লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থসমূহ তড়িৎক্ষেত্র প্রয়োগের ফলে পোলারাইজড হতে পারে, কিন্তু এরা বিদ্যুৎ পরিবহন করে না। এদের অপর নাম অন্তরক পদার্থ। নিচে কিছু ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থের উদাহরণ দেওয়া হলো:
ইবোনাইট একটি বিশেষ ধরনের পদার্থ। এটি মূলত উচ্চ সালফারযুক্ত শক্ত রাবার। ১৮৫১ সালে গুডইয়ার সর্বপ্রথম এটি তৈরি করেন।
যদিও ইবোনাইটকে অনেক সময় ডাই-ইলেকট্রিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তবে এর কিছু বৈশিষ্ট্য এটিকে আদর্শ ডাই-ইলেকট্রিক থেকে আলাদা করে। প্রধান কারণগুলো হলো:
| বৈশিষ্ট্য | ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থ | ইবোনাইট |
|---|---|---|
| বিদ্যুৎ পরিবাহিতা | অপরিবাহী 🚫 | অত্যন্ত কম পরিবাহী (প্রায় অপরিবাহী) 🤏 |
| পোলারাইজেশন | সহজে পোলারাইজড হয় ✅ | পোলারাইজড হয়, তবে অন্যান্য ডাই-ইলেকট্রিকের তুলনায় কম ⚠️ |
| গঠন | বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক গঠন বিদ্যমান 🧪 | সালফারযুক্ত রাবার Rubber with Sulphur ⚗️ |
| তাপমাত্রা স্থিতিশীলতা | উচ্চ স্থিতিশীল 🌡️ | তুলনামূলকভাবে কম স্থিতিশীল 📉 |
| ব্যবহার | ক্যাপাসিটর, ট্রান্সফরমার ইত্যাদি ⚙️ | বৈদ্যুতিক নিরোধক, পুরোনো দিনের গ্রামোফোন রেকর্ড 🎶 |
সুতরাং, যদিও ইবোনাইট অন্তরক হিসেবে কাজ করে, এর বৈশিষ্ট্যগুলো এটিকে আদর্শ ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থ থেকে ভিন্ন করে। 👍
আশা করি, বুঝতে পেরেছেন! 😊