লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
সাদা আলো এইভাবে প্রিজমের মতো প্রতিসারক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে প্রতিসরণের ফলে বিশ্লিষ্ট হয়ে সাতটি বিভিন্ন বর্ণের আলোকগুচ্ছে পরিনত হওয়ার ঘটনতনাক আলোক রশ্মির বিচ্ছুরণ বলে।অন্ধকার ঘরে অসচ্ছ পর্দার একটি সূক্ষ্ম ছিদ্রের মধ্য দিয়ে সাদা আলো বা সূর্যের রশ্মিকে একটি কাচের প্রিজমের প্রতিসারক তলের উপর ফেললে ওই রশ্মি প্রিজমের মধ্য দিয়ে প্রতিসৃত হয়ে বিভিন্ন বর্ণে বিভক্ত হয়ে পড়ে। রশ্মিগুলি একটি রঙিন পটির সৃষ্টি করে। ওই পটিকে বর্ণালী বলে। এই রঙিন পটির রশ্গুতিলোকে পরপর সাজালে যথাক্রমে বেগুনি, গাঢ় নীল, আকাশ নীল, সবুজ, হলুদ, কমলা, ও লাল বর্ণের ক্রমটি পাওয়া যায়।সূর্য রশ্মি থেকে উৎপন্ন বর্ণালীকে সৌর বর্ণালী বলা হয়। রামধনু একটি প্রাকৃতিক সৌর বর্ণালী।
সৌর বর্ণালীতে 7 টি রং থাকে তাদের প্রতি বর্ণের ইংরেজি নামের অক্ষরকে নিয়ে ক্রমানুসারে সাজালে VIBGYOR শব্দটি পাওয়া যায়। বাংলাতেও একটি অনুরুপ শব্দের সৃষ্টি হয়। একে বেনীআসহকলা বলে।
রংধনু প্রকৃতির এক চমৎকার সৃষ্টি। এটি মূলত আলো??? বিচ্ছুরণ (Dispersion) নামক ঘটনার কারণে ঘটে থাকে। সূর্যের আলো যখন বৃষ্টির কণার মধ্য দিয়ে যায়, তখন আলোর প্রতিসরণের পাশাপাশি এই বিচ্ছুরণ ঘটে, যা রংধনুর সৃষ্টি করে।
| আলোর রঙ | তরঙ্গদৈর্ঘ্য (ন্যানোমিটার) | আপেক্ষিক বিচ্ছুরণ |
|---|---|---|
| বেগুনী 💜 | ৩৮০-৪৫০ | সর্বাধিক |
| নীল 💙 | ৪৫০-৪৯৫ | বেশি |
| আকাশি 🩵 | ৪৯৫-৫৭০ | মাঝারি |
| সবুজ 💚 | ৫৭০-৫৯০ | মাঝারি |
| হলুদ 💛 | ৫৯০-৬২০ | কম |
| কমলা 🧡 | ৬২০-৭৫০ | কম |
| লাল ❤️ | ৭৫০-৭৮০ | সবচেয়ে কম |
এ কারণেই রংধনুর সাতটি রঙ সবসময় একটি নির্দিষ্ট ক্রমে দেখা যায়: বেগুনী, নীল, আকাশি, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল (B-I-B-G-Y-O-R)। 📚
আশা করি, রংধনু সৃষ্টির পেছনে আলোর বিচ্ছুরণের ভূমিকা তোমরা বুঝতে পেরেছ। Happy learning! 😊