্রন্থি: ⚙️ মস্তিষ্ক পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রোল্যাকটিন নিঃসরণের জন্য নির্দেশ দেয়।
৪ দুধ উৎপাদন: 🥛 প্রোল্যাকটিন স্তন গ্রন্থিতে পৌঁছে দুধ উৎপাদন শুরু করে।

প্রোল্যাকটিনের অন্যান্য কাজ ℹ️

  • প্রজনন ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ 🚹🚺
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি 💪
  • আচরণ এবং মেজাজ প্রভাবিত করা 😌

সুতরাং, মাতৃদেহে দুগ্ধ ক্ষরণ প্রক্রিয়ার সাফল্যের জন্য প্রোল্যাকটিনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ❤️

Option A Explanation:
  • অক্সিটোসিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত ব্রেইনের হিপোথ্যালামাস থেকে নিঃসৃত হয় এবং পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে মুক্তি পায়।
  • প্রধান কাজ হলো গর্ভাবস্থায় শিশুর প্রসবের সময় ইউটেরাসের পেশী সংকোচন সৃষ্টি করা, ফলে প্রসবের জন্য সহায়তা করে।
  • এছাড়াও, এটি স্তন্যপানকালীন সময়ে স্তন থেকে দুধ নিঃসরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • অক্সিটোসিন শরীরের অন্যান্য পেশীও সংকোচনে সহায়তা করতে পারে, যা প্রসবের প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
Option B Explanation:
  • থাইমোসিন: এটি মূলত থাইমাস গ্রন্থিতে উৎপন্ন হয় এবং শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি মূলত T-সেল এর বিকাশে সহায়ক।
  • উপকারিতা: শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং অঙ্গপ্রতঙ্গের স্বাভাবিক বিকাশে সহায়তা করে।
  • অন্য হরমোনের সাথে পার্থক্য: এটি দুধের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়, বরং ইমিউন সিস্টেমের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
  • প্রোল্যাকটিন: এটি একটি হরমোন যা পিপাসা ও স্তনের দুধ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • প্রোড়োশিত করে স্তনের দুধের ক্ষরণ বৃদ্ধি এবং রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করে।
  • মূলত পিপাসা ও স্তন স্ত্রাব্যতা নিয়ন্ত্রণে এই হরমোনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
  • অ্যাড্রেনালিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসরিত হয়।
  • প্রধানত এই হরমোনটি শরীরে স্ট্রেস বা আতঙ্কের সময় মুক্তি পায়।
  • এর কাজের মধ্যে রয়েছে হার্টের স্পন্দন বৃদ্ধি, রক্তচাপ বাড়ানো, এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে শরীরকে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে সাহায্য করা।
  • তবে, এটি সরাসরি সন্তান প্রসবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মনে হয় না।