টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বােস্তামি কাছিমের বৈজ্ঞানিক নাম

A. Aspideretes hurum
B. Aspideretes nigricans
C. Chelonia mydas
D. Pangshura tecta
সঠিক উত্তরঃ B. Aspideretes nigricans
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: বোস্তামি কাছিমের বৈজ্ঞানিক নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। বোস্তামি কাছিম বাংলাদেশের একটি বিরল প্রজাতির কাছিম। অপশন বিশ্লেষণ: A. Aspideretes hurum: ভুল, এটি ভারতীয় কাছিমের বৈজ্ঞানিক নাম। B. Aspideretes nigricans: সঠিক, এটি বোস্তামি কাছিমের বৈজ্ঞানিক নাম। C. Chelonia mydas: ভুল, এটি সবুজ কাছিমের বৈজ্ঞানিক নাম। D. Pangshura tecta: ভুল, এটি পাংশুরা কাছিমের বৈজ্ঞানিক নাম। নোট: Aspideretes nigricans হলো বোস্তামি কাছিমের বৈজ্ঞানিক নাম, যা বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বোস্তামি মাজার এলাকায় পাওয়া যায়। এটি একটি সংকটাপন্ন প্রজাতি।
Another Explanation (5):

বোস্তামি কাছিম: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 🐢

বোস্তামি কাছিম (Aspideretes nigricans) একটি বিপন্নপ্রায় মিঠাপানির কচ্ছপ প্রজাতি। এটি মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের বায়েজিদ বোস্তামির মাজারের পুকুরে দেখা যায়।

বৈশিষ্ট্যসূচক দিক 🔍

  • বৈজ্ঞানিক নাম: Aspideretes nigricans
  • সাধারণ নাম: বোস্তামি কাছিম, Black Softshell Turtle 🖤
  • আকার: মাঝারি থেকে বড় (প্রায় ৬০-৭০ সেমি পর্যন্ত হতে পারে)
  • খোলসের রঙ: কালচে বা গাঢ় বাদামী 🤎
  • ত্বকের রঙ: ধূসর বা ফ্যাকাশে 🩶
  • অন্যান্য বৈশিষ্ট্য: নরম খোলসযুক্ত এবং এদের নাকের ছিদ্র突出িত নয়।

শ্রেণীবিভাগ 🧬

স্তর শ্রেণী
জগৎ অ্যানিমেলিয়া (Animalia) 🐾
পর্ব কর্ডাটা (Chordata) 🦴
শ্রেণী রেপটিলিয়া (Reptilia) 🦎
বর্গ টেস্টুডিনেস (Testudines) 🐢
উপবর্গ Cryptodira
পরিবার ট্রিওনিচিডি (Trionychidae)
গণ অ্যাস্পিডেরেটস (Aspideretes)
প্রজাতি অ্যাস্পিডেরেটস নিগ্রিকানস (Aspideretes nigricans)

আবাসস্থল ও খাদ্যাভ্যাস 🏞️

  • আবাসস্থল: পুকুর, হ্রদ, নদ-নদী 💧
  • খাদ্যাভ্যাস: সর্বভুক। এরা জলজ উদ্ভিদ 🌱, ছোট মাছ 🐟, পোকামাকড় 🐛 এবং অন্যান্য ছোট প্রাণী খায়।

সংরক্ষণ অবস্থা 🚨

আইইউসিএন (IUCN) এর লাল তালিকা অনুযায়ী বোস্তামি কাছিম একটি বিপন্ন প্রজাতি। এদের সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  1. আবাসস্থল ধ্বংস 🚧
  2. অবৈধ শিকার شکار
  3. দূষণ ☣️

এদের সংরক্ষণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। 🙏

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

  • বোস্তামি কাছিম বাংলাদেশের একটি স্থানীয় প্রজাতি। 🇧🇩
  • এরা দীর্ঘজীবী হতে পারে (প্রায় ১০০ বছর বা তারও বেশি)। 💯
  • স্থানীয় সংস্কৃতিতে এদের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। 🕉️

আশা করি, এই তথ্যগুলো বোস্তামি কাছিম সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে। 😊 আরও জানতে চান? 🤔

Option A Explanation:
  • নাম: Aspideretes hurum
  • প্রজাতি: কাছিম
  • পারিপার্শ্বিক বিবরণ: এটি একটি জলজ প্রজাতির কাছিম, সাধারণত নদী ও জলাশয়ে দেখা যায়।
  • অবস্থান: ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এর খোসা সাধারণত গাঢ় বাদামী বা কালো রঙের হয়ে থাকে, এবং এর গায়ে বিভিন্ন ধরণের দাগ থাকতে পারে।
Option B Explanation:
  • নাম: Aspideretes nigricans
  • প্রজাতি: কাছিম
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি প্রাচীন জলজ প্রাণী, সাধারণত ভারতের বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ে দেখা যায়।
  • অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের মধ্যে পোষ্য প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
  • বিশেষত্ব: এর দেহের রঙ সাধারণত গাঢ় বাদামী বা কালো হয়, যা চারপাশের পরিবেশের সাথে মিলে যায়।
Option C Explanation:
  • নাম: Chelonia mydas
  • প্রজাতি: সবুজ কাছিম (Green sea turtle)
  • পরিবার: Dermochelyidae বা Cheloniidae (সাধারণত এটি Cheloniidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত)
  • অবস্থান: বিশ্বব্যাপী উষ্ণ ও অর্ধউষ্ণ সামুদ্রিক অঞ্চলে পাওয়া যায়
  • অরণ্য: মূলত সামুদ্রিক, তবে প্রজননের জন্য উপকূলে আসে
  • আকার: সাধারণত ১.2 থেকে ১.5 মিটার লম্বা এবং ওজন ৭০ থেকে ১৬০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে
  • খাদ্যাভ্যাস: মূলত জলজ উদ্ভিদ, যেমন সামুদ্রিক ঘাস ও জলজ শাকসবজি খায়
  • অভিবাসন: প্রজননের জন্য শত শত কিলোমিটার দূরত্বে উপকূলে আসা-যাওয়া করে
  • সংরক্ষণ: আন্তর্জাতিকভাবে বিপন্ন বা সংরক্ষিত প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত, বিভিন্ন সংগঠন এর জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করছে
Option D Explanation:
  • নাম: Pangshura tecta
  • প্রজাতি: কাছিমের একটি প্রজাতি
  • পরিবার: ট্রিয়ানিডি (Trionychidae) পরিবারের অন্তর্গত
  • অবস্থান: সাধারণত ভারতীয় উপমহাদেশে পাওয়া যায়
  • বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত জলাশয়ে বাস করে এবং এর শারীরিক গঠন অন্যান্য কাছিমের থেকে আলাদা