টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আরশোলার রেচন অঙ্গের নাম কি?

A. ট্রাকিয়া 
B. মালপিজিয়ান নালিকা
C. নেফ্রিডিয়া
D. দেহপ্রাচীর
E. সংকোচনশীল গহ্বর 
সঠিক উত্তরঃ B. মালপিজিয়ান নালিকা
Explanation:

Another Explanation (5):

আরশোলার রেচন অঙ্গ: মালপিজিয়ান নালিকা 🪳

আরশোলা পোকা 🐜 পর্বের অন্তর্ভুক্ত। এদের রেচনতন্ত্র অন্যান্য পোকামাকড়ের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। প্রধান রেচন অঙ্গ হিসেবে মালপিজিয়ান নালিকা কাজ করে। এছাড়াও ইউরিকোস গ্রন্থি ও নেফ্রোসাইট নামক বিশেষ কোষ রেচনে সাহায্য করে। নিচে মালপিজিয়ান নালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

মালপিজিয়ান নালিকা: গঠন ও কার্যাবলী 🧬

  • গঠন: মালপিজিয়ান নালিকা হল সরু, নলাকার এবং বদ্ধ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট রেচন অঙ্গ। এগুলো আরশোলার পৌষ্টিকনালীর (alimentary canal) মধ্যভাগের শেষ প্রান্তে এবং পশ্চাৎ নালীর সংযোগস্থলে গুচ্ছাকারে অবস্থিত। প্রতিটি নালিকা প্রায় 100-150টি কোষ দিয়ে গঠিত।
  • সংখ্যা: একটি আরশোলার দেহে প্রায় 70-150টি মালপিজিয়ান নালিকা থাকতে পারে।
  • বর্ণ: এগুলো সাধারণত হলুদ বা হালকা কমলা রঙের হয়ে থাকে।🟠
  • কাজ:
    1. হিমোলিম্ফ (haemolymph) থেকে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ (যেমন ইউরিক অ্যাসিড), জল এবং লবণ শোষণ করে। 💧
    2. এই বর্জ্য পদার্থগুলো নালিকার মাধ্যমে পশ্চাৎ নালীতে প্রবেশ করে।
    3. পশ্চাৎ নালীতে জল এবং প্রয়োজনীয় লবণ পুনরায় শোষিত হয়। ♻️
    4. অবশিষ্ট বর্জ্য মল আকারে দেহ থেকে নির্গত হয়। 💩

মালপিজিয়ান নালিকার কার্যাবলী সংক্ষিপ্তভাবে:

কার্যকারিতা বিবরণ
পরিশ্রাবণ (Filtration) হিমোলিম্ফ থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে নেওয়া।
পুনঃশোষণ (Reabsorption) প্রয়োজনীয় উপাদান (জল, লবণ) পুনরায় শোষণ করা।
নিষ্কাশন (Excretion) মল আকারে বর্জ্য পদার্থ ত্যাগ করা।

অন্যান্য রেচন অঙ্গ ➕

মালপিজিয়ান নালিকা ছাড়াও আরশোলার রেচনে আরও কিছু অঙ্গ সাহায্য করে:

  • ইউরিকোস গ্রন্থি: এটি ইউরিক অ্যাসিড সংশ্লেষ করে।
  • নেফ্রোসাইট: এরা হিমোলিম্ফ থেকে বর্জ্য পদার্থ শোষণ করে জমা রাখে।

এভাবে মালপিজিয়ান নালিকা এবং অন্যান্য রেচন অঙ্গের মাধ্যমে আরশোলা তার দেহের বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে সুস্থ জীবন ধারণ করে। 👍

তথ্যসূত্র: জীববিজ্ঞান বই 📚 ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট 🌐

Option A Explanation: ```html
  • ট্রাকিয়া: ট্রাকিয়া হলো শ্বাসনালী বা ট্রাকিয়াল টিউবের মূল অংশ, যা নাক ও মুখের সঙ্গে লেগে গলা বা কন্ঠস্বরের পিছনের দিকে অবস্থিত। এটি শ্বাসনালীর মূল পথ, যেখানে বাতাস প্রবাহিত হয়।
  • বাতাস ট্রাকিয়া দিয়ে প্রবেশ করে ব্রংকাই ও পরে ব্রংকিওলসের মাধ্যমে ফুসফুসের অভ্যন্তরে পৌঁছে।
  • প্রধানত, ট্রাকিয়ায় গ্যাসীয় বিনিময় হয় না; বরং এটি বাতাসের চলাচলের ??ন্য একটি পথ হিসেবে কাজ করে।
```
Option B Explanation:
  • মালপিজিয়ান নালিকা: এটি একটি ক্ষুদ্র নালিকা যা মূলত অঙ্গের মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকা বা তরল সংগ্রহ করে।
  • অঙ্গের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের তরল বা ক্ষুদ্র কণিকা সংগ্রহ এবং পরিশোধনের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, এটি পেশী বা সংবহন ব্যবস্থার অংশ হতে পারে যেখানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপাদান বা তরল সংরক্ষণ ও পরিবহন হয়।
Option C Explanation: ```html

নেফ্রিডিয়া

  • সংজ্ঞা: নেফ্রিডিয়া হল প্রজনন ও মূত্রত্যাগের জন্য জৈবনিক গঠন যা বিভিন্ন প্রাণীর শরীরে দেখা যায়।
  • উপস্থিতি: এটি বিশেষ করে প্যাথোজোয়া প্রাণীর অঙ্গ হিসেবে পাওয়া যায়, যেমন কিছু এককোষী ও কৃমি প্রজাতিতে।
  • কাজ: এটি মূলত শরীরের অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকর যৌগগুলি থেকে নিঃসরণে সহায়ক।
  • উদাহরণ: নিচের প্রাণীসমূহে নেফ্রিডিয়া দেখা যায়:
    • প্রোটোজোয়া (যেমন: ট্রপোজোয়া)
    • নির্দিষ্ট কৃমি (যেমন: টেনিয়া)
```
Option D Explanation:
  • দেহপ্রাচীর: এটি বিভিন্ন জীবের দেহের বাইরের আবরণ বা কাঠামো, যা শরীরের আকার ধরে রাখতে সহায়ক।
  • প্রাণীর দেহের সুরক্ষা প্রদান করে এবং শরীরের ভেতরের অংশগুলোকে আঘাত, আর্দ্রতা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে।
  • অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমনের জন্য বিভিন্ন জীবের দেহে বিভিন্ন ধরণের দেহপ্রাচীর থাকতে পারে।
  • উদাহরণস্বরূপ, কিছু জীবের দেহপ্রাচীর কেলোউস বা চিটিনের তৈরি হয়, যা শক্তিশালী ও লচকশীল।
Option E Explanation:
  • সংকোচনশীল গহ্বর: এটি হলো শরীরের অভ্যন্তরে থাকা গহ্বর বা কক্ষ যেখানে পেশী বা অন্যান্য টিস্যু সংকোচন করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
  • এই গহ্বরটি পেশী দ্বারা আচ্ছাদিত হয়, ফলে পেশী সংকোচন বা প্রশস্ত হওয়ার মাধ্যমে আঘাত বা চলাচল সম্ভব হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সংকোচনশীল গহ্বর থাকায় রক্তের প্রবাহ, শ্বাসপ্রশ্বাস বা অন্যান্য শারীরিক কার্যক্রম সহজ হয়।