টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

শরীরে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে তাকে কি বলা হয়?

A. অ্যামিনিয়া
B. জন্ডিস
C. রিকেটস
D. ডায়াবেটিস
সঠিক উত্তরঃ B. জন্ডিস
Explanation:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"শরীরে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে তাকে কি বলা হয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি এবং এর ফলস্বরূপ যে রোগ সৃষ্টি হয়, তা বুঝার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিলিরুবিন এক ধরনের রঙিন উপাদান, যা রক্তে লোহিত রক্তকণিকার বিভাজন দ্বারা তৈরি হয় এবং এর মাত্রা বৃদ্ধি হলে তা বিশেষ লক্ষণ সৃষ্টি করে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. অ্যামিনিয়া:
    • ভুল অপশন: অ্যামিনিয়া একটি রোগ নয়, এটি অ্যামোনিয়া নামে পরিচি?? একটি যৌগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, তবে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি হলে এই নাম ব্যবহৃত হয় না। সুতরাং এটি ভুল উত্তর।
  2. জন্ডিস:
    • সঠিক উত্তর: জন্ডিস হলো সেই অবস্থা, যখন শরীরে বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়। এই রোগটি লিভারের কার্যক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি বিলিরুবিন বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল।
  3. রিকেটস:
    • ভুল অপশন: রিকেটস হলো একটি হাড়ের রোগ, যা ভিটামিন ডি-এর অভাবে হয়। এটি বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
  4. ডায়াবেটিস:
    • ভুল অপশন: ডায়াবেটিস হলো রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির রোগ। এটি বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি সংক্রান্ত নয়।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি এবং এর কারণে সৃষ্ট রোগ সম্পর্কে ধারণা পাবে। সঠিক উত্তর হলো জন্ডিস, যা বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ত্বক ও চোখের হলুদ হওয়া দ্বারা চিহ্নিত হয়।
Option A Explanation:
  1. অ্যামিনিয়া: অ্যামিনিয়া হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরে অ্যামিনো অ্যাসিড বা অ্যামিনো গ্রুপের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়।
  2. এটি সাধারণত লিভার বা কিডনি সমস্যা, বা জৈবিক প্রক্রিয়ার ব্যর্থতার ফলস্বরূপ হয়ে থাকে।
  3. অ্যামিনিয়া সনাক্ত হলে সাধারণত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এর মাত্রা নির্ণয় করা হয়।
  4. উপসর্গগুলির মধ্যে মাথাব্যথা, দুর্বলতা, মনোযোগের অভাব, বা জ্ঞান ক্ষয় হতে পারে।
  5. চিকিৎসায় মূলত কারণ নির্ণয় ও তার উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
Option B Explanation:

জন্ডিসের কারণসমূহ

  • হেপাটাইটিস: লিভার ইনফেকশন যা লিভার আক্রান্ত করে, ফলে বিলির রঙ পরিবর্তিত হয়।
  • লিভার সিরোসিস: লিভার টিস্যুর ক্ষতি ও বিকৃতি, যা বিলির প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।
  • অবকাঠামোগত সমস্যা: লিভার বা পিত্তনালীতে অস্থায়ী বা স্থায়ী বাধা যেমন পাথর বা টিউমার।
  • অ্যানেমিয়া বা রক্তক্ষরণ: রক্তের দ্রুত ক্ষতি বা অপ্রতুলতা, যা জন্ডিসের কারণে হতে পারে।
  • অন্য কিছু রোগ: যেমন থ্যালাসেমিয়া বা সিস্টিক ফাইব্রোসিস, যা লিভার বা পিত্তনালীর কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।
Option C Explanation:
  • রিকেটস: রিকেটস হলো একটি পুষ্টিগত অবস্থা যেখানে শরীরের হাড় দুর্বল হয়ে যায়। এই রোগের মূল কারণ হলো ভিটামিন D এর অভাব, যা ক্যালসিয়াম এবং ফসফেটের শোষণে সাহায্য করে।
  • প্রভাব: শিশুরা সাধারণত এই রোগে আক্রান্ত হয়, ফলে তাদের হাড় মোটা ও নরম হয়ে যায়। এটি বিকাশের সময় হাড়ের গঠন ও শক্তি কমে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
  • লক্ষণ: হাড়ের দুর্বলতা, বিকৃতি, হাড়ে ব্যথা, দাঁতের ক্ষতি, এবং শরীরের বৃদ্ধিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • প্রতিরোধ: পর্যাপ্ত ভিটামিন D, ক্যালসিয়াম, এবং ফসফেট সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ ও সূর্যের আলো প্রয়োগের মাধ্যমে এই রোগের ঝুঁকি কমানো যায়।
Option D Explanation:
  • ডায়াবেটিস হলো একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ যেখানে শরীরের রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) পরিমাণ সাধারণের থেকে বেশি হয়ে যায়।
  • এটি সাধারণত ইন্সুলিন নামক হরমোনের অভাব বা এর কার্যকারিতার সমস্যার কারণে ঘটে।
  • ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে বেশি পিপাসা, বারবার প্রস্রাব হওয়া, ক্লান্তি, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, এবং ক্ষত দ্রুত শুকানো বা আরোগ্য না হওয়া।
  • প্??কারভেদ:
    • টাইপ 1 ডায়াবেটিস: যেখানে শরীর ইন্সুলিন উৎপাদন কম করে বা বন্ধ করে দেয়।
    • টাইপ 2 ডায়াবেটিস: যেখানে শরীরের শরীরের কোষ ইন্সুলিনের প্রতি সংবেদনশীলতা হারায় বা ইন্সুলিনের উৎপাদন কমে যায়।
  • উপচার ও নিয়ন্ত্রণ:
    • নিয়মিত ডায়েট ও ব্যায়াম
    • ঔষধ ও ইনসুলিন থেরাপি
    • রক্তের গ্লুকোজ পর্যবেক্ষণ