টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন কুন্ডলীর পাকে আবিষ্ট তড়িৎচালক বলের মান এর মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারের সমানুপাতিক- এটি কার সূত্র?

A. লেনজের
B. নিউম্যানের
C. ফ্যারাডের
D. নিউম্যান ও ফ্যারাডের
সঠিক উত্তরঃ C. ফ্যারাডের
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে কুন্ডলীর পাকে আবিষ্ট তড়িৎচালক বলের মান সমানুপাতিক পরিবর্তনের ফ্লাক্সের সাথে সম্পর্কিত। এটি ফ্যারাডের সূত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়। ফ্যারাডের আইন বলছে যে, একটি কুন্ডলীর মধ্যে আবিষ্ট তড়িৎচালক বলের মান পরিবর্তনের হারের সাথে ফ্লাক্সের সম??পর্ক রয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. লেনজের: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. নিউম্যানের: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. ফ্যারাডের: সঠিক, এটি ফ্যারাডের সূত্র অনুসারে সঠিক। D. নিউম্যান ও ফ্যারাডের: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: ফ্যারাডের সূত্রে পরিবর্তনশীল ফ্লাক্স এবং তড়িৎচালক বলের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যা এখানে সঠিক।
Another Explanation (5): ```html

ফ্যারাডের তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ সূত্র ⚡

ফ্যারাডের তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ সূত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো কুন্ডলীর পাকে আবিষ্ট তড়িৎচালক বল (Induced EMF) এর মান কুন্ডলীর মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত চৌম্বকীয় ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারের সমানুপাতিক। 😲

সূত্রের মূল বক্তব্য:

  1. চৌম্বকীয় ফ্লাক্স পরিবর্তন: যখন কোনো কুন্ডলীর সাথে জড়িত চৌম্বকীয় ফ্লাক্সের পরিবর্তন ঘটে, তখন ঐ কুন্ডলীতে একটি তড়িৎচালক বল আবিষ্ট হয়।
  2. সমানুপাতিক সম্পর্ক: আবিষ্ট তড়িৎচালক বলের মান ফ্লাক্স পরিবর্তনের হারের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক। অর্থাৎ, ফ্লাক্স পরিবর্তনের হার যত বেশি, আবিষ্ট তড়িৎচালক বলও তত বেশি। 😮
  3. লেনজের সূত্র: আবিষ্ট তড়িৎচালক বলের দিক এমন হয় যে এটি সেই কারণকে বাধা দেয় যা এর সৃষ্টি করেছে। (ঋণাত্মক চিহ্নের তাৎপর্য) ↩️

ফ্যারাডের সূত্রের গাণিতিক প্রকাশ:

আবিষ্ট তড়িৎচালক বল (ε) = - N (dΦ/dt)

  • ε = আবিষ্ট তড়িৎচালক বল (Induced EMF)
  • N = কুন্ডলীর পাক সংখ্যা (Number of turns in the coil)
  • Φ = চৌম্বকীয় ফ্লাক্স (Magnetic flux)
  • dΦ/dt = সময়ের সাথে ফ্লাক্স পরিবর্তনের হার (Rate of change of flux)

ফ্যারাডের সূত্রের প্রয়োগক্ষেত্র:

ক্ষেত্র উদাহরণ
জেনারেটর ⚙️ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জেনারেটরের মাধ্যমে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়।
ট্রান্সফরমার ⎍ ভোল্টেজ পরিবর্তন করার জন্য ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।
ইনডাকশন কুকার 🔥 তড়িৎচুম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে পাত্র গরম করে রান্না করা হয়।
মেটাল ডিটেক্টর 🚧 ধাতু সনাক্তকরণের কাজে এই সূত্র ব্যবহৃত হয়।

ফ্যারাডের সূত্রের গুরুত্ব:

  • তড়িৎ উৎপাদন এবং বিতরণে এই সূত্রের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে। 💯
  • আধুনিক প্রযুক্তির অনেক যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা এই সূত্রের উপর নির্ভরশীল। 💡
  • তড়িৎ এবং চুম্বকত্বের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে বিজ্ঞানকে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। 🚀

আশা করি, ফ্যারাডের তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ সূত্রটি সহজে বুঝতে পেরেছেন। 👍 কোনো প্রশ্ন থাকলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। 🤔

```