লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অ্যামোনিয়া (NH3) একটি বর্ণহীন গ্যাস যা সাধারণত সার, পরিষ্কারক এবং অন্যান্য শিল্প রাসায়নিক পদার্থ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। অ্যামোনিয়ার উপস্থিতি সনাক্ত করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত এবং বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি হলো নেসলার দ্রবণ ব্যবহার।
নেসলার দ্রবণ হলো পটাশিয়াম টেট্রায়োডোমারকিউরেট(II) (K2[HgI4]) এর একটি ক্ষারীয় দ্রবণ। এটি আবিষ্কার করেন জার্মান রসায়নবিদ জুলিয়াস নেসলার।
যখন নেসলার দ্রবণ অ্যামোনিয়ার সংস্পর্শে আসে, তখন এটি অ্যামোনিয়ার সাথে বিক্রিয়া করে বাদামী বা হলুদ বর্ণের একটি জটিল যৌগ তৈরি করে। এই জটিল যৌগটি হলো মারকিউরিক অ্যামাইড আয়োডাইড (Hg2NI•H2O)।
2K2[HgI4] + NH3 + 3KOH → Hg2NI•H2O + 7KI + 2H2O
দ্রবণে অ্যামোনিয়ার পরিমাণ যত বেশি হবে, বর্ণের গভীরতা তত বাড়বে। অল্প পরিমাণ অ্যামোনিয়া দ্রবণে থাকলে হালকা হলুদ বর্ণ এবং বেশি পরিমাণে থাকলে গাঢ় বাদামী বর্ণ দেখা যায়।
| বর্ণ | অ্যামোনিয়ার উপস্থিতি | মন্তব্য |
|---|---|---|
| বর্ণহীন | অ্যামোনিয়া অনুপস্থিত | কোনো বিক্রিয়া ঘটেনি। |
| হালকা হলুদ | অল্প পরিমাণে অ্যামোনিয়া উপস্থিত | অ্যামোনিয়ার পরিমাণ খুবই কম। |
| গাঢ় হলুদ | মাঝারি পরিমাণে অ্যামোনিয়া উপস্থিত | বোঝা যাচ্ছে, অ্যামোনিয়া আছে। |
| বাদামী | বেশি পরিমাণে অ্যামোনিয়া উপস্থিত | অ্যামোনিয়ার পরিমাণ অনেক বেশি। |
আশা করি, অ্যামোনিয়া শনাক্তকরণে নেসলার দ্রবণের ব্যবহার সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। Happy learning! 📚🎉