টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটি সঠিক নয়?

A. অ্যাসিড থাকার কারণে কাঁচা ফল টক হয়
B. ফল পাকার মিষ্টি হয় কারণ ফলের স্টার্চ চিনিতে পরিনত হয়
C. ফল পাকাতে শুরু করলে তাতে শ্বসন ক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়
D. ফল পাকার জন্য বিশেষভাবে এথিলিন দায়ী
সঠিক উত্তরঃ C. ফল পাকাতে শুরু করলে তাতে শ্বসন ক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ফলের শ্বসন প্রক্রিয়া: একটি বিশদ আলোচনা 🍎🍌🍇

প্রদত্ত উত্তরে বলা হয়েছে, "ফল পাকাতে শুরু করলে তাতে শ্বসন ক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়"। এটি সঠিক নয়। ফল পাকার সময় শ্বসন ক্রিয়া বন্ধ তো হয়ই না, বরং এর গতি বাড়ে। নিচে এর কারণ এবং বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

শ্বসন কী? 🤔

শ্বসন (Respiration) হলো একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে জীব কোষ অক্সিজেন ব্যবহার করে গ্লুকোজকে ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ও জল নির্গত করে। ফল সহ সকল জীবন্ত উদ্ভিদকোষেই শ্বসন প্রক্রিয়া ঘটে।

ফল পাকার সময় শ্বসন ক্রিয়া 📈

  • ফল যখন পাকে, তখন তার মধ্যে বিভিন্ন ধরণের জৈব রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে।
  • এই পরিবর্তনগুলোর জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়।
  • আর এই শক্তি আসে শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
  • পাকা ফলের মিষ্টি হওয়ার কারণ হলো জটিল শর্করা ভেঙে সরল শর্করাতে পরিণত হওয়া। এই প্রক্রিয়াটিও শ্বসনের মাধ্যমে পাওয়া শক্তি দিয়ে সম্পন্ন হয়।

কেন উত্তরটি ভুল? ❌

ফল পাকতে শুরু করলে শ্বসন ক্রিয়া কমে যাওয়া তো দূরের কথা, বরং বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে ক্লাইম্যাকটেরিক ফল (Climacteric fruits), যেমন - আপেল, কলা, টমেটো ইত্যাদি পাকার সময় শ্বসনের হার অনেক বেড়ে যায়। এই সময়কালে ইথিলিন গ্যাস নির্গত হয়, যা ফল পাকাতে সাহায্য করে।

বিভিন্ন ফলের শ্বসন হারের তুলনা 📊

ফলের নাম পাকার সময় শ্বসন হার (CO2 উৎপাদন) মন্তব্য
কলা 🍌 অনেক বেশি ক্লাইম্যাকটেরিক ফল
আপেল 🍎 বেশি ক্লাইম্যাকটেরিক ফল
আঙ্গুর 🍇 কম নন-ক্লাইম্যাকটেরিক ফল
স্ট্রবেরি 🍓 তুলনামূলকভাবে কম নন-ক্লাইম্যাকটেরিক ফল

ক্লাইম্যাকটেরিক ও নন-ক্লাইম্যাকটেরিক ফল 🍉🍊

ফলের শ্বসন প্রক্রিয়া এবং পাকার ধরনের উপর ভিত্তি করে ফলকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়:

  1. ক্লাইম্যাকটেরিক ফল: এই ফলগুলো পাড়ার পরেও পাকে এবং এদের শ্বসন হার খুব দ্রুত বাড়ে। উদাহরণ: কলা, আপেল, টমেটো।
  2. নন-ক্লাইম্যাকটেরিক ফল: এই ফলগুলো গাছ থেকে পাড়ার পরে আর পাকে না এবং এদের শ্বসন হার কম থাকে। উদাহরণ: আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, কমলা।

ফলের শ্বসন প্রক্রিয়ার গুরুত্ব 💡

  • ফলের গুণগত মান (Quality) বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
  • ফল কতদিন সংরক্ষণ করা যাবে, তা শ্বসন হারের উপর নির্ভর করে।
  • কৃষি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে (Food Processing Industry) এর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

সুতরাং, ফল পাকা শুরু করলে শ্বসন ক্রিয়া বেড়ে যায়, বন্ধ হয় না। আশা করি, বিষয়টি এখন স্পষ্ট হয়েছে! 😊

```