টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

যকৃত গ্লুকোনিওজেনেসিস (Gluconeogenesis) প্রক্রিয়ায় কোন উৎস থেকে গ্লুকোজ সংশ্লেষিত হয়?

A.

অ্যামিনো এসিড ও গ্লিসারল

B.

গ্লিসারল ও ফ্যাটি এসিড

C.

ফ্যাটি এসিড ও গ্লাইকোজেন

D.

গ্লাইকোজেন ও অ্যামিনো এসিড

সঠিক উত্তরঃ A.

অ্যামিনো এসিড ও গ্লিসারল

Explanation:

Another Explanation (5):

গ্লুকোনিওজেনেসিস: গ্লুকোজ তৈরির উৎস 🧪

গ্লুকোনিওজেনেসিস (Gluconeogenesis) একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে যকৃত (লিভার) এবং কিছু ক্ষেত্রে কিডনি নন-কার্বোহাইড্রেট উৎস থেকে গ্লুকোজ তৈরি করে। যখন শরীরে গ্লুকোজের অভাব দেখা দেয়, তখন এই প্রক্রিয়াটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। 📉➡️📈

গ্লুকোনিওজেনেসিসের মূল উৎসসমূহ: 📝

  • অ্যামিনো অ্যাসিড: প্রোটিন ভেঙে অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি হয়। এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো গ্লুকোনিওজেনেসিসের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। অ্যালানিন এবং গ্লুটামিন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 🥩➡️🧪➡️glucose
  • গ্লিসারল: ট্রাইগ্লিসেরাইড (ফ্যাট) ভেঙে গ্লিসারল উৎপন্ন হয়। গ্লিসারল গ্লুকোনিওজেনেসিসের মাধ্যমে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হতে পারে। 🧈➡️🧪➡️glucose
  • ল্যাকটেট: পেশী যখন অক্সিজেন-স্বল্প পরিবেশে কাজ করে, তখন গ্লুকোজ ভেঙে ল্যাকটেট তৈরি হয়। এই ল্যাকটেট পরবর্তীতে লিভারে গ্লুকোনিওজেনেসিসের মাধ্যমে গ্লুকোজে পরিণত হয়। 🏋️‍♀️➡️🧪➡️glucose
  • পাইরুভেট: গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ার শেষ উৎপাদ পাইরুভেটও গ্লুকোনিওজেনেসিসের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

কোন উৎস থেকে কতটুকু গ্লুকোজ? 🤔

উৎস গ্লুকোজ উৎপাদনে ভূমিকা (আনুমানিক)
অ্যামিনো অ্যাসিড সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, প্রায় ৬০-৭০%
গ্লিসারল মোটামুটি গুরুত্বপূর্ণ, ১০-২০%
ল্যাকটেট শারীরিক কার্যকলাপের সময় গুরুত্বপূর্ণ

গ্লুকোনিওজেনেসিসের গুরুত্ব: ✨

  1. রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল রাখা। 🩸
  2. মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজনীয় গ্লুকোজ সরবরাহ করা। 🧠
  3. দীর্ঘ সময় ধরে উপোস থাকলে শরীরে শক্তি সরবরাহ করা। ⏳

সুতরাং, গ্লুকোনিওজেনেসিস প্রক্রিয়াটি শরীরকে সুস্থ রাখতে অত্যন্ত জরুরি। ✅

আরও কিছু তথ্য

গ্লুকোনিওজেনেসিস প্রক্রিয়াটি কয়েকটি এনজাইম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই এনজাইমগুলোর কার্যকারিতা হরমোন এবং অন্যান্য জৈব রাসায়নিক সংকেত দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। 🧬

আশা করি, গ্লুকোনিওজেনেসিস সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊

Option A Explanation:
  • অ্যামিনো এসিড: যকৃতে প্রোটিন ভাঙনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়, যেখানে অ্যামিনো এসিড গ্লুকোনোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করে। এই অ্যামিনো এসিডগুলো কার্বন শৃঙ্খল ভেঙে গ্লুকোজের জন্য প্রয়োজনীয় সিঙ্গেল কার্বন ইউনিটে রূপান্তরিত হয়।
  • গ্লিসারল: গ্লিসারল হলো গ্লাইকোজেনের ভাঙনের ফলশ্রুতি ও ফ্যাটি এসিডের বিপরীতে, যা গ্লুকোনোজেনেসিসে গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এটি গ্লুকোজে রূপান্তরিত হতে পারে যখন গ্লাইকোজেনের ভাঙন ঘটে।
Option B Explanation:
  • গ্লিসারল: গ্লিসারল হলো গ্লাইকোজেনের ভাঙ্গন থেকে প্রাপ্ত একটি উপাদান। এটি গ্লুকোনিওজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়। গ্লিসারল সাধারণত গ্লাইকোজেনের ভাঙ্গনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় এবং এটি গ্লুকোনিওজেনেসিসের গুরুত্বপূর্ণ উৎস ??িসেবে কাজ করে।
  • ফ্যাটি এসিড: সাধারণত, ফ্যাটি এসিড সরাসরি গ্লুকোনিওজেনেসিসে অংশ নেয় না। তবে, কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে, ফ্যাটি এসিডের বিভাজন থেকে উৎপন্ন গ্লিসেরোল বা গ্লুকোনেজেনিক উপাদান হিসেবে কাজ করতে পারে। মূলতঃ গ্লুকোনিওজেনেসিসে প্রধানত অ্যামিনো এসিড ও গ্লিসারল প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
Option C Explanation:
  • ফ্যাটি এসিড: সাধারণত গ্লুকোনিওজেনেসিসে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না কারণ এগুলি অ্যাটপিকভাবে কিটোন বডি হিসেবে রূপান্তরিত হতে পারে। তবে, কিছু পরিস্থিতিতে, ফ্যাটি অ্যাসিডের ডিহাইড্রোইসোপ্রোপিল-সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গ্লুকোনিওজেনেসিসে অবদান রাখতে পারে।
  • গ্লাইকোজেন: গ্লাইকোজেন মূলত লিভার এবং মাংসপেশীতে সঞ্চিত থাকে। এটি গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয় যখন রক্তে গ্লুকোজের প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে উপসর্গের অবস্থা বা খারাপ খাওয়ার সময়।
Option D Explanation:

গ্লাইকোজেন ও অ্যামিনো এসিড থেকে গ্লুকোজ সংশ্লেষের ব্যাখ্যা:

  • গ্লাইকোজেন: এটি লিভার ও মাংসপেশীতে থাকা স্টোরেজ ফর্ম গ্লুকোজের। যখন শরীরের গ্লুকোজের প্রয়োজন হয়, তখন গ্লাইকোজেন গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়, যা রক্তপ্রবাহে মুক্তি পায়।
  • অ্যামিনো এসিড: প্রোটিন ভাঙলে প্রাপ্ত অ্যামিনো এসিড গ্লুকোজে রূপান্তরিত হতে পারে। বিশেষ করে লিভারে, কিছু অ্যামিনো এসিড কেটো-অ্যাসিড কিংবা গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়, যা গ্লুকোনিওজেনেসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের জন্য জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।
  • প্রক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য: এই প্রক্রিয়ায়, অ্যামিনো এসিড ও গ্লাইকোজেনের মাধ্যমে গ্লুকোজ তৈরি হয়, যা দীর্ঘ সময় ধরে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বজায় রাখতে সহায়ক।
  • উপসংহার: গ্লাইকোজেন ও অ্যামিনো এসিড শরীরের গ্লুকোজের প্রাথমিক উৎস হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে উপবাস বা উপবাসের সময় শরীরের জ্বালানি সরবরাহের জন্য।