টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কনড্রিনে কী ধরনের প্রোটিন পাওয়া যায়?

A.

অ্যাকটিন ও জিলেটিন

B.

কোলাজেন ও মায়োসিন

C.

মিউকয়েড ও অ্যালবুমিনয়েড

D.

মায়োসিন ও ইলাস্টিন

সঠিক উত্তরঃ C.

মিউকয়েড ও অ্যালবুমিনয়েড

Another Explanation (5): কনড্রিনে মূলত নিম্নলিখিত ধরনের প্রোটিন পাওয়া যায়:
  • মিউকয়েড প্রোটিন: এই প্রোটিনগুলো মুখের ভিতর, নাক, ও শ্বাসনালিতে উপস্থিত মিউকাসের গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করে। এগুলো শ্বাসনালির সরু পথকে আর্দ্র ও সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
  • অ্যালবুমিনয়েড প্রোটিন: এই প্রোটিনগুলো মূলত রক্তের মধ্যে পাওয়া যায়, তবে কনড্রিনেও কিছু পরিমাণে পাওয়া যায়। এগুলো জল দ্রাব্য, পেশী গঠন ও শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়ক।
এভাবেই কনড্রিনে বিভিন্ন প্রকার প্রোটিন উপস্থিত থাকে, যা শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে।
Option A Explanation:
  • অ্যাকটিন: এটি একটি প্রোটিন যা সাধারণত পেশী ও কোষের মধ্যে পাওয়া যায়। এটি শরীরের পেশী সংকোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ্যাকটিন মূলত কেবলমাত্র পেশী টিস্যুতে থাকে এবং এটি শরীরের গতিশীলতা ও শক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
  • জিলেটিন: এটি প্রোটিনের একটি প্রকার যা কঙ্কালের অস্থিসংযোগ বা চামড়ার প্রোটিন থেকে প্রস্তুত হয়। জিলেটিন সাধারণত খাবারে ব্যবহার হয়, যেমন জেলি, কুলফি ইত্যাদিতে। এটি হজমে সাহায্য করে এবং উপকারী প্রোটিন হিসেবে বিবেচিত।
Option B Explanation:
  • কোলাজেন: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন যা শরীরের বিভিন্ন টিস্যুতে পাওয়া যায়। এটি মূলত সংযোগকারী টিস্যুর গঠন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। কোলাজেনের উপস্থিতি হাড়, হাড়ের তন্তু, চামড়া, লিগামেন্ট, টেন্ডন এবং রক্তনালীর প্রাচীরের গঠনকে সমর্থন করে।
  • মায়োসিন: এটি এক ধরনের প্রোটিন যা মূলত মাসল টিস্যুতে পাওয়া যায়। এটি মাসল সংকোচনে মূল ভূমিকা পালন করে। মায়োসিন অ্যানিমেলসের মাসল ফাইবারের মধ্যে থাকা প্রোটিন, যা অ্যাকটিনের সাথে মিলিত হয়ে মাসল সংকোচন প্রক্রিয়াকে সম্পন্ন করে।
Option C Explanation:
  • মিউকয়েড: এটি একটি প্রোটিন যা মূলত শারীরিক সিস্টেমে মিউকাস বা শ্লেষ্মা তৈরিতে সহায়তা করে। এটি সাধারণত শ্বাসনালী, পাচনতন্ত্র ও অন্যান্য শ্লেষ্মা উৎপাদনকারী অংশে পাওয়া যায়।
  • অ্যালবুমিনয়েড: এটি এক ধরণের জলীয় দ্রবণীয় প্রোটিন যা শরীরের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের তরলের মধ্যে উপস্???িত থাকে। এটি রক্তের প্লাজমায় অন্যতম প্রধান প্রোটিন, যা জলীয় সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পুষ্টি পরিবহনেও ভূমিকা রাখে।
Option D Explanation:
  • মায়োসিন: এটি একটি শক্তিশালী প্রোটিন যা মূলত চামড়া, হাড়, ও পেশীর মধ্যে পাওয়া যায়। এটি পেশীর সংকোচন ও প্রসারণে ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে পেশীর সংকোচনে গুরুত্বপূর্ণ।
  • ইলাস্টিন: এটি একটি প্রোটিন যা ত্বক, রক্তনালী, লিগামেন্ট, ও টেন্ডন এর মধ্যে পাওয়া যায়। এটি স্থিতিস্থাপকতা ও নমনীয়তা প্রদান করে, ত্বকের কোমলতা বজায় রাখতে সহায়ক।