টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন ছত্রাকে coenocytic নামক মাইসেলিয়াম থাকে?

A. Aspergillus
B. Mucor
C. Agaricus
D. Penicillium
সঠিক উত্তরঃ D. Penicillium
Explanation:

Ans: D

Another Explanation (5): ```html

কোয়েনোসাইটিক মাইসেলিয়াম এবং পেনিসিলিয়াম: একটি আলোচনা 🍄🔬

কোয়েনোসাইটিক মাইসেলিয়াম হলো কিছু ছত্রাকের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এই ধরনের মাইসেলিয়ামে কোনো সেপটা (septa) থাকে না, যার ফলে নিউক্লিয়াসগুলো সাইটোপ্লাজমে অবাধে বিচরণ করতে পারে। এর মানে হলো এটি একটি বৃহৎ মাল্টিনিউক্লিয়েট সিনোসাইট (multinucleate syncytium) গঠন করে। পেনিসিলিয়াম (Penicillium) একটি গুরুত্বপূর্ণ ছত্রাক হলেও, এটিতে কোয়েনোসাইটিক মাইসেলিয়াম থাকে না। 🤔

কোয়েনোসাইটিক মাইসেলিয়ামযুক্ত ছত্রাক 🦠

পেনিসিলিয়ামের বদলে, নিম্নলিখিত ছত্রাকগুলোতে কোয়েনোসাইটিক মাইসেলিয়াম দেখা যায়:

  • জাইগোমাইসিটিস (Zygomycetes): রাইজোপাস (Rhizopus), মিউকর (Mucor) ইত্যাদি জাইগোমাইসিটিস বর্গের ছত্রাকে এই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
  • ফাইকোমাইসিটিস (Phycomycetes): পূর্বে এই শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত ছত্রাকগুলোতে কোয়েনোসাইটিক মাইসেলিয়াম দেখা যেত।

পেনিসিলিয়ামের বৈশিষ্ট্য 🧪

পেনিসিলিয়ামের কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. সেপ্টেট মাইসেলিয়াম: পেনিসিলিয়ামের মাইসেলিয়াম সেপ্টেট অর্থাৎ এদের মধ্যেCross wall বা অন্ত পর্দা বিদ্যমান।
  2. শাখান্বিত কনিডিওফোর: এদের কনিডিওফোরগুলো শাখাযুক্ত এবং ব্রাশের মতো দেখায়।
  3. অযৌন প্রজনন: কনিডিয়া সৃষ্টির মাধ্যমে অযৌন প্রজনন ঘটে।
  4. যৌন প্রজনন: কিছু ক্ষেত্রে যৌন প্রজনন দেখা যায়, তবে এটি তুলনামূলকভাবে কম ঘটে।
  5. গুরুত্ব: পেনিসিলিয়াম পেনিসিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও পনির উৎপাদনে এর ব্যবহার রয়েছে।

তুলনামূলক তালিকা 📊

বৈশিষ্ট্য পেনিসিলিয়াম (Penicillium) রাইজোপাস (Rhizopus) (কোয়েনোসাইটিক)
মাইসেলিয়ামের গঠন সেপ্টেট (Septate) ➗ কোয়েনোসাইটিক (Coenocytic) 🧫
সেপটা (Septa) উপস্থিত ✅ অনুপস্থিত ❌
নিউক্লিয়াসের সংখ্যা প্রতি কোষে একটি বা দুটি 🔬 বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত 💯
প্রজনন কনিডিয়া, যৌন জনন (বিরল) 🍄 স্পোর, যৌন জনন 🔄
গুরুত্ব অ্যান্টিবায়োটিক, পনির উৎপাদন 💊🧀 খাদ্য পচানো, শিল্প 🏭

সুতরাং, এটি স্পষ্ট যে পেনিসিলিয়ামে কোয়েনোসাইটিক মাইসেলিয়াম থাকে না। 📚

```
Option A Explanation:
  • অ্যাসপারজিলাস (Aspergillus): Aspergillus হলো এক ধরনের ছত্রাক, যা সাধারণত বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
  • প্রধানত এটি ভিনেগার, সোয়া সস, ও কিছু বাদাম প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
  • এছাড়াও, Aspergillus এর থেকে উৎপন্ন কিছু ফাঙ্গাসের প্রজাতি অ্যান্টিবায়োটিক, যেমন অ্যাসপিরজিলাসিন, তৈরি করে।
  • তবে, কিছু Aspergillus প্রজাতি খাদ্যদ্রব্যে সংক্রমিত হলে ক্ষতিকর হতে পারে এবং ফাঙ্গাসজনিত বিষ (আম্ফোটক্সিন) উৎপন্ন করতে পারে।
Option B Explanation:
  • Mucor হলো একটি ছত্রাকের প্রজাতি যা সাধারণত খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
  • এটি বিভিন্ন ধরনের খাদ্য প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়, যেমন সয়াবিনের জন্য উপকারী ছত্রাকের ব্যাকটেরিয়া উৎপাদনে।
  • মুকর ছত্রাকের কিছু প্রজাতি খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন মুকর চিজ বা মুকর স্টার্চ।
  • তবে, কিছু প্রজাতি ক্ষতিকারক হতে পারে এবং খাদ্যশস্যে ক্ষতি করতে পারে।
  • সাধারণত, মুকর ছত্রাকের ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়, কারণ কিছু প্রজাতি বিষাক্ত বা অপ্রয়োজনীয় ফর্মের হতে পারে।
Option C Explanation:
  • Agaricus: এটি একটি প্রকারের ছত্রাক (fungus), যা সাধারণত খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • আস্তিরখানার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন ধরণের খাওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, অ্যাগারিকাস বোতল বা শৈলশৈলী (Agaricus bisporus) সবচেয়ে পরিচিত ও সাধারণ।
  • বিশ্বব্যাপী রান্নায় বিভিন্ন ধরনের রান্নার উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • Penicillium: এটি একটি ছত্রাক (ফাঙ্গাস) যা সাধারণত খাবার প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
  • বিশেষ করে, Penicillium ছত্রাকের বিভিন্ন প্রজাতি ব্লু বা সবুজ ছোপযুক্ত ছত্রাক হিসেবে পরিচিত, যা বিভিন্ন খাবারে স্বাদ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে সহায়ক।
  • এটি পনির তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যেমন ব্লু পনির এবং অন্যান্য ছত্রাকযুক্ত পনির।
  • Penicillium ছত্রাকের কিছু প্রজাতি অ্যান্টিবায়োটিক যেমন পেনিসিলিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, তবে খাদ্য হিসেবে এর ব্যবহার সাধারণত খাবারে স্বাদ ও গন্ধ যোগ করার জন্য।