টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ হল?

A. এইডস
B. হেপাটাইটিস
C. পোলিও
D. ইনফ্লয়েঞ্জা
E. ধনুষ্টংকর
সঠিক উত্তরঃ E. ধনুষ্টংকর
Explanation:

Another Explanation (5):

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ: ধনুষ্টংকার (Tetanus)

ধনুষ্টংকার একটি মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ। এটি ক্লস্ট্রিডিয়াম টেটানি (Clostridium tetani) নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হয়। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত মাটি, ধুলো এবং পশুর মলমূত্রে পাওয়া যায়।

সংক্রমণের কারণ 🦠

  • কাটা বা আঘাতের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে।
  • জং ধরা ধাতব বস্তু (যেমন - পেরেক, ছুরি) থেকে আঘাত পেলে।
  • পোড়া বা Tissue Destroy হলে।
  • নোংরা সিরিঞ্জ ব্যবহারের মাধ্যমে।
  • পশুর কামড় অথবা আঁচড় থেকে।
  • অস্ত্রোপচারের পর সঠিকভাবে জীবাণুমুক্ত না করলে।

লক্ষণসমূহ ⚠️

  1. জ্বর 🤒: হালকা থেকে মাঝারি জ্বর হতে পারে।
  2. ঘাম 😓: অতিরিক্ত ঘাম হতে দেখা যায়।
  3. মাথাব্যথা 🤕: তীব্র মাথাব্যথা অনুভব করা।
  4. পেশী সংকোচন 💪: শরীরের পেশীগুলো শক্ত হয়ে যায় এবং খিঁচুনি শুরু হয়। বিশেষ করে চোয়ালের পেশী শক্ত হয়ে মুখ খুলতে অসুবিধা হয়।
  5. শ্বাসকষ্ট 😮‍💨: শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
  6. হাড় ভাঙা 🦴: মারাত্মক ক্ষেত্রে পেশী সংকোচনের ফলে হাড় ভেঙে যেতে পারে।
  7. উচ্চ রক্তচাপ 🩸: রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।
  8. দ্রুত হৃদস্পন্দন ❤️‍🔥: হৃদস্পন্দন দ্রুত হওয়া।

ঝুঁকির কারণসমূহ ⚠️

  • যাদের পূর্বে টিটেনাস টিকা (Tetanus vaccine) নেওয়া নেই।
  • যাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল।
  • যারা নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করে।

রোগ নির্ণয় 🤔

শারীরিক পরীক্ষা এবং উপসর্গের ওপর ভিত্তি করে সাধারণত ধনুষ্টংকার নির্ণয় করা হয়। এছাড়াও কিছু ল্যাব টেস্টের প্রয়োজন হতে পারে।

চিকিৎসা 🏥

ধনুষ্টংকারের চিকিৎসায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত:

  • ইমিউনোগ্লোবিন (Immunoglobulin)💉: টিটেনাস ইমিউনোগ্লোবিন শরীরে প্রবেশ করানো হয়, যা ব্যাকটেরিয়ার বিষ neutral করে।
  • পেশী শিথিলকারী ঔষধ 💊: পেশী সংকোচন কমানোর জন্য এই ঔষধ ব্যবহার করা হয়।
  • অ্যান্টিবায়োটিক 🧪: ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়।
  • ভেন্টিলেটর 🫁: শ্বাসকষ্ট হলে ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন হতে পারে।
  • ক্ষত পরিষ্কার 🧼: ক্ষত স্থান ভালোভাবে পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করা হয়।

প্রতিরোধ 🛡️

ধনুষ্টংকার প্রতিরোধের প্রধান উপায় হল টিকা গ্রহণ করা।

  • টিকা 💉: শিশুদের জন্য ডিপিটি (DPT) এবং বড়দের জন্য টিটি (TT) টিকা নেওয়া আবশ্যক।
  • বুস্টার ডোজ 💉: প্রতি ১০ বছর পর টিটেনাস টিকার বুস্টার ডোজ নেওয়া উচিত।
  • সঠিক ক্ষত পরিচর্যা 🩹: আঘাত পেলে দ্রুত ক্ষত স্থান পরিষ্কার করে জীবাণুনাশক দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

ধনুষ্টংকার এবং অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগের মধ্যে পার্থক্য

রোগের নাম ব্যাকটেরিয়ার নাম প্রধান লক্ষণ প্রতিরোধ
ধনুষ্টংকার Clostridium tetani পেশী সংকোচন, খিঁচুনি, চোয়াল শক্ত হয়ে যাওয়া। টিকা (DPT, TT)
যক্ষ্মা (Tuberculosis) Mycobacterium tuberculosis কাশি, জ্বর, ওজন হ্রাস, রাতে ঘাম। বিসিজি টিকা (BCG vaccine)
টাইফয়েড (Typhoid) Salmonella typhi জ্বর, পেটে ব্যথা, দুর্বলতা, কোষ্ঠকাঠিন্য। টাইফয়েড টিকা
ডিপথেরিয়া (Diphtheria) Corynebacterium diphtheriae গলা ব্যথা, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, গলায় সাদা পর্দা। ডিপিটি টিকা (DPT vaccine)

সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন! 😊🙏

Option A Explanation:

এইডস (AIDS) এর ব্যাখ্যা

  • সম্প্রতি: এইডস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (HIV) দ্বারা সৃষ্টি হয়।
  • প্রভাব: এটি মানুষের শরীরের প্রতিরক্ষামূলক সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়, ফলে সাধারণ সংক্রমণ ও অসুস্থতা সহজে আঘাত করে।
  • সংক্রমণের পথ: এইডস সাধারণত রক্ত, সঙ্গমের মাধ্যমে বা মা থেকে সন্তানকে ট্রান্সমিট হয়।
  • অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিসের সাথে সম্পর্ক: এইডসের কারণে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ায়, সংক্রমণ ও ক্যান্সার উন্নয়নের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে, সরাসরি অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিসের কারণে এইডস হয় না, বরং এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
Option B Explanation:

হেপাটাইটিস

  • একটি লিভার সংক্রমণ রোগ, যা হেপাটাইটিস ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে।
  • প্রধানত তিনটি ধরনের হেপাটাইটিস ভাইরাস পাওয়া যায়: হেপাটাইটিস A, B, ও C।
  • এর লক্ষণসমূহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত: ক্লান্তি, বমি, বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, অরঞ্জিত চোখ ও ত্বক, এবং গা darkening।
  • প্রতিরোধের জন্য টিকাদান ও সংক্রমণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এড়ানো জরুরি।
  • চিকিৎসার মাধ্যমে রোগের প্রতিকার সম্ভব, বিশেষ করে ভাইরাসের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত ওষুধ ও যত্ন নেওয়া।
Option C Explanation:
  • পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
  • এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
  • বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
  • প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
  • সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।
Option D Explanation:
  • ইনফ্লয়েঞ্জা: এটি একটি ভাইরাল সংক্রমণ যা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয়।
  • মূল লক্ষণসমূহ: উচ্চ তাপমাত্রা, কাশি, গলা ব্যথা, মাথা ব্যাথা, শরীর ব্যথা এবং ক্লান্তি।
  • প্রতিরোধ: টিকা গ্রহণ, ব্যক্তিগত হাইজিন বজায় রাখা এবং সংক্রামিত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ এড়ানো।
  • চিকিৎসা: সাধারণত বিশ্রাম, তরল গ্রহণ এবং প্রয়োজন হলে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
Option E Explanation:
  • ধনুষ্টংকর (Diphtheria) হল এক ধরণের সংক্রামক রোগ যা Corynebacterium diphtheriae নামক ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্টি হয়।
  • এটি সাধারণত মুখ, গলা, এবং শ্বাসনালীতে আঘাত করে, ফলে গনগন কাশি, গলা ব্যথা, এবং শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে।
  • রোগের লক্ষণগুলির মধ্যে ধূসর পুরুত্ব বা ধনোস্তংকর সৃষ্ট স্তর গলা বা নাকের ভিতরে দেখা যায়।
  • প্রতিরোধের জন্য টিকাদান প্রোগ্রাম চালু রয়েছে এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
  • অন্তর্ভুক্ত ব্যাকটেরিয়ার বিষক্রিয়ার কারণে শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গেও ক্ষতি হতে পারে, যা ঝুঁকিপূর্ণ।