টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

দ্বিপদ নামকরণের জনক কে?

A. ক্যারোলাস লিনিয়াস
B. বেন্থাম হুকার
C. থিওফ্রাস্টাস
D. মেন্ডেল
সঠিক উত্তরঃ A. ক্যারোলাস লিনিয়াস
Explanation: দ্বিপদ নামকরণের জনক ক্যারোলাস লিনিয়াস। অপশন বিশ্লেষণ: A. সঠিক, কারণ ক্যারোলাস লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির উদ্ভাবক; B. ভুল, বেন্থাম হুকার উদ্ভিদ শ্রেণিবিন্যাসে কাজ করেছেন; C. ভুল, থিওফ্রাস্টাস উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ছিলেন; D. ভুল, মেন্ডেল জেনেটিকসের জনক। নোট: ক্যারোলাস লিনিয়াসের দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি জীববিজ্ঞানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Another Explanation (5): দ্বিপদ নামকরণের জনক কে?

দ্বিপদ নামকরণের জনক কে?

দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি বা বাইনেররাম নেমক্লেটচার (Binomial Nomenclature) হলো জীবজগতের বিভিন্ন প্রজাতির নামকরণের একটি আধুনিক পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি জীবের নাম দুটি অংশে বিভক্ত হয়: genus (জেনাস) এবং species (স্পেসিস)।

প্রশ্নের উত্তর: ক্যারোলাস লিনিয়াস 🧬

এই পদ্ধতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি পান ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus), যিনি ১৭৫৩ সালে এই পদ্ধতি প্রথম চালু করেছিলেন। তিনি তার বই Systema Naturae এ এই নামকরণ পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন।

বিবরণ: কার্ল লিনিয়াসের অবদান 🌱

  • প্রতিটি জীবের জন্য দুটি নাম নির্ধারণের নিয়ম প্রতিষ্ঠা করেন।
  • প্রথম অংশ: জেনাস (Genus) - বৃহৎ গ্রুপ বা পরিবারের নাম, যা বড় অক্ষরে লেখা হয়।
  • দ্বিতীয় অংশ: স্পেসিস (Species) - নির্দিষ্ট প্রজাতির নাম, ছোট অক্ষরে লেখা হয়।
  • নামকরণের এই পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী জীববিজ্ঞানীদের মধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছে।

টেবিল: কার্ল লিনিয়াসের নামকরণ পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্য

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
প্রথম অংশ জেনাস (Genus) - বৃহৎ গ্রুপের নাম, বড় অক্ষরে লেখা
দ্বিতীয় অংশ স্পেসিস (Species) - নির্দিষ্ট প্রজাতির নাম, ছোট অক্ষরে লেখা
নামকরণের পদ্ধতি দুটি অংশের সমন্বয়ে জীবের বৈজ্ঞানিক নাম নির্ধারণ
উদাহরণ Homo sapiens (মানব) 🧑‍🤝‍🧑

সারসংক্ষেপ 📝

কার্ল লিনিয়াস ১৭৫৩ সালে বাইনেররাম নেমক্লেটচার পদ্ধতি প্রবর্তন করেন। এই পদ্ধতি জীববিজ্ঞানে একে অপরের থেকে আলাদা জীবের সঠিক নাম নির্ধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি আধুনিক জীববিজ্ঞান ও উদ্ভিদবিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়। 🌍

Option A Explanation:
  • নাম: ক্যারোলাস লিনিয়াস
  • জন্ম: 1707 সালে ডেনমার্কে
  • প্রয়াণ: 1778 সালে
  • অভিযান: তিনি একজন প্রখ্যাত জীববিজ্ঞানী ও উদ্ভিদবিজ্ঞানী ছিলেন।
  • সাধারণত পরিচিত: তিনি লিনিয়াস নামে পরিচিত, যার মাধ্যমে তিনি জীববিজ্ঞান ও উদ্ভিদবিজ্ঞানকে নতুন দিক দিয়েছেন।
  • অবদান: তিনি জীববৈচিত্র্যের শ্রেণীবিন্যাস ও নামকরণ পদ্ধতি উন্নত করেন, যা আজও ব্যবহৃত হয়।
  • প্রভাব: তার কাজ জীববিজ্ঞান ও জেনেটিক্সের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
Option B Explanation:
  • বেন্থাম হুকার (Benjamín Hucker):
  • তিনি একজন আধুনিক উদ্ভিদবিজ্ঞানী, যিনি দ্বিপদ নামকরণের পদ্ধতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
  • তিনি উদ্ভিদবৈজ্ঞানিক নামকরণের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করেন, যা বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়েছে।
  • তার এই প্রচেষ্টার ফলে, উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নামকরণ আরও সুনির্দিষ্ট ও বৈজ্ঞানিক হয়েছে।
  • অতএব, তিনি উদ্ভিদবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানে দ্বিপদ নামকরণের জনক হিসেবে বিবেচিত হন।
Option C Explanation:
  • থিওফ্রাস্টাস (Theophrastus):
  • প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও উদ্ভিদবিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত।
  • তিনি প্রায় 370-287 খ্রিস্টাব্দে জীবনযাপন করেন।
  • উদ্ভিদবিজ্ঞানকে একটি স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
  • তাঁর মূল কাজ হলো উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ, গঠন, বৃদ্ধি ও প্রজনন সম্পর্কিত গবেষণা।
  • “বৃক্ষবিদ্যা” (De Historia Plantarum) তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
  • এটি উদ্ভিদ সম্পর্কিত প্রথম ব্যাপক গবেষণাপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।
Option D Explanation:
  • জনক: গ্রেগরী মেন্ডেল (Gregor Mendel)
  • অধ্যয়ন ক্ষেত্র: জেনেটিক্স ও বংশবৃদ্ধি
  • অবদান: প্রাথমিকভাবে জেনেটিক ট্রান্সমিশনের নিয়ম আবিষ্কার করেন
  • প্রসিদ্ধ কাজ: দয়া করে গণিতের ভিত্তিতে উদ্ভিদে ট্রেইটের ক্রসিং করে পজিটিভ ও নেগেটিভ ট্রেইটের নিয়ম নির্ণয় করেন
  • প্রভাব: দ্বিপদ নামকরণ বা বংশবৃদ্ধির বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন