লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং ইলেকট্রন নিঃসরণের মধ্যে সম্পর্ক আলোচনা করা হলো:
আলো একটি তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
আলোর কম্পাঙ্ক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য এর মধ্যে একটি বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান। এর মানে হলো, তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, কম্পাঙ্ক তত বেশি। এই সম্পর্কটি নিচের সূত্র দ্বারা প্রকাশ করা হয়:
ν = c / λ
এখানে, c হলো আলোর দ্রুতি (প্রায় 3 x 108 মিটার/সেকেন্ড)। 🚀
আলোকতড়িৎ ক্রিয়া হলো যখন কোনো ধাতব পৃষ্ঠে আলো আপতিত হলে ইলেকট্রন নির্গত হয়। 💡➡️⚡
এই ঘটনাটি ঘটার জন্য আলোর কম্পাঙ্ক একটি নির্দিষ্ট মানের চেয়ে বেশি হতে হয়, যাকে সূচনা কম্পাঙ্ক (threshold frequency) বলা হয়। সূচনা কম্পাঙ্ক হলো সেই সর্বনিম্ন কম্পাঙ্ক, যা কোনো ধাতু থেকে ইলেকট্রন নির্গত করার জন্য প্রয়োজন। 🔑
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে বিভিন্ন বর্ণের আলোর কম্পাঙ্ক বিভিন্ন:
| বর্ণ | কম্পাঙ্ক (আনুমানিক) |
|---|---|
| লাল | 4.3 × 1014 Hz |
| কমলা | 5.0 × 1014 Hz |
| হলুদ | 5.2 × 1014 Hz |
| সবুজ | 5.7 × 1014 Hz |
| নীল | 6.3 × 1014 Hz |
| বেগুনি | 7.5 × 1014 Hz |
| আতিবেগুনি | 7.5 × 1014 Hz এর চেয়ে বেশি |
প্রশ্নে বলা হয়েছে, নীল আলোতে যদি ইলেকট্রন নির্গত হয়, তাহলে অতিবেগুনি ও বেগুনি আলোতেও ইলেকট্রন নির্গত হবে, কারণ:
অতএব, "বেগুনি যেহেতু কম্পন বেশি" - এই উত্তরটি সঠিক। 👍
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি বোধগম্য হয়েছে। 🤔 যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তবে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। ❓
ধন্যবাদ! 🙏