লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
গ্রহগুলোর গতিপথ উপবৃত্তাকার - এই বৈপ্লবিক ধারণাটি জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোহানেস কেপলার (Johannes Kepler) আবিষ্কার করেন। তিনি ১৬০৯ সালে তার বিখ্যাত "অ্যাস্ট্রোনমিয়া নোভা" (Astronomia Nova) গ্রন্থে এই তত্ত্ব প্রকাশ করেন। কেপলারের এই আবিষ্কার জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। 🎉
কেপলার মূলত তিনটি সূত্র আবিষ্কার করেন, যা গ্রহগুলোর গতিবিধি ব্যাখ্যা করে:
কেপলারের উপবৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা তৎকালীন প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণাকে সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন করে দেয়। এর ফলে গ্রহের গতিবিধি আরও নিখুঁতভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়।
| গ্রহের নাম | উৎকেন্দ্রিকতা (Eccentricity) |
|---|---|
| বুধ (Mercury) | 0.205 |
| শুক্র (Venus) | 0.007 |
| পৃথিবী (Earth) | 0.017 |
| মঙ্গল (Mars) | 0.093 |
| বৃহস্পতি (Jupiter) | 0.048 |
| শনি (Saturn) | 0.056 |
| ইউরেনাস (Uranus) | 0.046 |
| নেপচুন (Neptune) | 0.009 |
উৎকেন্দ্রিকতা (Eccentricity) যত বেশি, উপবৃত্তটি তত বেশি চাপা।
জ্যোতির্বিজ্ঞানে কেপলারের অবদান অনস্বীকার্য। তার সূত্রগুলো মহাবিশ্বের অনেক জটিল রহস্য উন্মোচন করতে সাহায্য করেছে। তিনি সত্যিই একজন কিংবদন্তী! 👑
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 📚
আশা করি তথ্যটি আপনার কাজে লাগবে! ভালো থাকবেন। 😊