টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

জীবের মৃত্যুর জন্য দায়ী জিনকে বলা হয়- 

A. Dominant gene
B. Binding gene
C. Lethal gene
D. Complementary gene
সঠিক উত্তরঃ C. Lethal gene
Explanation: কোনো জিনের মিউটেশন ঘটার পর এটি থেকে সংশ্লেষিত প্রোটিন (এনজাইম) যদি নিষ্ক্রিয় হয় এবং ওই প্রোটিনের শারীরবৃত্তীয় গুরুত্ব যদি জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য হয়, তবে হোমোজাইগাস অবস্থায় সংশ্লিষ্ট জীবের মৃত্যু ঘটে। যেসব জিন বা অ্যালিলের কারণে জীবের মৃত্যু ঘটে, তাদের মারণজিন বা লিথাল জিন বলে।
Option A Explanation:
  • Dominant gene: এটি একটি ধরনের জেন যা অন্য জেনের তুলনায় বেশি প্রভাব ফেলে এবং ট্রেসিং বা প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • যখন কোনও বৈশিষ্ট্য বা রোগের জন্য dominant gene উপস্থিত থাকে, তখন সেটি প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য বা রোগের প্রকাশে প্রাধান্য পায়।
  • উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনও ব্যক্তির কাছে dominant gene থাকে, তবে সেটি তার বৈশিষ্ট্য বা রোগের উপস্থিতির জন্য দায়ী হতে পারে।
Option B Explanation:
  1. Binding gene: এটি এমন জিন বা জেনের গুণ বা প্রভাবকে বোঝায় যা অন্য জিনের কার্যকারিতা বা প্রকাশকে প্রভাবিত করে বা বাধা দেয়। সাধারণত, এই জিনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট জেনের কার্যকলাপ বা লক্ষণ প্রকাশের উপর নিয়ন্ত্রণ বা বাধা সৃষ্টি হয়।
Option C Explanation:
  • Lethal gene (মৃত্যুকারক জীন):
  • এটি এমন একটি জীন যা জীবের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
  • কখনো কখনো এই জীন সাধারণ বৈশিষ্ট্য বা বৈচিত্র্য সৃষ্টি করতে পারে, তবে এর প্রভাব সাধারণত প্রাণীর জীবনচক্রের শেষ পর্যায়ে দেখা যায়।
  • এটি জেনেটিক্সে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি জীবের জীবনের শেষের কারণ নির্ধারণে সহায়ক।
  • লেটাল জীন প্রায়শই জেনেটিক বৈচিত্র্য ও প্রজননে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
Option D Explanation:
  1. Complementary gene: এই ধরনের জিন দুটি একসাথে কাজ করে একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা ফলাফল নির্ধারণ করে।
  2. প্রতিটি জিন নিজস্বভাবে কোনও ফলাফল তৈরি না করে, বরং অন্য জিনের সাথে মিলিত হয়ে কাজ করে।
  3. এটি মূলত জেনেটিক ইন্টারঅ্যাকশনের মাধ্যমে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটায়।
  4. যখন দু'টি জিনের ক্রিয়াকলাপ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, তখন নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা ফলাফল দেখা যায়।
  5. উদাহরণস্বরূপ, কিছু ফুলের রঙের পরিবর্তন বা গাছের ফলের গঠন এই ধরনের জিনের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে।
  6. এই জিনের কার্যকারিতা সাধারণত মূল জেনেটিক বৈচিত্র্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।