লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
অথবা
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ক্লিভেজ হলো নিষিক্ত ডিম্বাণু বা জাইগোটের দ্রুত কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া। এই বিভাজন সাধারণ মাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে, তবে কোষের আকার বৃদ্ধি পায় না। বরং, কোষগুলো ছোট হতে থাকে এবং কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ক্লিভেজের ফলে সৃষ্ট এই ছোট কোষগুলোই হলো ব্লাস্টোমিয়ার।
| পর্যায় | বৈশিষ্ট্য | ফলাফল |
|---|---|---|
| ক্লিভেজ শুরু ⏱️ | জাইগোটের দ্রুত বিভাজন শুরু হয়। কোষের আকার বাড়ে না। | দুটি ব্লাস্টোমিয়ার তৈরি হয়। |
| পরবর্তী বিভাজন ➗ | ব্লাস্টোমিয়ারগুলোর ক্রমাগত বিভাজন চলতে থাকে। | চারটি, আটটি, ষোলটি... এভাবে ব্লাস্টোমিয়ারের সংখ্যা বাড়তে থাকে। |
| মরুলা গঠন 🍇 | কোষ বিভাজন চলতে থাকে এবং কোষগুলো একটি শক্ত বলের মতো গঠন তৈরি করে। | অনেকগুলো ব্লাস্টোমিয়ার (সাধারণত 16-32টি) একসাথে মোরালার মতো দেখায়। |
| ব্লাস্টোসিস্ট গঠন 🎈 | মরুলার কোষগুলো নিজেদের মধ্যে একটি গহ্বর তৈরি করে এবং একটি ব্লাস্টোসিস্ট গঠন করে। | ব্লাস্টোসিস্ট পরবর্তীতে ইমপ্লান্টেশনের জন্য প্রস্তুত হয়। |
ব্লাস্টোমিয়ারগুলোর সঠিক বিভাজন এবং গঠন ভ্রূণের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ক্লিভেজে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে ভ্রূণের বিকাশ ব্যাহত হতে পারে।
আরও জানতে চোখ রাখুন! 😉