টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোন মাছটির পটকা রক্তজালিকা সমৃদ্ধ এবং শ্বসন কাজে সাহায্য করে?

A. Channa punctatus
B. Anabas testudineus
C. Latimeria chalumnae
D. Tenualosa ilisha
সঠিক উত্তরঃ C. Latimeria chalumnae
Explanation:

Another Explanation (5):

Latimeria chalumnae মাছের পটকার শ্বসন কার্যে ভূমিকা: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা

ভূমিকা

Latimeria chalumnae, যা সাধারণ ভাবে Coelacanth নামে পরিচিত, একটি বিরল প্রজাতির মাছ। এদের পটকা (swim bladder) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ এটি রক্তজালিকা সমৃদ্ধ এবং শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

পটকার গঠন ও রক্তজালিকা

  • গঠন: Latimeria chalumnae-এর পটকা একটি একক, নল আকৃতির অঙ্গ যা খাদ্যনালীর উপরে অবস্থিত।
  • রক্তজালিকা: পটকার প্রাচীর অসংখ্য রক্তনালী দিয়ে ঘেরা। এই রক্তনালীগুলো পটকার ভেতরের গ্যাসীয় উপাদানগুলোর সাথে গ্যাসীয় আদান প্রদানে সহায়তা করে। 🩸

শ্বসন প্রক্রিয়ায় পটকার ভূমিকা

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
গ্যাসীয় আদান প্রদান পটকার রক্তজালিকা সমৃদ্ধ প্রাচীর অক্সিজেন গ্রহণ এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনে সাহায্য করে। 🌬️
অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র Coelacanth মূলত ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। তবে পটকা অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে যখন মাছটি কম অক্সিজেন যুক্ত পানিতে থাকে। 🌊
ভাসমানতা নিয়ন্ত্রণ যদিও পটকা শ্বসনে সাহায্য করে, এর প্রধান কাজ হল মাছকে পানিতে ভাসতে সাহায্য করা। পটকার মধ্যে গ্যাসের পরিমাণ পরিবর্তন করে মাছ পানির বিভিন্ন স্তরে চলাচল করতে পারে। 🐡

পটকার অভিযোজনিক তাৎপর্য

  1. গভীর সমুদ্রের পরিবেশ: Coelacanth সাধারণত গভীর সমুদ্রের পরিবেশে বাস করে, যেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। পটকার শ্বসন ক্ষমতা এই পরিবেশে টিকে থাকতে সাহায্য করে। 🪸
  2. বিবর্তনীয় গুরুত্ব: Coelacanth একটি জীবন্ত জীবাশ্ম (living fossil) হিসেবে পরিচিত। এর পটকার গঠন এবং শ্বসন প্রক্রিয়া মাছের বিবর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে। 🧬

সীমাবদ্ধতা

যদিও পটকা শ্বসনে সাহায্য করে, এটি ফুলকার মতো প্রধান শ্বাসযন্ত্র নয়। Coelacanth-এর পটকা অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র হিসেবে কাজ করে এবং অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। 🤔

উপসংহার

Latimeria chalumnae-এর পটকা একটি জটিল এবং অভিযোজনিক অঙ্গ। রক্তজালিকা সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে এটি শ্বসন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং গভীর সমুদ্রের পরিবেশে মাছটিকে টিকে থাকতে সাহায্য করে। 👍

আরো জানতে:

Coelacanth - Wikipedia 🚀

ধন্যবাদ! 🙏

Option A Explanation:
  • প্রজাতি: Channa punctatus (চেন্না পাঞ্চাটাস)
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই মাছটির পটকা রক্তজালিকা সমৃদ্ধ, যা শ্বসন প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
  • শ্বসন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা: রক্তজালিকা সমৃদ্ধ পটকা গ্যাস বিনিময় প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে, ফলে মাছটি অক্সিজেন শোষণে সক্ষম হয়।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এই মাছটি পানিতে বিভিন্ন ধরনের জলজ পরিবেশে বসবাস করতে পারে এবং এর শারীরবৃত্তীয় গঠন এই ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
Option B Explanation:
  • অ্যাসোনাবাস টেস্টুডিনিয়াস (Anabas testudineus): এই মাছটি সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটি শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য পটকা (গ্যাগ) ব্যবহার করে।
  • পটকার গ্যাগের রক্তজালিকা সমৃদ্ধ: এর পটকায় রক্তজালিকা বা রক্তনালী খুবই সমৃদ্ধ থাকে, যা শ্বাসনালী হিসেবে কাজ করে।
  • শ্বাসন কাজে সাহায্য: এই বৈশিষ্ট্যটি তাকে পানিতে অক্সিজেনের অভাবে জীবন চালাতে সহায়তা করে এবং শ্বাস নেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এই মাছটি স্বতন্ত্রভাবে পানির মধ্যে অবস্থিত পটকার মাধ্যমে শ্বাস প্রশ্বাস চালাতে পারে, যা অন্য সাধারণ মাছের থেকে আলাদা।
Option C Explanation:
  • নাম: Latimeria chalumnae
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি প্রাচীন মাছ, যা সাধারণত 'ল্যাটিমেরিয়া' নামে পরিচিত, এবং এটি লম্বা, বড় দেহের মাছ।
  • অবস্থান: এই মাছটি মূলত পশ্চিম আফ???রিকার উপকূলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • পটকা ও শ্বসন: ল্যাটিমেরিয়ার পটকা রক্তজালিকা সমৃদ্ধ এবং শ্বসন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এটি বাতাসের মাধ্যমে শ্বাস নিতে সক্ষম।
  • বিশেষত্ব: এটি একটি 'প্রাচীন মাছ', যার দেহে শ্বাসন অঙ্গের বিকাশের জন্য বিশেষ ধরনের গঠন দেখা যায়।
Option D Explanation:
  1. বিশেষ বৈশিষ্ট্য: Tenualosa ilisha সাধারণত ইলিশ নামে পরিচিত একটি মাছ যা দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, ও মিয়ানমার অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য হিসেবে পরিচিত।
  2. শ্বসন ব্যবস্থা: এই মাছের শ্বসন ব্যবস্থা মূলত ফুসফুসের মতো নয়, বরং এর দেহের বিশেষ অংশে থাকা পটকা বা গ্ল্যান্ডস যা রক্তজালিকা সমৃদ্ধ।
  3. পটকার ভূমিকা: পটকা এই মাছের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি রক্তের সরবরাহ বাড়াতে এবং শ্বসন প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। এটি মাছের শ্বসন কাজে সহায়ক হয়ে থাকে।
  4. উপকারিতা: এই বৈশিষ্ট্যটি মাছের জীবনীশক্তি বৃদ্ধি করে ও তার শারীরিক কার্যকলাপের জন্য অপরিহার্য।