লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনো পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ (Resistivity) দুটি প্রধান বিষয়ের উপর নির্ভর করে: তাপমাত্রা এবং পরিবাহীটি কোন উপাদান দিয়ে তৈরি। নিচে এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
বিভিন্ন উপাদানের আপেক্ষিক রোধ বিভিন্ন হয়। এর কারণ হলো, প্রতিটি উপাদানের পরমাণু গঠন এবং ইলেকট্রনগুলোর চলাচলের বৈশিষ্ট্য আলাদা। নিচে কয়েকটি উপাদানের আপেক্ষিক রোধের তুলনা দেওয়া হলো:
| উপাদান | আপেক্ষিক রোধ (ওহম-মিটার) |
|---|---|
| রূপা (Silver) 🥈 | ১.৫৯ × ১০⁻⁸ |
| তামা (Copper) 🥉 | ১.৬৮ × ১০⁻⁸ |
| সোনা (Gold) 🥇 | ২.৪৪ × ১০⁻⁸ |
| লোহা (Iron) 🔩 | ৯.৭১ × ১০⁻⁸ |
| কাঁচ (Glass) 🧪 | ১০¹⁰ - ১০¹⁴ |
লক্ষ্য করুন, রূপার আপেক্ষিক রোধ সবচেয়ে কম, তাই এটি সবচেয়ে ভালো পরিবাহী। অন্যদিকে, কাঁচের আপেক্ষিক রোধ অনেক বেশি, তাই এটি অন্তরক (insulator) হিসেবে কাজ করে।
পরিবাহীর তাপমাত্রা বাড়লে আপেক্ষিক রোধ সাধারণত বাড়ে। এর কারণ হলো, তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর মধ্যে থাকা পরমাণুগুলোর কম্পন বাড়ে, যা ইলেকট্রনগুলোর চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। এটি একটি সাধারণ নিয়ম হলেও এর কিছু ব্যতিক্রম আছে।
গাণিতিকভাবে, আপেক্ষিক রোধের পরিবর্তনকে নিম্নলিখিত সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়:
ρ = ρ₀ [১ + α(T - T₀)]
এখানে:
ρ = T তাপমাত্রায় আপেক্ষিক রোধ
ρ₀ = T₀ তাপমাত্রায় আপেক্ষিক রোধ
α = আপেক্ষিক রোধের তাপমাত্রা সহগ (Temperature coefficient of resistivity)
T = বর্তমান তাপমাত্রা
T₀ = রেফারেন্স তাপমাত্রা
পরিশেষে বলা যায়, পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ উপাদান এবং তাপমাত্রা উভয় বিষয়ের উপর নির্ভরশীল। উপাদান পরিবর্তন হলে আপেক্ষিক রোধের মান পরিবর্তিত হয়, তেমনি তাপমাত্রা পরিবর্তন হলেও আপেক্ষিক রোধের পরিবর্তন ঘটে। এই বিষয়টি ইলেকট্রনিক্স এবং তড়িৎ প্রকৌশলের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।💡
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 👍