টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন হরমোনের প্রভাবে পিত্তরসের সংকোচন ঘটে?

A. কোলেসিস্টোকাইনিন
B. সিক্রেটিন
C. গ্লুকাগন
D. গ্যাস্ট্রিন 
সঠিক উত্তরঃ A. কোলেসিস্টোকাইনিন
Explanation:

কোলেসিস্টোকাইনিন হরমোন এর প্রভাবে পিত্তনালির সংকোচন ঘটে৷ 

Ref-Azmal Sir,Page-133,20 Edition

Another Explanation (5):

কোলেসিস্টোকাইনিন (Cholecystokinin): পিত্তথলির সংকোচন এবং অন্যান্য কার্যাবলী 🧐

কোলেসিস্টোকাইনিন (CCK) একটি পেপটাইড হরমোন যা মূলত ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনাম (Duodenum) এবং জেজুনাম (Jejunum) অংশে অবস্থিত আই-সেল (I-cells) থেকে নিঃসৃত হয়। এটি পিত্তরস নিঃসরণ এবং হজম প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে এর প্রভাব এবং অন্যান্য বিষয় আলোচনা করা হলো:

পিত্তথলির সংকোচন 🧫

  • প্রধান কাজ: CCK-এর প্রধান কাজ হলো পিত্তথলিকে সংকুচিত করা।
  • সংকোচন প্রক্রিয়া: যখন ডিওডেনামে চর্বি বা প্রোটিনযুক্ত খাবার প্রবেশ করে, তখন আই-সেল উদ্দীপিত হয় এবং CCK নিঃসরণ করে। এই হরমোন রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে পিত্তথলিতে পৌঁছায় এবং একে সংকুচিত করার সংকেত দেয়।
  • ফলাফল: পিত্তথলি সংকুচিত হওয়ার ফলে পিত্তরস (Bile) পিত্তনালী দিয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে, যা চর্বি জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।

অন্যান্য কার্যাবলী ⚙️

পিত্তথলির সংকোচন ছাড়াও CCK আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে:

  1. অগ্ন্যাশয়ের এনজাইম নিঃসরণ: CCK অগ্ন্যাশয়কে উদ্দীপিত করে বিভিন্ন হজমকারী এনজাইম (যেমন - অ্যামাইলেজ, লাইপেজ, প্রোটিয়েজ) নিঃসরণে সাহায্য করে।
  2. পাকস্থলীর নিঃসরণ হ্রাস: এটি পাকস্থলী থেকে অ্যাসিড নিঃসরণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়, যা হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
  3. ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ: CCK মস্তিষ্কে সংকেত পাঠিয়ে ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে।
  4. অন্ত্রের চলন বৃদ্ধি: এটি অন্ত্রের পেরিস্টালসিস (Peristalsis) মুভমেন্ট বাড়িয়ে খাদ্যবস্তুকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।

CCK-এর কার্যাবলী একটি টেবিলে 📊

কার্যকারিতা প্রভাব
পিত্তথলির সংকোচন পিত্তরস নিঃসরণ এবং চর্বি হজমে সাহায্য করে।
অগ্ন্যাশয়ের এনজাইম নিঃসরণ খাদ্য হজমে প্রয়োজনীয় এনজাইম সরবরাহ করে।
পাকস্থলীর নিঃসরণ হ্রাস অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণ কমিয়ে দেয়।
ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ খাবার গ্রহণে আগ্রহ কমায়।
অন্ত্রের চলন বৃদ্ধি খাদ্যবস্তুকে পরিপাকনালীর মাধ্যমে দ্রুত সরিয়ে নেয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 💡

  • CCK একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা হজম প্রক্রিয়ায় সরাসরি জড়িত।
  • পিত্তথলির রোগ এবং হজম সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে CCK-এর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
  • CCK রিসেপ্টরকে লক্ষ্য করে ওষুধ তৈরি করা হচ্ছে, যা বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে সাহায্য করতে পারে। 💊

আশা করি, কোলেসিস্টোকাইনিন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊

Option A Explanation:
  • কোলেসিস্টোকাইনিন: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা প্রধানত ক্ষুধা ও পাচনতন্ত্রের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
  • প্রধানত এর কাজ হল পিত্তথলির সংকোচন ঘটানো, যা পিত্তরসকে ক্ষরণ করে ডাইজেস্টিভ সেক্রেশনকে সহায়তা করে।
  • এছাড়াও, কোলেসিস্টোকাইনিন লিভার থেকে পিত্তরসের নিঃসরণ বাড়ায় এবং খাবারের চর্বির হজমে সহায়ক হয়।
  • মূলত, খাবার মুখে পৌঁছানোর পরে কোলেসিস্টোকাইনিন নিঃসৃত হয় এবং এটি পিত্তরসের মুক্তির জন্য দায়ী।
Option B Explanation:
  • সিক্রেটিন: এটি একটি হরমোন যা প্রধানত পাকস্থলী থেকে নিঃসৃত হয়।
  • এটি খাদ্য পরিপাকের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিশেষ করে পাকস্থলী থেকে অম্ল নিঃসরণে সহায়তা করে।
  • সিক্রেটিন পাকস্থলীকে খাদ্য হজমের জন্য প্রস্তুত করে এবং অন্যান্য পরিপাকীয় অঙ্গগুলির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
  • এটি খাদ্য পরিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাসিড নিঃসরণে গুরুত্বপূর্ণ হরমোন।
Option C Explanation:
  • নাম: গ্লুকাগন
  • প্রকার: হরমোন
  • উৎপত্তি স্থান: অগ্ন্যাশয়ের α-কোষ থেকে নিঃসৃত
  • মূল কাজ: রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করা, গ্লুকোজের সংরক্ষণ এবং মুক্তি নিয়ন্ত্রণ করে
  • পরিপাক ব্যবস্থায় ভূমিকা: খাদ্য পরিপাকের সময় রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে গেলে গ্লুকাগন নিঃসরণ হয় যাতে গ্লুকোজের পরিমাণ পুনরুদ্ধার করা যায়
Option D Explanation:
  • গ্যাস্ট্রিন: এটি একটি হরমোন যা প্রধানত পাকস্থলীতে উৎপন্ন হয়।
  • এর মূল কাজ হলো পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণ বাড়ানো, যা খাবার হজমে সহায়ক।
  • এটি পাচনতন্ত্রে খাদ্য গঠনে সহায়তা করে এবং পেটের উপকারে আসে।
  • গ্যাস্ট্রিনের সঠিক মাত্রা বজায় থাকলে হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চলে এবং অঙ্গপ্রতঙ্গের কার্যক্রম সুনিয়ন্ত্রিত হয়।