লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মরুভূমিতে মরীচিকা হলো একটি চমৎকার অপটিক্যাল বিভ্রম। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন জলাশয় বা পানির অস্তিত্ব আছে, কিন্তু আসলে সেখানে কিছুই নেই। এর মূল কারণ আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে নিচের বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো:
আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এর দিক পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। মরুভূমিতে, দিনের বেলায় বালি খুব দ্রুত গরম হয়ে যায়। ফলে:
সুতরাং, আলো যখন উপরের ঠান্ডা বাতাস থেকে নিচের গরম বাতাসের স্তরের দিকে আসে, তখন তা ঘন থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করার কারণে অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।🌬️
যখন আলোকরশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন আপতন কোণের মান একটি নির্দিষ্ট মানের চেয়ে বেশি হলে প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোকরশ্মি একই মাধ্যমে ফিরে আসে। এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।
মরুভূমিতে, ভূমির কাছাকাছি গরম বাতাসের স্তরগুলিতে আলোকরশ্মি ক্রমাগত বাঁকতে থাকে। এক পর্যায়ে, আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বড় হয়ে যায়, এবং আলোকরশ্মি সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হয়ে উপরের দিকে ফিরে আসে।
দূরে থাকা কোনো গাছ বা অন্য কোনো বস্তুর আলো যখন আমাদের চোখে পৌঁছায়, তখন আমরা সেটিকে স্বাভাবিকভাবে দেখি। কিন্তু যখন আলোকরশ্মি পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে বাঁকানো পথে আমাদের চোখে আসে, তখন আমাদের মস্তিষ্ক এটিকে সরল রেখায় আসা আলো হিসেবে ধরে নেয়। ফলে, আমরা গাছ বা বস্তুর একটি উল্টো প্রতিবিম্ব দেখি, যা দেখে মনে হয় যেন নিচে পানি আছে এবং তার উপরে গাছটি প্রতিফলিত হচ্ছে। এভাবেই মরীচিকার সৃষ্টি হয়।
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| উষ্ণতাgradasi | ভূমির কাছাকাছি বাতাস গরম এবং উপরের বাতাস ঠান্ডা। 🔥❄️ |
| আলোর প্রতিসরণ | আলো ঘন থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করায় বেঁকে যায়। ➡️ |
| পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন | আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বেশি হওয়ায় আলো প্রতিফলিত হয়। ↩️ |
| দৃষ্টিভ্রম | মস্তিষ্কের সরল রেখার ধারণার কারণে উল্টো প্রতিবিম্ব দেখা যায়। 😵💫 |
গরমকালে পিচঢালা রাস্তায় বা হাইওয়েতেও অনেক সময় মরীচিকা দেখা যায়।☀️🚗
আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে মরুভূমিতে মরীচিকা সৃষ্টির কারণ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 😊