টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন এনজাইম লালাগ্রন্থিতে পাওয়া যায়?

A.

ট্রিপসিন

B.

পেপসিন

C.

অ্যামাইলেজ

D.

টায়ালিন

সঠিক উত্তরঃ D.

টায়ালিন

Explanation:

Another Explanation (5):

লালাগ্রন্থিতে প্রাপ্ত এনজাইম: টায়ালিন 唾液腺酶 😋

লালাগ্রন্থি নিঃসৃত লালারসে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম বিদ্যমান। এর মধ্যে প্রধান এনজাইমটি হলো টায়ালিন। এটি শর্করা পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

টায়ালিন সম্পর্কে বিস্তারিত 🤓

  • নাম: টায়ালিন (Tylin) অথবা স্যালাইভারি অ্যামাইলেজ (Salivary Amylase)
  • উৎপত্তি: লালাগ্রন্থি (Salivary Glands), প্রধানত প্যারোটিড গ্রন্থি (Parotid Gland)
  • কাজ: শ্বেতসার বা স্টার্চ (starch) জাতীয় খাদ্য পরিপাক করা। এটি স্টার্চকে ভেঙে মল্টোজ (maltose) নামক ডাইস্যাকারাইডে পরিণত করে।
  • কার্যকারিতা: মুখগহ্বরে খাদ্য গ্রহণের পর টায়ালিন খাদ্য পরিপাক শুরু করে। পাকস্থলীতে পৌঁছানোর পূর্ব পর্যন্ত এর কার্যক্রম চলতে থাকে।

পরিপাক প্রক্রিয়ায় টায়ালিনের ভূমিকা 🧑‍🍳

  1. খাদ্য গ্রহণ:🍚🍔🍕 মুখগহ্বরে খাদ্য প্রবেশ করার পর লালা নিঃসরণ শুরু হয়।
  2. মিশ্রণ: লালারসের সাথে খাদ্য ভালোভাবে মেশে।
  3. পরিপাক শুরু: টায়ালিন শ্বেতসারকে ভেঙে মল্টোজে পরিণত করে।
  4. গলধঃকরণ: আংশিক পরিপাক হওয়া খাদ্য পাকস্থলীতে যায়।
  5. অকার্যকর: পাকস্থলীতে অ্যাসিডিক পরিবেশের কারণে টায়ালিনের কার্যকারিতা হ্রাস পায়।

টায়ালিনের কার্যাবলী একটি ছকে 📊

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
এনজাইমের নাম টায়ালিন (স্যালাইভারি অ্যামাইলেজ)
উৎপত্তিস্থল লালাগ্রন্থি
প্রধান কাজ শ্বেতসার পরিপাক
শেষ উৎপাদ মল্টোজ (ডাইস্যাকারাইড)
কার্যকারিতার পরিসীমা মুখগহ্বর থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত (পাকস্থলীতে অ্যাসিডের প্রভাবে কমে যায়)

সুতরাং, টায়ালিন লালাগ্রন্থিতে পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম যা শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। 😋✨

আরও জানতে চোখ রাখুন! 📚💡

Option A Explanation:

ট্রিপসিন

  • প্রকার: প্রোটিনেজ এনজাইম
  • উৎপত্তি: প্যানক্রিয়াসে উৎপন্ন হয়
  • কাজ: প্রোটিনের ভাঙন ঘটায়, অর্থাৎ পেপটাইড বেঁধে থাকা আমিনো অ্যাসিডগুলোকে আলাদা করে
  • অবস্থান: প্রধানত লালাগ্রন্থি (প্যানক্রিয়াস)
  • উল্লেখ্য: এটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের জন্য প্রোটিনের প্রথম ভাঙন ঘটায়, যা পরে অন্যান্য এনজাইম দ্বারা সম্পূর্ণ ভাঙন সম্ভব হয়
Option B Explanation:
  • পেপসিন: এটি একটি হজমের এনজাইম যা মুখ্যতঃ পেটের লালাগ্রন্থিতে (গ্যাস্ট্রিক গ্ল্যান্ডে) নিঃসৃত হয়।
  • এটি প্রোটিনের বিভাজন করে ছোট পেপটাইডে রূপান্তরিত করে।
  • পেপসিনের কার্যকারিতা শুরু হয় পেটের অম্লীয় পরিবেশে, যেখানে এটি প্রোটিনের গঠন ভেঙে ছোট অংশে রূপান্তর করে হজমে সাহায্য করে।
Option C Explanation:

অ্যামাইলেজের ব্যাখ্যা

  • অ্যামাইলেজ হলো একটি এনজাইম যা মূলত কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে থাকা স্টার্চ বা গ্লাইকোজেনের ভাঙন ঘটায়।
  • এটি মূলত লালা, পানির অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসরণ হয়।
  • অ্যামাইলেজ স্টার্চকে সাধারণত ডাইসেকারাইড বা মলেকুলার ক্ষুদ্র অংশে ভেঙে দেয়, যেমন মালটোজ বা ডেক্সট্রিন।
  • এটি সাধারণত ডাইজেস্টিভ ট্র্যাক্টে কাজ করে, যেখানে খাদ্য থেকে শোষণের জন্য পুষ্টির উপাদান তৈরি হয়।
  • অ্যামাইলেজের সাহায্যে কার্বোহাইড্রেটের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের জন্য সহজে শোষণযোগ্য হয়।
Option D Explanation:
  • টায়ালিন: এটি একটি অ্যানজাইম যা মূলত লালা বা সালিভারির্সে পাওয়া যায়।
  • এটি অ্যামাইলেস নামে পরিচিত, যা কার্বোহাইড্রেটের (বিশেষ করে স্টার্চ) জন্য হাইড্রোলাইসিস প্রক্রিয়া চালায়।
  • টায়ালিন খাবার গলানোর সময় স্টার্চকে সরাসরি মাল্টোজে রূপান্তর করে।
  • এটি একটি এনজাইম হিসেবে কাজ করে, যা খাদ্য পরিপাকের প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
  • সাধারণত, এটি ঠাণ্ডা পরিবেশে সক্রিয় থাকে এবং শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কার্যকরী।