টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মাধ্যমের পরিবর্তন হলে আলোর বৈশিষ্ট্যের যে পরিবর্তন হয়- 

A. তরঙ্গদৈর্ঘ্য 
B. কম্পাঙ্ক 
C. বর্ণ 
D. সবগুলো 
সঠিক উত্তরঃ A. তরঙ্গদৈর্ঘ্য 
Explanation:

Another Explanation (5):

মাধ্যমের পরিবর্তনে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন

আলো এক প্রকার তরঙ্গ। এর বেগ এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল। যখন আলো একটি মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায়, তখন এর বেগের পরিবর্তন হয়। আর বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে তরঙ্গদৈর্ঘ্যেরও পরিবর্তন ঘটে। আলোর কম্পাঙ্ক (frequency) সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে। 😮

আলোর প্রতিসরণ: একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা

আলো যখন একটি স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তীর্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন এর দিক পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। প্রতিসরণের মূল কারণ হলো বিভিন্ন মাধ্যমে আলোর বেগের ভিন্নতা।

বিভিন্ন মাধ্যমে আলোর বেগ

বিভিন্ন মাধ্যমে আলোর বেগ বিভিন্ন হয়ে থাকে। নিচে কয়েকটি মাধ্যমে আলোর বেগের একটি তালিকা দেওয়া হলো:

  • শূন্যস্থান: প্রায় 299,792,458 মিটার/সেকেন্ড 🚀
  • বায়ু: প্রায় 299,702,547 মিটার/সেকেন্ড
  • জল: প্রায় 225,000,000 মিটার/সেকেন্ড 💧
  • কাঁচ: প্রায় 200,000,000 মিটার/সেকেন্ড 💎

তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন

আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য (λ), বেগ (v) এবং কম্পাঙ্কের (f) মধ্যে সম্পর্ক হলো: v = fλ। যেহেতু আলোর কম্পাঙ্ক সাধারণত একই থাকে, তাই বেগের পরিবর্তনের সাথে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন ঘটে।

ধরা যাক, আলো একটি মাধ্যম (1) থেকে অন্য মাধ্যম (2)-এ প্রবেশ করছে। তাহলে:

  • প্রথম মাধ্যমে আলোর বেগ v1 এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য λ1
  • দ্বিতীয় মাধ্যমে আলোর বেগ v2 এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য λ2

যেহেতু কম্পাঙ্ক একই থাকে, তাই:

v1 / λ1 = v2 / λ2

সুতরাং, λ2 = λ1 * (v2 / v1)

এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, যদি v2 > v1 হয়, তাহলে λ2 > λ1 হবে, অর্থাৎ তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়বে। Vice versa, বেগ কমলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে। 🤔

উদাহরণ

আলো যখন বায়ু থেকে জলে প্রবেশ করে, তখন এর বেগ কমে যায়। ফলে তরঙ্গদৈর্ঘ্যও কমে যায়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো আলোর বায়ুতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য 600 ন্যানোমিটার হলে, জলে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় 450 ন্যানোমিটার হতে পারে।

আলোর বর্ণের উপর প্রভাব

আলোর বর্ণ তার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর নির্ভরশীল। দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন বর্ণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিভিন্ন। যখন আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায়, তখন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তনের কারণে আলোর বর্ণের সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। 🌈

সংক্ষেপে

বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন
বেগ পরিবর্তিত হয়
তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়
কম্পাঙ্ক সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে

আশা করি, মাধ্যমের পরিবর্তনে আলোর বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পারলাম। 💡

আরও জানতে চোখ রাখুন! 📚