টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অ্যামিবার সংকোচনশীল গহ্বর এর কাজ-

A. দেহের ওজন ও অতিস্রবনের চাপ কমানো
B. প্রজননে সক্রিয় অংশগ্রহন করা
C. ক্ষণপদ সৃষ্টিতে সক্রিয় ভুমিকা পালন করা
D. দেহের বিভিন্ন সজীব ও নির্জীব বস্তুসমুহ ধারন করা
সঠিক উত্তরঃ C. ক্ষণপদ সৃষ্টিতে সক্রিয় ভুমিকা পালন করা
Explanation:
Another Explanation (5):

অ্যামিবার সংকোচনশীল গহ্বর: একটি বিশদ আলোচনা 🧐

অ্যামিবার সংকোচনশীল গহ্বর (Contractile vacuole) একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। এটি অ্যামিবার অভিস্রবণ নিয়ন্ত্রণ (Osmoregulation) এবং রেচন প্রক্রিয়ায় প্রধান ভূমিকা পালন করে। প্রদত্ত উত্তরে ক্ষণপদ সৃষ্টিতে এর ভূমিকার কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি এর প্রধান কাজের অংশ নয়। নিচে এর কাজ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় আলোচনা করা হলো:

সংকোচনশীল গহ্বরের প্রধান কাজ 🎯

  • অভিস্রবণ নিয়ন্ত্রণ: অ্যামিবা মিষ্টি জলে বাস করে। তাই এর সাইটোপ্লাজমের ঘনত্ব বাইরের জলের তুলনায় বেশি। ফলস্বরূপ, অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় জল ক্রমাগত অ্যামিবার দেহে প্রবেশ করে। সংকোচনশীল গহ্বর এই অতিরিক্ত জলকে সংগ্রহ করে এবং নিয়মিতভাবে দেহের বাইরে নিষ্কাশন করে দেয়।💦
  • রেচন: এটি রেচন পদার্থ (যেমন অ্যামোনিয়া) ত্যাগ করতে সাহায্য করে।
  • আয়ন নিয়ন্ত্রণ: কিছু ক্ষেত্রে আয়ন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

ক্ষণপদ সৃষ্টিতে ভূমিকা 🤔

সংকোচনশীল গহ্বর সরাসরি ক্ষণপদ সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করে না। ক্ষণপদ মূলত সাইটোপ্লাজমের প্রবাহের কারণে সৃষ্টি হয়, যা অ্যামিবার চলন এবং খাদ্য গ্রহণে সাহায্য করে। তবে পরোক্ষভাবে এটি চলনে সাহায্য করতে পারে:

  1. অতিরিক্ত জল অপসারণের মাধ্যমে অ্যামিবার অভ্যন্তরীণ চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
  2. শারীরিক কার্যকলাপের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ বজায় রাখে।

সংকোচনশীল গহ্বরের গঠন 🧬

এটি একটি ঝিল্লি দ্বারা বেষ্টিত ছোট থলির মতো গঠন। এর চারপাশে রেডিয়াল নালী (radial canals) থাকে, যা সাইটোপ্লাজম থেকে জল সংগ্রহ করে গ??্বরে নিয়ে আসে।💧➡️ গহ্বরটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে এবং একসময় সংকুচিত হয়ে জল বাইরে বের করে দেয়।💥

সংকোচনশীল গহ্বরের কার্যাবলী : টেবিল আকারে 📊

কাজ বর্ণনা গুরুত্ব
অভিস্রবণ নিয়ন্ত্রণ অতিরিক্ত জল অপসারণ করে সাইটোপ্লাজমের ঘনত্ব ঠিক রাখে। কোষকে ফেটে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
রেচন নাইট্রোজেনাস বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে। দেহের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ স্থিতিশীল রাখে।
আয়ন নিয়ন্ত্রণ কিছু আয়ন এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। শারীরিক কার্যাবলী সঠিক রাখে।

সারসংক্ষেপ 📝

সংকোচনশীল গহ্বর অ্যামিবার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি অভিস্রবণ নিয়ন্ত্রণ ও রেচনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। যদিও এটি সরাসরি ক্ষণপদ সৃষ্টিতে জড়িত নয়, তবে সামগ্রিকভাবে অ্যামিবার চলন এবং জীবনধারণের জন্য সহায়ক। 👍

আরও জানতে বিভিন্ন জীববিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট ও বই দেখতে পারো। 📚

Option A Explanation:
  • দেহের ওজন কমানো: অ্যামিবার সংকোচনশীল গহ্বর শরীরের ফ্লুইড বা অন্যান্য কঠিন বস্তু ধারণ করে, যা দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • অতিস্রবনের চাপ কমানো: এই গহ্বর অতিস্রবন বা অন্যান্য তরল ধারণ করে, ফলে চাপ কমে যায় এবং শরীরের জলীয় সমতা বজায় থাকে।
Option B Explanation:
  • অ্যামিবার সংকোচনশীল গহ্বর বিভিন্ন জীবের প্রজনন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
  • এটি প্রজনন উপাদানগুলো সংরক্ষণ ও পরিবহন করে, যেমন ডিম বা জীবন্ত শিশু ধারণ করে।
  • প্রজনন সময়ে গহ্বরের সংকোচন ও বিস্তার প্রজনন কার্যক্রমে সহায়তা করে।
  • এটি প্রজনন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিকাশের জন্য পরিবেশ তৈরি করে, যেমন উষ্ণতা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ।
Option C Explanation:
  • অ্যামিবার সংকোচনশীল গহ্বরের মাধ্যমে ক্ষণপদ সৃষ্টি: এই গহ্বরটি অ্যামিবারের শরীরের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ক্ষণপদ বা ক্ষণচক্র গঠনে সহায়তা করে।
  • প্রচুর পরিমাণে জল ও পুষ্টি শোষণ: ক্ষণপদ গঠন করে অ্যামিবারের তাজা খাদ্য গ্রহণ ও শোষণে সহায়তা করে।
  • প্রজনন ও জীবনচক্রের অংশ: ক্ষণপদ অ্যামিবারের প্রজনন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • বিপদ এড়ানো ও পরিবেশে অভিযোজিত হওয়া: এই ক্ষণপদ অ্যামিবারের পরিবেশের সাথে অভিযোজিত হয়ে পরিবেশের পরিবর্তন অনুযায়ী জীবনচক্র পরিচালনা করে।
Option D Explanation:
  1. অ্যামিবার সংকোচনশীল গহ্বরের মাধ্যমে বিভিন্ন জৈব ও অজৈব বস্তুসমূহ ধারণ করা হয়।
  2. এটি দেহের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের সজীব (জীবিত) ও নির্জীব (জীবিত নয়) বস্তু সংরক্ষণে সাহায্য করে।
  3. উদাহরণস্বরূপ, খাদ্যদ্রব্য, জল, গ্যাস ইত্যাদি এই গহ্বর দ্বারা ধারণ করা হয়।
  4. এটি জীবের শরীরের বিভিন্ন অংশে উপকারী পুষ্টি ও উপাদান সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  5. সুতরাং, এই গহ্বরের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন ধরণের বস্তু সংরক্ষণ ও পরিবহন সম্ভব হয়।