টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মৃত্যুপর্ব শুরুর মুহুর্তে যদি কোন তারকার 1.4m0 এর বেশী থাকে, তবে কোনভাবেই এইটি শ্বেত বামন হতে পারে না। ভরের এই সীমাকে বলা হয়।

A. সোয়ার্জ শিশু সীমা
B. নিউটন সীমা 
C. চন্দ্রশেখর সীমা
D. আইনষ্টাইন সীমা
সঠিক উত্তরঃ C. চন্দ্রশেখর সীমা
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

চন্দ্রশেখর সীমা: নক্ষত্রের অন্তিম পরিণতি 🌟

কোনো নক্ষত্রের মৃত্যুকালে যদি তার ভর 1.4m0 (সৌর ভরের 1.4 গুণ) এর বেশি হয়, তবে সেটি শ্বেত বামন (White Dwarf) হতে পারে না। এই ভরের সর্বোচ্চ সীমাটি চন্দ্রশেখর সীমা নামে পরিচিত। এটি ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী সুব্রাহ্মণ্যন চন্দ্রশেখরের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। 🥳

চন্দ্রশেখর সীমা কী? 🤔

চন্দ্রশেখর সীমা হলো সেই সর্বোচ্চ ভর, যা কোনো শ্বেত বামন তারা তার নিজস্ব মাধ্যাকর্ষণ বলের বিরুদ্ধে ইলেকট্রন ডিgeneracy pressure এর মাধ্যমে ধরে রাখতে পারে। এই সীমার বেশি ভর হলে, তারাটি হয় নিউট্রন তারা, অথবা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হয়।

বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে নিচের তালিকাটি দেখুন: 👇

  • শ্বেত বামন: ছোট, মৃত নক্ষত্র যা আর কোনো তাপ উৎপাদন করে না। 🥶
  • ইলেকট্রন ডিgeneracy pressure: কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কারণে সৃষ্ট চাপ, যা নক্ষত্রের ভরকে সংকুচিত হতে বাধা দেয়।
  • সুব্রাহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর: এই বিখ্যাত সীমা আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৮৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। 🏆

বিভিন্ন ভরের নক্ষত্রের পরিণতি: 💫

নক্ষত্রের ভর (সৌর ভরের সাপেক্ষে) সম্ভাব্য পরিণতি
0.08 - 0.5 m0 শ্বেত বামন (হিলিয়াম)
0.5 - 1.4 m0 শ্বেত বামন (কার্বন-অক্সিজেন)
1.4 - 3 m0 নিউট্রন তারা 🌠
3 m0 এর বেশি কৃষ্ণগহ্বর 💣

চন্দ্রশেখর সীমার গুরুত্ব: 💡

চন্দ্রশেখর সীমা নক্ষত্রের জীবনচক্র এবং মহাবিশ্বের বিবর্তন বুঝতে সহায়ক। এটি আমাদের জানতে সাহায্য করে যে কোন নক্ষত্রগুলো শ্বেত বামন হবে, আর কোনগুলো আরও বড় ধরনের বিস্ফোরকের মাধ্যমে নিউট্রন তারা বা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হবে।

এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। 👍


আরও জানতে বিজ্ঞান বিষয়ক বই পড়ুন। 📚

```