টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মরুভূমিতে মরীচিকা সৃষ্টির কারণ হচ্ছে আলোর-

A. প্রতিফলন
B. প্রতিসরণ
C. বিচ্ছুরণ
D. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তরঃ D. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
Explanation:

Another Explanation (5):

মরুভূমিতে মরীচিকা: এক অপটিক্যাল বিভ্রম 🏜️

মরুভূমিতে মরীচিকা হলো একটি চমৎকার অপটিক্যাল বিভ্রম। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন জলাশয় বা পানির অস্তিত্ব আছে, কিন্তু আসলে সেখানে কিছুই নেই। এর মূল কারণ আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে নিচের বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো:

আলোর প্রতিসরণ: বাঁকানো পথের যাত্রা ☀️➡️💧

আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এর দিক পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। মরুভূমিতে, দিনের বেলায় বালি খুব দ্রুত গরম হয়ে যায়। ফলে:

  1. ভূমির কাছাকাছি বাতাস গরম থাকে ( হালকা ঘনত্ব)।
  2. উপরের দিকের বাতাস তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা থাকে (বেশি ঘনত্ব)।

সুতরাং, আলো যখন উপরের ঠান্ডা বাতাস থেকে নিচের গরম বাতাসের স্তরের দিকে আসে, তখন তা ঘন থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করার কারণে অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।🌬️

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন: আলোর ফিরে আসা ↩️

যখন আলোকরশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন আপতন কোণের মান একটি নির্দিষ্ট মানের চেয়ে বেশি হলে প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোকরশ্মি একই মাধ্যমে ফিরে আসে। এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।

মরুভূমিতে, ভূমির কাছাকাছি গরম বাতাসের স্তরগুলিতে আলোকরশ্মি ক্রমাগত বাঁকতে থাকে। এক পর্যায়ে, আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বড় হয়ে যায়, এবং আলোকরশ্মি সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হয়ে উপরের দিকে ফিরে আসে।

মরীচিকা কিভাবে সৃষ্টি হয়? 🤔

দূরে থাকা কোনো গাছ বা অন্য কোনো বস্তুর আলো যখন আমাদের চোখে পৌঁছায়, তখন আমরা সেটিকে স্বাভাবিকভাবে দেখি। কিন্তু যখন আলোকরশ্মি পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে বাঁকানো পথে আমাদের চোখে আসে, তখন আমাদের মস্তিষ্ক এটিকে সরল রেখায় আসা আলো হিসেবে ধরে নেয়। ফলে, আমরা গাছ বা বস্তুর একটি উল্টো প্রতিবিম্ব দেখি, যা দেখে মনে হয় যেন নিচে পানি আছে এবং তার উপরে গাছটি প্রতিফলিত হচ্ছে। এভাবেই মরীচিকার সৃষ্টি হয়।

বিষয়টিকে একটি টেবিলের মাধ্যমে দেখা যাক: 📊

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
উষ্ণতাgradasi ভূমির কাছাকাছি বাতাস গরম এবং উপরের বাতাস ঠান্ডা। 🔥❄️
আলোর প্রতিসরণ আলো ঘন থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করায় বেঁকে যায়। ➡️
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বেশি হওয়ায় আলো প্রতিফলিত হয়। ↩️
দৃষ্টিভ্রম মস্তিষ্কের সরল রেখার ধারণার কারণে উল্টো প্রতিবিম্ব দেখা যায়। 😵‍💫

দৈনন্দিন জীবনে মরীচিকা 🏘️

গরমকালে পিচঢালা রাস্তায় বা হাইওয়েতেও অনেক সময় মরীচিকা দেখা যায়।☀️🚗

আরও কিছু তথ্য: 💡

  • মরীচিকা একটি স্বাভাবিক ঘটনা, কোনো জাদু নয়। ✨
  • এটি শুধুমাত্র আলো এবং বাতাসের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে ঘটে। 🌡️
  • বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ধরনের মরীচিকা দেখা যেতে পারে। 🏞️

আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে মরুভূমিতে মরীচিকা সৃষ্টির কারণ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 😊