Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে পৃথিবীর ব্যাস বরাবর সুড়ঙ্গের মধ্যে বস্তুর গতি সম্পর্কিত তিনটি বিকল্প দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিকল্পের অর্থ এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিম্নরূপ:
- পর্যায়বৃত্ত গতি:
পর্যায়বৃত্ত গতি বলতে বোঝায় এমন গতি যা একটি বস্তুকে একই স্থানে পুনরায় ফিরে আসতে সাহায্য করে, অর্থাৎ ঘূর্ণনের মাধ্যমে বা পুনরাবৃত্তি গতি। পৃথিবীর ব্যাস বরাবর সুড়ঙ্গের মধ্যে বস্তুর গতি সাধারণত এই ধরনের গতি নয়।
- স্পন্দন গতি:
স্পন্দন গতি বা কম্পন বলতে বোঝায় এমন গতি যেখানে বস্তুকে নির্দিষ্ট এক অবস্থান থেকে অন্য অবস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পুনরায় পূর্বের অবস্থানে ফিরে আসে। পৃথিবীর ব্যাস বরাবর সুড়ঙ্গের মধ্যে বস্তুর গতি সাধারণত স্পন্দন নয়, বরং এটি স্থানান্তরগামী।
- প্রত্যয়নী বল সরণের সমানুপাতিক ও বিপরীতমুখী:
পৃথিবীর ব্যাস বরাবর সুড়ঙ্গের মধ্যে বস্তুর গতি এমন এক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে যেখানে এটি পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে চলাকালে প্রত্যয়নী বলের কারণে গতি ধীর হয়ে যায় এবং কেন্দ্রের পর পুনরায় দ্রুততার সাথে ফিরে আসে। এই গতি নির্ভর করে প্রত্যয়নী বলের উপর, যা বস্তুর গতি ও অবস্থানের সাথে সম্পর্কিত।
এই পরিস্থিতি নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী, বলের সঙ্গে বস্তুর গতি ও অভিকর্ষ বলের সম্পর্ক রয়েছে।
অতএব, এই পরিস্থিতিতে যে গতি সম্পর্কিত ধারণাগুলি প্রযোজ্য, তা হলো:
- দ্বিতীয়টির অর্থাৎ "স্পন্দন গতি" এবং
- তৃতীয়টির অর্থাৎ "প্রত্যয়নী বল সরণের সমানুপাতিক ও বিপরীতমুখী"।
এখন, প্রশ্নে বলা হয়েছে: উত্তর "ii ও iii"। অর্থাৎ, এই দুটি গতি ধারণা এই পরিস্থিতির জন্য উপযুক্ত। এটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক কারণ:
- পৃথিবীর ব্যাস বরাবর সুড়ঙ্গের মধ্যে বস্তুর গতি স্পন্দনের মতো নয়, বরং এটি একটি ধ্রুব বা পর্যায়বৃত্তীয় গতি নয়, বরং এটি বলের প্রভাবের অধীন চলাচল।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধারণাগুলি এই পরিস্থিতির জন্য প্রাসঙ্গিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে সমর্থিত।
সুতরাং,
উত্তর: "ii ও iii" সঠিক।