লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
প্রতিটি মায়োফাইব্রিল প্রোটিন নির্মিত মায়োসিন (myocin) ও অ্যাকটিন (actin) নামক অসংখ্য ফিলামেন্ট নিয়ে গঠিত। মূলত মায়োসিন ও অ্যাকটিনের বিন্যাসের কারণেই মায়োফাইব্রিলে স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ ডোরার সৃষ্টি হয় ।
মায়োফাইব্রিল হলো পেশী কোষের (muscle cell) মধ্যে থাকা দীর্ঘ, নলাকার গঠন যা পেশী সংকুচিত হতে সাহায্য করে। এটি মূলত দুটি প্রধান উপাদান দিয়ে গঠিত:
মায়োফাইব্রিলের মধ্যে অ্যাক্টিন এবং মায়োসিন ফিলামেন্টগুলো একটি নির্দিষ্ট বিন্যাসে সাজানো থাকে, যা সারকোমিয়ার (sarcomere) নামে পরিচিত। সারকোমিয়ার হলো পেশী সংবেদনের কার্যকরী একক। এই সারকোমিয়ারগুলো পর পর সজ্জিত হয়ে মায়োফাইব্রিল গঠন করে। 🧱
সারকোমিয়ারের অংশ:
| অংশ | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| Z-ডিস্ক (Z-disc) | সারকোমিয়ারের সীমানা নির্ধারণ করে। |
| I-ব্যান্ড (I-band) | শুধু অ্যাক্টিন ফিলামেন্ট থাকে। |
| A-ব্যান্ড (A-band) | অ্যাক্টিন ও মায়োসিন উভয় ফিলামেন্ট থাকে। |
| H- জোন (H-zone) | শুধু মায়োসিন ফিলামেন্ট থাকে। |
| M-লাইন (M-line) | H-জোনের কেন্দ্রে অবস্থিত এবং মায়োসিন ফিলামেন্টগুলোকে ধরে রাখে। |
মায়োফাইব্রিল মূলত অ্যাক্টিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন ফিলামেন্ট দিয়ে গঠিত। এই ফিলামেন্টগুলোর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে পেশী সংকোচন সম্ভব হয়। 💪🏼
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি মায়োফাইব্রিলের গঠন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊