লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
অ্যালার্জির সাথে জড়িত কোন অ্যান্টিবডি?
IgE

অ্যালার্জি একটি বহুল পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। আমাদের ইমিউন সিস্টেম যখন কোনো ক্ষতিকর নয় এমন বস্তুকে (যেমন: পরাগ রেণু) ক্ষতিকর মনে করে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তখন তাকে অ্যালার্জি বলা হয়। এই অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশনের পেছনে মূল ভূমিকা পালন করে একটি বিশেষ ধরনের অ্যান্টিবডি, যার নাম IgE (ইমিউনোগ্লোবিউলিন ই)।
যখন কোনো অ্যালার্জেন (Allergen) শরীরে প্রবেশ করে, তখন:
| ধাপ | বর্ণনা | ফলাফল 💥 |
|---|---|---|
| ১ | অ্যালার্জেনের প্রথমবার সংস্পর্শে আসা 👃 | B-কোষ IgE তৈরি করে |
| ২ | IgE মাস্ট সেল এবং বেসোফিলের সাথে যুক্ত হওয়া 🤝 | মাস্ট সেল এবং বেসোফিল সক্রিয় হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে |
| ৩ | অ্যালার্জেনের দ্বিতীয়বার সংস্পর্শে আসা 🤧 | অ্যালার্জেন IgE-এর সাথে যুক্ত হয় |
| ৪ | হিস্টামিন ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ 🧪 | অ্যালার্জির উপসর্গগুলোর প্রকাশ (যেমন: চুলকানি, র্যাশ, শ্বাসকষ্ট) |
অ্যালার্জি সনাক্তকরণের জন্য IgE অ্যান্টিবডির মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। ত্বকের স্ক্র্যাচ টেস্টও (Skin Prick test) করা হয়ে থাকে। অ্যালার্জির চিকিৎসায় অ্যান্টিহিস্টামিন, স্টেরয়েড এবং ইমিউনোথেরাপি ব্যবহার করা হয়।
Disclaimer: এই তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। কোনো স্বাস্থ্য বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 🙏