টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ফাইলেরিয়া কৃমি কোনটি সৃষ্টি করে?

A. গোদ রোগ
B. ডেঙ্গুর
C. গিনিরোগ
D. টিনিয়াসিস
সঠিক উত্তরঃ A. গোদ রোগ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ফাইলেরিয়া কৃমি দ্বারা সৃষ্ট রোগ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। এটি এক ধরনের পরজীবী যা মানুষের লসিকাতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। অপশন বিশ্লেষণ: A. গোদ রোগ: সঠিক, এটি ফাইলেরিয়া কৃমি দ্বারা সৃষ্ট লিম্ফ্যাটিক ফাইলেরিয়াসিস নামে পরিচিত। B. ডেঙ্গু: ভুল, এটি ভাইরাসজনিত রোগ যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। C. গিনিরোগ: ভুল, এটি গিনি ওয়ার্ম দ্বারা সৃষ্ট। D. টিনিয়াসিস: ভুল, এটি ফিতাকৃমির সংক্রমণজনিত। নোট: ফাইলেরিয়া সংক্রমণ হলে লসিকাতন্ত্রে বাধা সৃষ্টি হয় এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ফুলে যায়, যা 'এলিফ্যান্টিয়াসিস' নামে পরিচিত।
Another Explanation (5):

ফাইলেরিয়া কৃমি এবং তার সৃষ্টি করে রোগ

ফাইলেরিয়া কৃমি (Filarial Worms) হলো এক ধরনের পরজীবী কৃমি যা মূলত মানুষের লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমে বাস করে। এই কৃমিগুলি মূলত ব্লাড বা লিম্ফ সিস্টেমে বাস করে এবং দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের শরীরে বাস করে।

ফাইলেরিয়া কৃমি দ্বারা সৃষ্টি রোগ

  • 🩺 গোদ রোগ (Elephantiasis) 🦶🦵
  • 🩺 লিম্ফেটিক ফাইলেরিয়াসিস (Lymphatic Filariasis)

বিশেষ করে, ডেনগী, ব্রাউনজি ও ব্ল্যাঙ্কফাইলেরিয়া এই তিন ধরনের ফাইলেরিয়া মূলত রোগ সৃষ্টি করে।

গোদ রোগ কি?

গোদ রোগ বা এলিফ্যান্টিয়াসিস হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল রোগ, যা মূলত লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমে বাধা সৃষ্টি করে। এতে আক্রান্ত স্থানে ফোস্কা বা ফোলাভাব হয়ে যায় এবং সময়ের সাথে সাথে অঞ্চলটি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।

রোগের নাম সৃষ্টিকারী পরজীবী প্রধান লক্ষণ
গোদ রোগ (Elephantiasis) ফাইলেরিয়া কৃমি (Filarial worms) শরীরের অঙ্গের বৃহৎ ও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি 🦶🦵, ফোলা ও অস্বস্তি

সংক্ষেপে

অতএব, ফাইলেরিয়া কৃমি গোদ রোগ সৃষ্টি করে। এই রোগটি মূলত লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমে বাধার কারণে ঘটে এবং দীর্ঘস্থায়ী অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে।

🩺💉🌍

Option A Explanation:
  • গোদ রোগ: এটি একটি যৌনসংক্রান্ত সংক্রমণ যা সাধারণত Neisseria gonorrhoeae ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়।
  • সংক্রমণের ফলে যৌনাঙ্গে পুঁজযুক্ত ক্ষত, জ্বালা, ও হাঁটুর নিচে ব্যথা হতে পারে।
  • প্রাথমিক লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে ঝরঝরে স্রাব ও জ্বালাপোড়া।
  • চিকিৎসা না করলে এটি আরও জটিল হতে পারে এবং অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গেও ছড়াতে পারে।
Option B Explanation:
  • ডেঙ্গু: ডেঙ্গু একটি ভাইরাল রোগ যা ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে হয়। এটি প্রধানত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রভাব: ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণে জ্বর, মাথা ব্যথা, দেহে ব্যথা, হিমশীতল অনুভূতি, লাল র‍্যাশ এবং কখনও কখনও গুরুতর রক্তস্রাব হতে পারে।
  • প্রতিরোধ: এডিস মশার উপদ্রব কমানো, মশার কামড় থেকে রক্ষা, এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা যায়।
  • চিকিৎসা: ডেঙ্গুর জন্য নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; তবে উপসর্গ কমানোর জন্য বিশ্রাম, পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ এবং পেশী ব্যথা কমানোর ওষুধ ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:

গিনিরোগ

  • বর্ণনা: গিনিরোগ বা গিনির ফাইলেরিয়া (Onchocerca volvulus) দ্বারা সৃষ্ট একটি দেহবাহি পরজীবী রোগ।
  • প্রভাব: এটি মূলত ত্বক ও চোখের উপর প্রভাব ফেলে।
  • লক্ষণসমূহ: ত্বকে লালচে ভাব, খোসপাঁচড়া, চুলকানি এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া বা অন্ধত্ব।
  • প্রেরণ মাধ্যম: মূলত মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
  • প্রতিরোধ ও চিকিৎসা: সাধারণত ঔষধের মাধ্যমে চিকিৎসা হয় এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম উপায়ে এড়ানো সম্ভব।
Option D Explanation: ```html
  • টিনিয়াসিস: এটি একটি পরজীবী সংক্রমণ যা টিনিয়াসিস কৃমি (Taenia spp.) দ্বারা সৃষ্টি হয়।
  • প্রধানত এই পরজীবী মানুষের খাবার দ্বারা সংক্রমিত হয়, বিশেষ করে অপ্রসেসড বা আধা-প্রসেসড মাংস খেলে।
  • সংক্রমণের ফলে পেটে ব্যথা, হজমের সমস্যা, ওজন কমে যাওয়া এবং অন্যান্য পেটের অসুবিধা দেখা দিতে পারে।
  • উপচনশীল পরজীবী কৃমি সরাসরি অন্ত্রের মধ্যে বৃদ্ধি পায় এবং কিছু ক্ষেত্রে সেগুলি বাইরে বের হতে পারে।
  • নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে এই রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
```