টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটি পনির তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?

A. গ্লাইকোপ্রোটিন
B. অ্যামাইলেজ
C. জাইমেজ
D. রেনিন
সঠিক উত্তরঃ D. রেনিন
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: পনির তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম হল রেনিন, যা দুধের কেসিন প্রোটিন জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. গ্লাইকোপ্রোটিন: ভুল, এটি পনির তৈরির সঙ্গে সরাসরি জড়িত নয়। B. অ্যামাইলেজ: ভুল, এটি শর্করা ভাঙে কিন্তু পনির তৈরিতে কাজ করে না। C. জাইমেজ: ভুল, এটি মূলত গ্লুকোজকে ইথানলে রূপান্তরিত করে। D. রেনিন: সঠিক, এটি দুধের প্রোটিন জমাট বাঁধিয়ে পনির তৈরিতে সাহায্য করে। নোট: রেনিন মূলত বাচ্চা স্তন্যপায়ী প্রাণীর পাকস্থলীতে উৎপন্ন হয়, তবে বাণিজ্যিকভাবে ব্যাকটেরিয়াল সংস্কৃতি থেকে প্রস্তুত করা হয়।
Another Explanation (5):

পনির তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান: রেনিন 🧀

পনির তৈরির প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো রেনিন। এটি মূলত একটি এনজাইম, যা দুধের কেসিন প্রোটিন গলে যায় এবং দুধের কণাগুলিকে একত্রিত করে পনিরের ভিত্তি তৈরি করে। নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

রেনিন (Rennin) কি?

  • একটি প্রাকৃতিক এনজাইম, যা মূলত গরুর পেটের আন্ত্রের থেকে সংগ্রহ করা হয়।
  • দুধের কেসিন প্রোটিন গলে দুধের গুঁড়ো তৈরি করে।
  • পনিরের প্রস্তুতিতে দুধের কনসিস্টেন্সি পরিবর্তন করতে সহায়ক।

পনির তৈরির প্রক্রিয়ায় রেনিন এর ভূমিকা

পনির তৈরির সময়, দুধে রেনিন যোগ করার মাধ্যমে দুধের কেসিন গলে যায় এবং দুধের তরল অংশ বিছিন্ন হয়। এর ফলে, দুধের কনসিস্টেন্সি ঘন হয়ে যায় এবং পনিরের ভিত্তি প্রস্তুত হয়।

সাধারণত ব্যবহৃত উপাদানসমূহের তালিকা:

উপাদান বর্ণনা
রেনিন 🧀 প্রধান এনজাইম, যা দুধের কেসিন গলে পনিরের ভিত্তি তৈরি করে।
দুধ 🥛 পনির তৈরির মূল উপাদান।
সিরা/লবণ 🧂 পনিরের স্বাদ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত।

উপসংহার

অতএব, পনির তৈরির জন্য ব্যবহৃত মূল উপাদান হলো রেনিন 🧀, যা দুধের কেসিন গলে পনিরের গঠন প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। এটি পনিরের প্রস্তুতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

Option A Explanation:

গ্লাইকোপ্রোটিন

  • প্রোটিনের একটি ধরণ যা কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ
  • প্রোটিনের সাথে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটের সংযোজন দ্বারা গঠিত
  • অ্যানিম্যাল ও প্ল্যান্ট সোর্সে বিভিন্ন ধরনের পাওয়া যায়
  • উদাহরণস্বরূপ: গ্লাইকোপ্রোটিন অন্তর্ভুক্ত হয় গ্রন্থি ও কোষের উপাদান হিসেবে
  • এটি সরল প্রোটিন নয় কারণ এতে কার্বোহাইড্রেটের উপস্থিতি থাকে
Option B Explanation:

অ্যামাইলেজের ব্যাখ্যা

  • অ্যামাইলেজ হলো একটি এনজাইম যা মূলত কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে থাকা স্টার্চ বা গ্লাইকোজেনের ভাঙন ঘটায়।
  • এটি মূলত লালা, পানির অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসরণ হয়।
  • অ্যামাইলেজ স্টার্চকে সাধারণত ডাইসেকারাইড বা মলেকুলার ক্ষুদ্র অংশে ভেঙে দেয়, যেমন মালটোজ বা ডেক্সট্রিন।
  • এটি সাধারণত ডাইজেস্টিভ ট্র্যাক্টে কাজ করে, যেখানে খাদ্য থেকে শোষণের জন্য পুষ্টির উপাদান তৈরি হয়।
  • অ্যামাইলেজের সাহায্যে কার্বোহাইড্রেটের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের জন্য সহজে শোষণযোগ্য হয়।
Option C Explanation:
  • জাইমেজ: জাইমেজ একটি এনজাইম যা স্টার্চের মতো polysaccharides কে ভেঙে ডেক্সটিনে রূপান্তর করে।
  • এটি সাধারণত খাদ্য পরিপাকতন্ত্রে কাজ করে এবং ডাইজেস্টিভ এনজাইমের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
  • জাইমেজ স্টার্চের অর্ধ-প্রশস্ত ভেঙে ডেক্সটিন উৎপাদন করে, যা পরে আরও ভেঙে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়।
Option D Explanation:
  • রেনিন হলো একটি হরমোন যা মূলত কিডনির জেনারেল সিস্টেমের দ্বারা নিঃসৃত হয়।
  • এটি মূলত সনালি গ্রন্থি (সাধারণত কিডনির জুলগোমেরুলাসের জেল্লার কোষ থেকে নিঃসৃত) থেকে উৎপন্ন হয়।
  • রেনিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, রক্তবাহী জাহাজের ধমনিতে রক্তচাপ বাড়ানোর জন্য রক্তের মধ্যে অ্যানজিওটেনসিন-আই তৈরি করে।
  • এটি মূলত একটি এনজাইম, যা রক্তে রক্তচাপ বৃদ্ধির জন্য জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।