টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ক্রেবস চক্রে উৎপন্ন প্রথম যৌগ হল------

A. ফসফোগ্লিসারিক এসিড
B. অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড
C. পাইরুভিক এসিড
D. সাইট্রিক এসিড
E. ম্যালিক এসিড
সঠিক উত্তরঃ D. সাইট্রিক এসিড
Explanation:

Another Explanation (5):

ক্রেবস চক্র: সাইট্রিক অ্যাসিডের উৎপত্তি 🍋

ক্রেবস চক্র (Krebs Cycle), যা সাইট্রিক অ্যাসিড চক্র (Citric Acid Cycle) বা ট্রাইকারBoxিলিক অ্যাসিড চক্র (TCA Cycle) নামেও পরিচিত, কোষীয় শ্বসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি মাইটোকন্ড্রিয়ার ম্যাট্রিক্সে ঘটে। এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য হলো গ্লুকোজ, ফ্যাট এবং প্রোটিন থেকে প্রাপ্ত অ্যাসিটাইল-কোএ (Acetyl-CoA) -এর জারণের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করা।

ক্রেবস চক্রের প্রথম ধাপ 📝

ক্রেবস চক্রের শুরুটা হয় অ্যাসিটাইল-কোএ (২ কার্বন) এবং অক্সালোঅ্যাসিটেট (৪ কার্বন)-এর সাথে বিক্রিয়ার মাধ্যমে। এই বিক্রিয়ায় সাইট্রেট সিনথেস (Citrate Synthase) নামক একটি এনজাইম অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।

  • অক্সালোঅ্যাসিটেট (Oxaloacetate): ক্রেবস চক্রের একটি চার কার্বনযুক্ত যৌগ।
  • অ্যাসিটাইল-কোএ (Acetyl-CoA): গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া পাইরুভেট থেকে উৎপন্ন দুই কার্বনযুক্ত যৌগ।
  • সাইট্রেট সিনথেস (Citrate Synthase): এনজাইম যা অক্সালোঅ্যাসিটেট এবং অ্যাসিটাইল-কোএ-কে যুক্ত করে সাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করে।

সাইট্রিক অ্যাসিডের গঠন 🧪

অক্সালোঅ্যাসিটেট এবং অ্যাসিটাইল-কোএ যুক্ত হয়ে যে প্রথম যৌগটি তৈরি হয়, সেটি হল সাইট্রিক অ্যাসিড (Citric Acid)। এটি একটি ছয় কার্বনযুক্ত ট্রাইকারBoxিলিক অ্যাসিড।

বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ:

অক্সালোঅ্যাসিটেট (৪ কার্বন) + অ্যাসিটাইল-কোএ (২ কার্বন) → সাইট্রিক অ্যাসিড (৬ কার্বন) + কোএনজাইম এ (CoA-SH)

ক্রেবস চক্রের ধাপসমূহ 🔄

  1. সাইট্রিক অ্যাসিড গঠন: অক্সালোঅ্যাসিটেট এবং অ্যাসিটাইল-কোএ মিলে সাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করে।
  2. আইসোসাইট্রেট গঠন: সাইট্রিক অ্যাসিড আইসোমাইজেশনের মাধ্যমে আইসোসাইট্রেটে রূপান্তরিত হয়।
  3. আলফা-কিটোগ্লুটারেট গঠন: আইসোসাইট্রেট ডিহাইড্রোজিনেস এনজাইমের মাধ্যমে আলফা-কিটোগ্লুটারেট উৎপন্ন হয়। এই ধাপে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) নির্গত হয় এবং NADH+H+ তৈরি হয়।
  4. সাক্সিনাইল-কোএ গঠন: আলফা-কিটোগ্লুটারেট ডিহাইড্রোজিনেস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে সাক্সিনাইল-কোএ তৈরি হয়। এখানেও CO2 নির্গত হয় এবং NADH+H+ তৈরি হয়।
  5. সাক্সিনেট গঠন: সাক্সিনাইল-কোএ থেকে সাক্সিনেট তৈরি হয় এবং GTP (Guanosine Triphosphate) উৎপন্ন হয়।
  6. ফিউমারেট গঠন: সাক্সিনেট ডিহাইড্রোজিনেসের মাধ্যমে ফিউমারেট তৈরি হয় এবং FADH2 উৎপন্ন হয়।
  7. ম্যালেট গঠন: ফিউমারেট হাইড্রেটেজ এনজাইমের মাধ্যমে ম্যালেট তৈরি হয়।
  8. অক্সালোঅ্যাসিটেট পুনরুৎপাদন: ম্যালেট ডিহাইড্রোজিনেসের মাধ্যমে অক্সালোঅ্যাসিটেট পুনরায় তৈরি হয় এবং NADH+H+ উৎপন্ন হয়।

শক্তি উৎপাদন ⚡

পুরো ক্রেবস চক্রে প্রতি এক অণু অ্যাসিটাইল-কোএ থেকে নিম্নলিখিত উপাদানগুলো উৎপন্ন হয়:

উৎপাদিত উপাদান সংখ্যা
NADH+H+ 3
FADH2 1
GTP 1
CO2 2

এই NADH+H+ এবং FADH2 পরবর্তীতে ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইনে (Electron Transport Chain) ব্যবহৃত হয়ে ATP (Adenosine Triphosphate) তৈরি করে, যা কোষের প্রধান শক্তি সরবরাহকারী।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🌟

  • ক্রেবস চক্র একটি উভমুখী পথ (amphibolic pathway), কারণ এটি একইসাথে ক্যাটাবলিক (ভেঙে যাওয়া) এবং অ্যানাবলিক (তৈরি হওয়া) উভয় প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
  • এই চক্র বিভিন্ন জৈব অণু যেমন অ্যামিনো অ্যাসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং নিউক্লিওটাইড তৈরির জন্য মধ্যবর্তী যৌগ সরবরাহ করে।

সুতরাং, ক্রেবস চক্রে উৎপন্ন প্রথম যৌগটি হলো সাইট্রিক অ্যাসিড, যা এই চক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ শুরু। 🚀

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে! 😊