টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বায়োইথানল তৈরীতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?

A. গ্লুকোজ
B. সুক্রোজ
C. ফ্রুক্টোজ
D. সেলুলোজ
সঠিক উত্তরঃ A. গ্লুকোজ
Explanation:

Another Explanation (5):

বায়োইথানল উৎপাদনে গ্লুকোজের ব্যবহার 🧪

বায়োইথানল একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি। এটি মূলত ইথা??ল যা বায়োমাস থেকে তৈরি করা হয়। এই বায়োমাস বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া ??েতে পারে, যার মধ্যে গ্লুকোজ অন্যতম। নিচে গ্লুকোজ ব্যবহারের প্রক্রিয়া এবং তাৎপর্য আলোচনা করা হলো:

গ্লুকোজের উৎস 🌾🌽

  • শস্য জাতীয় উদ্ভিদ: ভুট্টা, গম, চাল ইত্যাদি শস্যে প্রচুর শর্করা থাকে যা ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি হয়।
  • আলু ও অন্যান্য কন্দ জাতীয় সবজি: এগুলোতেও স্টার্চ থাকে যা গ্লুকোজে রূপান্তরিত হতে পারে।
  • আখের রস: সরাসরি গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ পাওয়া যায়।
  • সেলুলোজ সমৃদ্ধ বায়োমাস: কাঠ, খড়, এবং ঘাস থেকেও সেলুলোজ ভেঙে গ্লুকোজ পাওয়া যায়।

গ্লুকোজ থেকে বায়োইথানল তৈরির প্রক্রিয়া ⚙️

  1. কাঁচামাল সংগ্রহ ও প্রস্তুতি: প্রথমে শস্য বা অন্যান্য উৎস থেকে গ্লুকোজ আহরণ করা হয়। জটিল শর্করা থাকলে সেগুলোকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করা হয়।
  2. ফার্মেন্টেশন (Fermentation): গ্লুকোজ দ্রবণকে ঈস্ট (Yeast) এর সাথে মেশানো হয়। ঈস্ট গ্লুকোজকে গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল এবং কার্বন ডাই অক্সাইডে রূপান্তরিত করে। এই প্রক্রিয়াটি অ্যান aerobic পরিবেশে ঘটে।
    C6H12O6 → 2 C2H5OH + 2 CO2
  3. ডিস্টিলেশন (Distillation): ферментация-এর পর ইথানল মিশ্রণ থেকে ইথানলকে আলাদা করার জন্য ডিস্টিলেশন করা হয়। ইথানলের স্ফুটনাঙ্ক কম হওয়ায় এটি প্রথমে বাষ্পীভূত হয় এবং পরে ঠান্ডা করে তরলে পরিণত করা হয়।
  4. ডিহাইড্রেশন (Dehydration): ডিস্টিলেশনের পর ইথানলে কিছু জলীয় অংশ থাকতে পারে। ডিহাইড্রেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই জলীয় অংশ দূর করে বিশুদ্ধ ইথানল পাওয়া যায়।

বায়োইথানলের সুবিধা ♻️

  • নবায়নযোগ্য উৎস: বায়োমাস থেকে তৈরি হওয়ায় এটি একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
  • পরিবেশ-বান্ধব: জীবাশ্ম জ্বালানির তুলনায় কম কার্বন নিঃসরণ করে।
  • জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প: পেট্রোলিয়ামের উপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করে।
  • কৃষি অর্থনীতির উন্নয়ন: বায়োমাস উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে।

গ্লুকোজের ব্যবহার সম্পর্কিত কিছু তথ্য 📊

বিষয় বর্ণনা
ফার্মেন্টেশন সময় ⏱️ সাধারণত ২৪-৭২ ঘণ্টা লাগে।
ইস্টের প্রকার 🍄 Saccharomyces cerevisiae সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
ইথানলের উৎপাদন ক্ষমতা 📈 গ্লুকোজের পরিমাণ এবং ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ার উপর নির্ভরশীল।
ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ 🚗 পরিবহন, শিল্প এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী 🤔

  • বায়োইথানল উৎপাদনে গ্লুকোজ একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল।
  • ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উন্নত মানের ইথানল উৎপাদনের জন্য সঠিক পরিবেশ এবং ইস্টের ব্যবহার জরুরি।
  • বায়োইথানলের ব্যবহার পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আশা করি, এই ব্যাখ্যা বায়োইথানল উৎপাদনে গ্লুকোজের ব্যবহার সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 👍

Option A Explanation:
  • প্রবেশের প্রক্রিয়া: গ্লুকোজ সাধারণত কোষঝিল্লি দিয়ে প্রবেশ করে মূলত সক্রিয় এবং অর্ধসক্রিয় পরিবহনের মাধ্যমে।
  • প্রধান পরিবহন পদ্ধতি: ফ্যাসিলিটেড ডিফিউজন (Facilitated Diffusion) দ্বারা গ্লুকোজ সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
  • প্রয়োজনীয়তা: শরীরের শক্তির জন্য গ্লুকোজ গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তবে এটি সহজে অতিক্রম করতে পারে না কারণ এটি জলদ্রবী এবং বড় আকারের পণ্য।
  • কোষঝিল্লির সীমাবদ্ধতা: কোষঝিল্লি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবহন নিশ্চিত করে, তাই গ্লুকোজের মতো বড় বা জলদ্রবী molecules এর জন্য বিশেষ পরিবহন প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
Option B Explanation:
  • সুক্রোজ: এটি একটি সাধারণ শর্করা বা চিনি যা গ্লুকোজ এবং ফ্রুকটোজ থেকে গঠিত। এটি প্রাথমিকভাবে খাদ্যশস্য, ফলমূল, ও কিছু সবজিতে পাওয়া যায়।
  • প্রধান কাজ: সুক্রোজ শরীরে শক্তির জন্য দ্রুত অণুবীক্ষণ বা ভাঙন ঘটায়, যা বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জন্য শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ডিসাক্কারাইড, অর্থাৎ দুটি সাধারণ শর্করার সংযোগ। এটি পানিতে দ্রবণীয় এবং মিষ্টি স্বাদের।
  • অন্য ব্যবহার: খাদ্যশস্যের মধ্যে এটি একটি মূল শর্করা হিসেবে কাজ করে এবং খাদ্যশস্যের স্বাদ ও পুষ্টিমান বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
Option C Explanation:
  • প্রকার: Monosaccharide (একক শর্করা)
  • সাধারণ নামে: ফ্রুকোজ বা ফ্রুক্টোজ
  • গবেষণা: প্রাকৃতিক উৎসে পাওয়া যায় যেমন ফলমূল, মধু, শস্য ইত্যাদি।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: খুবই মিষ্টি স্বাদযুক্ত এবং সহজে শরীরে শোষিত হয়।
  • রাসায়নিক গঠন: C₆H₁₂O₆, যা গ্লুকোজের সমান, তবে অণুর গঠন ভিন্ন।
  • ব্যবহার: খাদ্য শিল্পে মিষ্টি স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, পাশাপাশি কিছু ওষুধে উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • সেলুলোজ: এক ধরণের জটিল কার্বোহাইড্রেট যা উদ্ভিদকোষের মূল স্তরকোষের মধ্যে পাওয়া যায়।
  • প্রধানত উদ্ভিদের কাঠামোগত উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং প্রাণীর শরীরে সহজে পরিপাক হয় না।
  • অতিরিক্ত ফাইবার হিসেবে খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকলে পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।
  • সেলুলোজের পচন বা হজমের জন্য বিশেষ এনজাইমের প্রয়োজন, যা মানবদেহে সাধারণত উৎপন্ন হয় না।