লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
আলো যখন দুটি বা ততোধিক সরু চির (slit) এর মধ্য দিয়ে যায়, তখন আলো এবং অন্ধকার ডোরাকাটা (fringe) তৈরি হয়। এই ঘটনাটি আলোর ব্যতিচার (Interference) নামক একটি ধর্ম দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়।
ব্যতিচার হলো একাধিক তরঙ্গের উপরিপাতনের (superposition) ফল। যখন দুটি বা ততোধিক আলোক তরঙ্গ একই স্থানে মিলিত হয়, তখন তাদের মধ্যে উপরিপাতন ঘটে। এই উপরিপাতনের ফলে তরঙ্গের বিস্তার (amplitude) পরিবর্তিত হতে পারে। যদি তরঙ্গগুলো একই দশায় (in phase) মিলিত হয়, তবে গঠনমূলক ব্যতিচার (constructive interference) ঘটে এবং উজ্জ্বল ডোরা তৈরি হয়। আবার, যদি তরঙ্গগুলো বিপরীত দশায় (out of phase) মিলিত হয়, তবে ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার (destructive interference) ঘটে এবং অন্ধকার ডোরা তৈরি হয়।
থমাস ইয়াং ১৮০১ সালে আলোর ব্যতিচার প্রমাণ করার জন্য একটি বিখ্যাত পরীক্ষা করেন, যা ইয়াং এর ডাবল স্লিট পরীক্ষা (Young's Double Slit Experiment) নামে পরিচিত। এই পরীক্ষায় তিনি একটি আলোর উৎস থেকে আলো দুটি সরু চিরের (double slit) মধ্য দিয়ে যেতে দেন এবং একটি স্ক্রিনে আলোর ডোরাকাটা দেখেন।
নিচে গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্তগুলো উল্লেখ করা হলো:
ডাবল স্লিট পরীক্ষার ফলাফল আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের (wave theory of light) একটি শক্তিশালী প্রমাণ। এই পরীক্ষা থেকে আমরা জানতে পারি যে আলো তরঙ্গ আকারে চলে এবং ব্যতিচার প্রদর্শন করতে পারে।
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| আলোর প্রকৃতি | তরঙ্গ 🌊 |
| ব্যতিচারের প্রকার | গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক 👍👎 |
| ব্যবহার | হolography, optical instruments 🔭 |
ব্যতিচারের নীতি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তার কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলো:
আশা করি, আলোর ব্যতিচার সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊