টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মায়োফাইব্রিল কী দিয়ে গঠিত?

A. i ও ii
B. i ও iii
C. ii ও iii
D. i, ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ A. i ও ii
Explanation:

প্রতিটি মায়োফাইব্রিল প্রোটিন নির্মিত মায়োসিন (myocin) ও অ্যাকটিন (actin) নামক অসংখ্য ফিলামেন্ট নিয়ে গঠিত। মূলত মায়োসিন ও অ্যাকটিনের বিন্যাসের কারণেই মায়োফাইব্রিলে স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ ডোরার সৃষ্টি হয় ।

Another Explanation (5):

মায়োফাইব্রিল: গঠন এবং উপাদান 🔬

মায়োফাইব্রিল হলো পেশী কোষের (muscle cell) মধ্যে থাকা দীর্ঘ, নলাকার গঠন যা পেশী সংকুচিত হতে সাহায্য করে। এটি মূলত দুটি প্রধান উপাদান দিয়ে গঠিত:

মায়োফাইব্রিলের প্রধান উপাদানসমূহ:

  1. অ্যাক্টিন (Actin): এটি একটি প্রোটিন যা সরু ফিলামেন্ট তৈরি করে। অ্যাকটিন ফিলামেন্টগুলো মায়োসিনের সাথে যুক্ত হয়ে পেশী সংকোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 🧬
  2. মায়োসিন (Myosin): এটি একটি মোটর প্রোটিন যা মোটা ফিলামেন্ট তৈরি করে। মায়োসিন অ্যাকটিন ফিলামেন্টের উপর পিছলে গিয়ে পেশী সংকোচন ঘটায়। 💪

উপাদানগুলোর বিস্তারিত তালিকা:

  • অ্যাক্টিন (Actin):
    • G-অ্যাক্টিন (Globular actin) নামক একক প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
    • G-অ্যাক্টিন একত্রিত হয়ে F-অ্যাক্টিন (Filamentous actin) তৈরি করে।
    • ট্রপোমায়োসিন (Tropomyosin) এবং ট্রপোনিন (Troponin) নামক প্রোটিন এর সাথে যুক্ত থাকে।
  • মায়োসিন (Myosin):
    • মায়োসিন II নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
    • একটি "মাথা" (head) এবং একটি "লেজ" (tail) অংশ থাকে।
    • মাথা অংশটি এটিপি (ATP) ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করে এবং অ্যাকটিনের সাথে যুক্ত হয়।
  • অন্যান্য প্রোটিন:
    • টাইটিন (Titin): মায়োসিন ফিলামেন্টকে সঠিক স্থানে ধরে রাখে এবং পেশীর স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে।
    • নেবুলিন (Nebulin): অ্যাক্টিন ফিলামেন্টের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করে।
    • আলফা-অ্যাকটিনিন (Alpha-actinin): জেড-ডিস্কের (Z-disc) সাথে অ্যাক্টিন ফিলামেন্টকে যুক্ত করে।

মায়োফাইব্রিলের গঠন বর্ণনা :

মায়োফাইব্রিলের মধ্যে অ্যাক্টিন এবং মায়োসিন ফিলামেন্টগুলো একটি নির্দিষ্ট বিন্যাসে সাজানো থাকে, যা সারকোমিয়ার (sarcomere) নামে পরিচিত। সারকোমিয়ার হলো পেশী সংবেদনের কার্যকরী একক। এই সারকোমিয়ারগুলো পর পর সজ্জিত হয়ে মায়োফাইব্রিল গঠন করে। 🧱

সারকোমিয়ারের অংশ:

অংশ বৈশিষ্ট্য
Z-ডিস্ক (Z-disc) সারকোমিয়ারের সীমানা নির্ধারণ করে।
I-ব্যান্ড (I-band) শুধু অ্যাক্টিন ফিলামেন্ট থাকে।
A-ব্যান্ড (A-band) অ্যাক্টিন ও মায়োসিন উভয় ফিলামেন্ট থাকে।
H- জোন (H-zone) শুধু মায়োসিন ফিলামেন্ট থাকে।
M-লাইন (M-line) H-জোনের কেন্দ্রে অবস্থিত এবং মায়োসিন ফিলামেন্টগুলোকে ধরে রাখে।

সংক্ষেপে:

মায়োফাইব্রিল মূলত অ্যাক্টিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন ফিলামেন্ট দিয়ে গঠিত। এই ফিলামেন্টগুলোর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে পেশী সংকোচন সম্ভব হয়। 💪🏼

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি মায়োফাইব্রিলের গঠন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊