টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অ্যালার্জিক সাড়া দানের সাথে সংশ্লিষ্ট অ্যান্টিবডি কোনটি?

A. IgG
B. IgE
C. IgD
D. IgA
সঠিক উত্তরঃ B. IgE
Explanation:

Another Explanation (5):

অ্যালার্জিক সাড়াদানের সাথে সংশ্লিষ্ট অ্যান্টিবডি: IgE

অ্যালার্জিক (Allergic) প্রতিক্রিয়া একটি জটিল প্রক্রিয়া। আমাদের ইমিউন সিস্টেম (Immune system) যখন কোনো ক্ষতিকর নয় এমন পদার্থকে (যেমন: পরাগ রেণু) ক্ষতিকর ভেবে ভুল করে, তখন এই প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এই ভুল ধারণার পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে IgE নামক অ্যান্টিবডি।

IgE অ্যান্টিবডি কী? 🤔

  • IgE (Immunoglobulin E) এক ধরনের অ্যান্টিবডি বা ইমিউনোগ্লোবুলিন।
  • এটি মূলত অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া এবং কৃমি সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে।
  • অন্যান্য অ্যান্টিবডির তুলনায় IgE এর পরিমাণ রক্তে কম থাকে।

অ্যালার্জিক সাড়াদানে IgE-এর ভূমিকা 🎭

  1. সেন্সিটাইজেশন (Sensitization): প্রথমবার কোনো অ্যালার্জেনের (Allergen) সংস্পর্শে এলে, B-কোষ (B-cells) IgE অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
  2. মাস্ট কোষের সাথে বন্ধন (Binding to Mast Cells): এই IgE অ্যান্টিবডিগুলো মাস্ট কোষ (Mast cells) এবং বেসোফিল (Basophils) নামক কোষের সাথে লেগে থাকে।
  3. অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে আসা (Exposure to Allergen): পরবর্তীতে যখন ঐ একই অ্যালার্জেন আবার শরীরে প্রবেশ করে, তখন সেটি মাস্ট কোষের সাথে লেগে থাকা IgE অ্যান্টিবডির সাথে যুক্ত হয়।
  4. হিস্টামিন নিঃসরণ (Histamine Release): IgE-অ্যালার্জেন কমপ্লেক্স মাস্ট কোষকে উত্তেজিত করে এবং হিস্টামিন (Histamine) সহ অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণে সাহায্য করে।
  5. অ্যালার্জিক লক্ষণ (Allergic Symptoms): নিঃসৃত হিস্টামিন ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ অ্যালার্জিক লক্ষণগুলো সৃষ্টি করে, যেমন:
    • চুলকানি 😖
    • হাঁচি 🤧
    • শ্বাসকষ্ট 😮‍💨
    • ত্বকে ফুসকুড়ি 🤕

IgE এবং অন্যান্য অ্যান্টিবডির মধ্যে পার্থক্য 📊

বৈশিষ্ট্য IgE IgG IgA IgM
প্রধান কাজ অ্যালার্জি ও কৃমি সংক্রমণ সংক্রমণ প্রতিরোধ মিউকাস মেমব্রেন সুরক্ষা প্রাথমিক ইমিউন রেসপন্স
রক্তে পরিমাণ খুব কম সর্বাধিক দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৃতীয় সর্বোচ্চ
মাস্ট কোষের সাথে বন্ধন হ্যাঁ না না না

অ্যালার্জি পরীক্ষা 🧪

রক্তে IgE-এর মাত্রা পরিমাপ করে অ্যালার্জি পরীক্ষা করা যায়। স্কিন প্রিক টেস্টের মাধ্যমেও অ্যালার্জেন সনাক্ত করা যায়।

অ্যালার্জির চিকিৎসা ⚕️

  • অ্যালার্জেন পরিহার করা
  • অ্যান্টিহিস্টামিন ঔষধ সেবন
  • ইমুনোথেরাপি (Immunotherapy)

আশা করি, IgE অ্যান্টিবডি এবং অ্যালার্জিক সাড়াদান সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊

Option A Explanation:
  • প্রচুর পরিমাণে উপস্থিতি: IgG হলো মানবদেহে সবচেয়ে সাধারণ ইম্যুনোগ্লোবুলিন, যা রক্তপ্রবাহে সর্বাধিক পাওয়া যায়।
  • অর্থবহ রোধক কার্যক্রম: এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, এবং টক্সিনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
  • অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ: IgG বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডির মধ্যে এক, যা একাধিক ধরণের রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রতিরোধের স্থায়িত্ব: এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম, যেমন ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রাপ্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • প্রেরিত স্থান: এটি সাধারণত রক্তে বিদ্যমান থাকলেও, এটি ফ্যাট টিস্যু এবং অন্যান্য দেহের স্থানেও পাওয়া যায়।
Option B Explanation: ```html

IgE এর ব্যাখ্যা

  • অবস্থান: প্রধানত অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও পরাগপ্রদূষণে ভূমিকা রাখে।
  • সংখ্যা: ইম্যুনোগ্লোবুলিনের মধ্যে তুলনামূলকভাবে খুবই কম পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: পরাগপ্রদূষণ, জীবাণু ও পরজীবীর বিরুদ্ধে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া ঘটানো।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: মূলত রেসপিরেটরি ও মিউকাস ঝিল্লিতে উপস্থিত থাকে এবং অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার সময় ইমিউন রিসেপটর হিসেবে কাজ করে।
```
Option C Explanation:
  • অস্তিত্বের স্থান: IgD প্রধানত বডির শ্লৈষ্মিক টিস্যু ও লিম্ফোসাইটের উপরিপৃষ্ঠে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: এটি মূলত বডির নতুন লিম্ফোসাইটের উদ্দীপনা ও শনাক্তকরণে সহায়ক।
  • প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে পরিমাণ: সাধারণত IgD এর পরিমাণ খুবই কম, যা সাধারণ IgG বা IgA এর তুলনায় ন্যূনতম।
  • অন্য ইমিউনোগ্লোবুলিনের তুলনায়: IgD এর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে খুবই স্বল্প, এর ফলে এটি সাধারণত খুব কম পরিমাণে বিদ্যমান।
Option D Explanation:
  • অবস্থান: IgA মূলত স্নায়ু সংবহন এবং শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান।
  • মূল কাজ: এটি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি এবং স্নায়ু ঝিল্লিতে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, যেমন মূত্রনালী, শ্বাসনালী ও পেটের ঝিল্লিতে।
  • আকার: ছোট আকারের অ্যান্টিবডি, যা সহজে ঝিল্লির মাধ্যমে প্রবেশ করতে সক্ষম।
  • সংগ্রহের স্থান: সাধারণত মিউকাস ও স্নায়ু ঝিল্লিতে বেশি পরিমাণে বিদ্যমান, তবে শরীরের অন্যান্য অংশেও কম পরিমাণে পাওয়া যায়।