টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বাঘের বৈজ্ঞানিক নাম কি?

A. panthera pardus
B. panthera leo
C.  panthera tigris
D.  neofelis nebulosa
সঠিক উত্তরঃ C.  panthera tigris
Explanation:

Another Explanation (5):

বাঘ: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 🐅

বৈজ্ঞানিক নাম:

বাঘের বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris। এটি ফেলিডি (Felidae) গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এই নামটি প্রাণীজগতের নামকরণের আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে।

শ্রেণীবিভাগ 🧬:

  • জগৎ (Kingdom): Animalia
  • পর্ব (Phylum): Chordata
  • শ্রেণী (Class): Mammalia
  • বর্গ (Order): Carnivora
  • উপবর্গ (Suborder): Feliformia
  • গোত্র (Family): Felidae
  • উপগোত্র (Subfamily): Pantherinae
  • গণ (Genus): Panthera
  • প্রজাতি (Species): Panthera tigris

উপপ্রজাতি (Subspecies) 🐾:

বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলের উপর ভিত্তি করে বাঘের কয়েকটি উপপ্রজাতি দেখা যায়। এদের মধ্যে কয়েকটি হলো:

  1. Bengal Tiger (Panthera tigris tigris): ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানে এদের বাস।
  2. Siberian Tiger (Panthera tigris altaica): পূর্ব রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে এদের পাওয়া যায়।
  3. Sumatran Tiger (Panthera tigris sumatrae): শুধুমাত্র ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে এদের দেখা মেলে।
  4. Indochinese Tiger (Panthera tigris corbetti): মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া এবং মায়ানমারে এদের বিচরণ।
  5. Malayan Tiger(Panthera tigris jacksoni): এদের প্রধান আবাসস্থল মালয় উপদ্বীপের মালয়েশিয়া অঞ্চলে।

শারীরিক বৈশিষ্ট্য 📏:

বৈশিষ্ট্য বিবরণ
আকার উপপ্রজাতি ভেদে ২৫০-৩৯০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।
ওজন উপপ্রজাতি ভেদে ১৮০-২৫০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
গায়ের রঙ হলুদ বা কমলা রঙের উপর কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে। ডোরাকাটা দাগগুলি প্রত্যেকটি বাঘের ???ন্য আলাদা হয়, যা দিয়ে তাদের শনাক্ত করা যায়।
দন্ত শক্তিশালী দাঁত ও চোয়াল এদের শিকার ধরতে সাহায্য করে।

আচরণ ও খাদ্য 🥩:

  • বাঘ সাধারণত একা শিকার করে।
  • এরা নিশাচর প্রাণী, তাই রাতে এদের শিকার করার প্রবণতা বেশি। 🌃
  • বাঘ মাংসাশী। হরিণ, বুনো শুয়োর এদের প্রধান খাদ্য। 🦌🐗

সংরক্ষণ Status 🌍:

IUCN (International Union for Conservation of Nature) এর রেড লিস্ট অনুযায়ী বাঘ বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত। এদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। ⚠️ বনভূমি ধ্বংস, শিকার এবং মানববসতির বিস্তার এর প্রধান কারণ। বাঘ সংরক্ষণে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সরকার কাজ করছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️:

  • বাঘ বাংলাদেশের জাতীয় পশু। 🇧🇩
  • বিশ্ব বাঘ দিবস ২৯ জুলাই।
  • বৈশ্বিকভাবে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

আশা করি এই একাডেমিক ব্যাখ্যাটি বাঘ সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। 🙏

Option A Explanation:
  • বিবরণ: Panthera pardus হলো আফ্রিকা এবং এশিয়ার কিছু অংশে দেখা যায় এমন একটি বড় শিয়ালসদৃশ প্রাণী, যা সাধারণত চিতা নামে পরিচিত।
  • অন্তর্গত বৈশিষ্ট্য: এই প্রজাতির প্রাণীর দেহে সুন্দর ও সূক্ষ্ম দাগের উপরে দাগের সৃষ্টি হয়, যা তাদের কেবলই আলাদা করে তোলে।
  • অভ্যসারণ: Panthera pardus প্রজাতিটি বিখ্যাত তার দ্রুত গতি, শক্তিশালী শরীর এবং দক্ষ শিকারির জন্য।
  • বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিভাগ: এটি মূলত প্রজাতির অধীনস্থ এবং Panthera গণের অন্তর্গত।
Option B Explanation:
  • অর্থ: "panthera leo" হলো ল্যটিন ভাষায় একটি নাম, যা সিংহের বৈজ্ঞানিক নাম।
  • প্রাণী: এটি একটি বৃহৎ স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা সাধারণত সাহারায় এবং অন্যান্য উষ্ণ অঞ্চলের বনাঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • পারিবারিক সদস্য: এই নামটি "ফেলিডি" পরিবারের অন্তর্গত, যার মধ্যে বড় বড় ক্যাটরা অন্তর্ভুক্ত।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: সিংহের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে তার শক্তিশালী দেহ, গর্জন এবং সামাজিক গোষ্ঠী (প্রাইড) গঠন।
Option C Explanation:
  • শ্রেণী: স্তন্যপায়ী প্রাণী
  • পারিবার: বিড়াল পরিবারের (Felidae)
  • প্রজাতি: টাইগার (Tiger)
  • বৈশিষ্ট্য: বৃহৎ আকারের, দাগযুক্ত ত্বকবিশিষ্ট, শক্তিশালী শিকারী
  • বিশেষত্ব: বিশ্বের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন প্রজাতির টাইগার দেখা যায়, যেমন সাইবেরিয়ান টাইগার, বেঙ্গল টাইগার ইত্যাদি
Option D Explanation:
  • নেম: নেফিওলিস নেবুলোসা (Neofelis nebulosa)
  • অর্থ: এই নামটি মূলত একটি প্রজাতির জন্য ব??যবহৃত হয় যা সাধারণত "বেড়াল" বা "নেবুলা বেড়াল" নামে পরিচিত।
  • পরিচিতি: এটি একটি মাঝারি আকারের প্রজাতি, যা মূলত দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জঙ্গলে পাওয়া যায়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই প্রাণীটির দেহ লম্বা, লেজ দীর্ঘ ও ঝকঝকে, এবং এর দেহের রঙ সাধারণত ধূসর বা বাদামী রঙের।
  • প্রজাতির শ্রেণীবিভাগ: এটি একটি প্রজাতি যার বৈজ্ঞানিক নাম "Neofelis nebulosa"। এটি একটি আলাদা গণের অন্তর্ভুক্ত, যা সাধারণ বেড়াল পরিবারের অংশ।