টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কেঁচোর বায়োলজিক্যাল নাম কোনটি?

A. Hirudo medicinalis
B. Metaphire posthuma
C. Enterobius Vermicularis
D. Aurelia Vermicularis
সঠিক উত্তরঃ B. Metaphire posthuma
Explanation: কেঁচোর বায়োলজিক্যাল নাম Metaphire posthuma। অপশন বিশ্লেষণ: A. Hirudo medicinalis - ভুল, এটি জোঁকের নাম; B. Metaphire posthuma - সঠিক উত্তর; C. Enterobius Vermicularis - ভুল, এটি পরজীবী কৃমির নাম; D. Aurelia Vermicularis - ভুল, এটি জেলিফিশের নাম। নোট: Metaphire posthuma হলো ভারতীয় কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নাম।
Another Explanation (5):

কেঁচোর বায়োলজিক্যাল নাম কি?

কেঁচো বা কম্পোস্ট কেঁচো (Earthworm) এর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Metaphire posthuma। এটি বিভিন্ন ধরনের কেঁচো পরিবারের মধ্যে অন্যতম একটি প্রজাতি।

বায়োলজিক্যাল নামের বিস্তারিত বিশ্লেষণ:

  • Genus (জাত): Metaphire
  • Species (প্রজাতি): posthuma

বৈজ্ঞানিক নামের গুরুত্ব:

বৈজ্ঞানিক নাম ব্যবহার করার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীরা একে অপরের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারেন। এটি অভিন্ন নামের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষাভাষী ব্যক্তিদের মধ্যে বিভ্রান্তি কমে যায়।

তালিকা: কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নামের বৈশিষ্ট্য

  1. অন্তর্বর্তীভাবে বৈজ্ঞানিক নাম পরিবর্তন হতে পারে, তবে Metaphire posthuma বর্তমানে স্বীকৃত।
  2. এই নামটি Linnaeus এর নামের অধীনে নিবন্ধিত।
  3. এটি তত্ত্বাবধান করে কেঁচো সংক্রান্ত গবেষণায়।

সারাংশ:

বিষয় বর্ণনা
বৈজ্ঞানিক নাম Metaphire posthuma
প্রজাতি Earthworm (কেঁচো)
পরিবার Megascolecidae (বিশেষত)

উপসংহার

সুতরাং, কেঁচোর বৈজ্ঞানিক নাম Metaphire posthuma। এটি জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাণী। 🌱🌍🐛

Option A Explanation:

Hirudo medicinalis (Leech)

  • শিখাকোষের উপস্থিতি: হিরুডো মেডিসিনালিস বা লিচের শরীরে শিখাকোষ থাকে।
  • শিখাকোষের কাজ: এই শিখাকোষ লিচের শরীরের উপর বা উপরে থাকে এবং শিকার বা রক্ত শোষণে সহায়তা করে।
  • অবস্থান: এটি মূলত লিচের মুখের চারপাশে বা শরীরের অন্য অংশে দেখা যায়।
  • প্রকার: এটি একধরনের পরজীবী প্রাণী, যা প্রধানত রক্ত শোষণ করে জীবনধারণ করে।
Option B Explanation:
  • প্রজাতি: Metaphire posthuma
  • বর্গের নাম: Megascolecidae (অ্যাসিলোমেনটিসের পরিবারের অন্তর্গত)
  • প্রকার: অ্যানেলিডা (Annelida)
  • প্রজাতির বৈশিষ্ট্য: এটি একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা সাধারণত মাটির মধ্যে বাস করে এবং মৃত উদ্ভিদ ও অণুজীবের অবশিষ্টাংশ খেয়ে জীবনযাপন করে।
  • অ্যাসিলোমেনটির বৈশিষ্ট্য: অ্যাসিলোমেনটিস হল এক ধরনের লেজের বাইরে অঙ্গবিন্যাসবিহীন, লম্বাটে, এবং অ্যানেলিড প্রজাতির প্রাণী, যাদের দেহে সঞ্চালনব্যবস্থা (circulatory system) উন্মুক্ত, ও সাধারণত মৃত্তিকাতে পাওয়া যায়।
Option C Explanation:
  • নাম: Enterobius Vermicularis
  • প্রকার: পরজীবী পরিপাকতন্ত্রের নরম্যালি সংক্রামক পরজীবী (পাইরনেমিডি পরিবারের পরজীবী)
  • বিবরণ: এটি একটি ছোট আকারের পরিপাকতন্ত্রের পরজীবী, যা মূলত মানব অন্ত্রের উপরের অংশে বসবাস করে এবং অতি সাধারণত পেটের যত্নে সমস্যা সৃষ্টি করে।
  • প্রধান লক্ষণ: অজান্তে খুশকি বা অন্ত্রের অস্বস্তি, প্রায়শই রাতে খোসাপড়া ও চুলকানি দেখা যায়।
  • আবাসস্থান: মানব পায়ুপথে, বিশেষ করে অ্যানাসের আশেপাশে।
  • সংক্রমণের উপায়: সংক্রামক থেকে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিসপত্র বা সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে।
  • চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিহেলমিনথিক ওষুধ দিয়ে এড়ানো যায়।
Option D Explanation:
  • অবস্থান: এটি একটি প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
  • প্রজাতি: এই নামটি সাধারণত জেলি ফিস বা অরেঞ্জিয়ার মতো সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • উৎপত্তি: ল্যাটিন ভাষায় তৈরি, যা বৈজ্ঞানিক নামের জন্য সাধারণত ব্যবহৃত হয়।
  • ব্যবহার: এই নামটি বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাসের জন্য ব্যবহার হয়, বিশেষ করে জেলি ফিশের ক্ষেত্রে।
  • নোট: "Vermicularis" শব্দটি সাধারণত "অণ্ডকোষ বা কেঁচো" সম্পর্কিত কোনও প্রাণীর সঙ্গে সংযুক্ত হয় না; এটি এখানে একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর নাম হতে পারে।