টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটি সুন্দরবনের উদ্ভিদ?

A. Phoenix sylvestris
B. Cedrus deodara
C. ceriops decandra
D. Azadirachta indica
সঠিক উত্তরঃ C. ceriops decandra
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: সুন্দরবনের প্রধান উদ্ভিদ ম্যানগ্রোভ গাছ, যা লবণাক্ত পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। Ceriops decandra একটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ যা সুন্দরবনে পাওয়া যায়।\nঅপশন বিশ্লেষণ: A. Phoenix sylvestris: ভুল, এটি খেজুর গাছ যা সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের অংশ নয়। B. Cedrus deodara: ভুল, এটি হিমালয়ের অঞ্চলে পাওয়া যায়। C. Ceriops decandra: সঠিক, এটি সুন্দরবনের একটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ। D. Azadirachta indica: ভুল, এটি নিমগাছ, যা সুন্দরবনের প্রধান উদ্ভিদ নয়।\nনোট: সুন্দরবন প্রধানত ম্যানগ্রোভ অরণ্যের জন্য পরিচিত এবং এখানে Ceriops decandra সহ অন্যান্য ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ পাওয়া যায়।
Another Explanation (5):

সুন্দরবনের উদ্ভিদ: Ceriops decandra

সুন্দরবন, যা বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, তার স্বাভাবিক পরিবেশে বিভিন্ন ধরণের উদ্ভিদ জন্মে। এই উদ্ভিদগুলো পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে জীববৈচিত্র্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

বিশেষত্ব:

  • প্রধানতঃ ম্যানগ্রোভ অরণ্য হিসেবে পরিচিত 🌿
  • Ceriops decandra হলো সুন্দরবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদ 🏞️
  • এটি সাধারণতঃ উপকূলীয় অঞ্চলে জন্মে 🏝️
  • প্রাকৃতিক পরিবেশে এর মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য রক্ষা হয় 🌱

উপকারিতা:

উপকারিতা বর্ণনা ইমোজি
প্রতিরোধী গাছ ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করে 🌊 💪🌿
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়ক অন্য উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল 🐦🦋 🦜🦋
উপকূলীয় পরিবেশে গুরুত্ব সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে 🌎 🌍🌱

উপসংহার:

সুতরাং, সুন্দরবনের উদ্ভিদ হিসেবে Ceriops decandra অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রজাতি। এর মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হয় এবং জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হয় 🌟🌳।

Option A Explanation:

Phoenix sylvestris

  • প্রজাতি: এটি একটি প্রজাতির পাম গাছ, সাধারণত "সোলার পাম" নামে পরিচিত।
  • অবস্থান: এটি মূলত দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে পাওয়া যায়।
  • প্রকার: এটি একটি উঁচু, ঝোপঝাড়যুক্ত বৃক্ষ, যা সাধারণত উঁচু হয়ে থাকে।
  • উদ্ভিদ বৈশিষ্ট্য: এর মূল দেহের রঙ ধূসর বা বাদামী হয় এবং পাতাগুলি লম্বা, পাল্পযুক্ত ও গা dark ় সবুজ রঙের।
  • ব্যবহার: এর পাতা ও ডাল বিভিন্ন স্থানীয় প্রয়োজনে ব্যবহার হয়, যেমন ছাদ বা ঘর নির্মাণে।
Option B Explanation:
  • নাম: Cedrus deodara
  • পরিবার: অ্যারাকেডি (Pinaceae)
  • বর্ণনা: এটি একটি মহাকাব্যিক অরণ্যজাতীয় বৃক্ষ, সাধারণত হিমালয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। এর দীর্ঘ, সমতল শাখা এবং উজ্জ্বল সবুজ শাখাগুলির জন্য এটি পরিচিত।
  • ব্যবহার: কাঠের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা নির্মাণকাজে এবং আসবাবপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
  • বিশেষত্ব: এর গাছের উচ্চতা প্রায় 50-60 মিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে এবং এর কাঠের গুণগত মান খুবই ভালো।
Option C Explanation:
  • নাম: Ceriops decandra
  • প্রকার: মালভূমি বা সামুদ্রিক জলাভূমির উদ্ভিদ
  • পরিচিতি: এটি একটি ট্রি বা ঝোপজাত উদ্ভিদ, যা সাধারণত সুন্দরবন অঞ্চলে দেখা যায়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এর গাছের ছাল ধূসর বা বাদামি রঙের হয়। পাতাগুলি সাধারণত লম্বা, সবুজ রঙের ও চকচকে।
  • অবস্থান: সামুদ্রিক জলাভূমি, মোহনসাগর তীরবর্তী এলাকা ও পানির কাছাকাছি অঞ্চলগুলোতে পাওয়া যায়।
  • অর্থ ও ব্যবহার: জলজ পরিবেশে জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে এবং স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের অংশ। কিছু ক্ষেত্রে এর কাঠ ও অন্যান্য উপাদান ব্যবহার হয়।
Option D Explanation:
  • বৈশিষ্ট্য: Azadirachta indica বা নিম হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী গাছ, যা প্রাচীনকাল থেকে পরিচিত। এটি সাধারণত আফ্রিকা, এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়াতে পাওয়া যায়।
  • প্রাকৃতিক ইতিহাস: এই গাছের জীবনীকাল প্রায় 80-100 মিলিয়ন বছর পুরানো বলে মনে করা হয়, যা এটিকে একটি "লিভিং ফসিল" হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
  • উপকারিতা: এর বিভিন্ন অংশ যেমন পাতা, ছাল ও তেল বিভিন্ন ঔষধি ও কৃষি কাজে ব্যবহৃত হয়।
  • অন্য নাম: এটি সাধারণত "নিম" বা "Indian Lilac" নামে পরিচিত।
  • বিশেষত্ব: এই গাছের গঠন ও গুণাবলী প্রাচীন সময় থেকে অপরিবর্তিত রয়েছে, যা এর প্রাচীনতা ও বৈচিত্র্যের প্রমাণ।