টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

গোলীয় দর্পণের ফোকাস দূরত্ব এর বক্রতার ব্যাসার্ধের-

A. সমান
B. অর্ধেক
C. দ্বিগুণ
D. চার গুণ
সঠিক উত্তরঃ B. অর্ধেক
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে গোলীয় দর্পণের ফোকাস দূরত্ব ও বক্রতার ব্যাসার্ধের সম্পর্ক জানতে চাওয়া হয়েছে। গোলীয় দর্পণের ফোকাস দূরত্ব এবং বক্রতার ব্যাসার্ধের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সম্পর্ক আছে, যা গাণিতিকভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। অপশন বিশ্লেষণ: A. সমান: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. অর্ধেক: সঠিক, বক্রতার ব্যাসার্ধের অর্ধেক ফোকাল দৈর্ঘ্য হয়। C. দ্বিগুণ: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. চার গুণ: ভুল, এটি ভুল উত্তর। নোট: বক্রতার ব্যাসার্ধের সাথে ফোকাস দূরত্বের সম্পর্ক অর্ধেক হয়, যা ফোকাসের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
Another Explanation (5):

গোলীয় দর্পণের ফোকাস দূরত্ব ও বক্রতার ব্যাসার্ধের মধ্যে সম্পর্ক 🧐

গোলীয় দর্পণের (Concave & Convex Mirror) ফোকাস দূরত্ব (f) তার বক্রতার ব্যাসার্ধের (R) অর্ধেক। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক যা বিভিন্ন গাণিতিক সমস্যা সমাধানে কাজে লাগে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ফোকাস দূরত্ব (f) কী? 🤔

ফোকাস দূরত্ব হলো দর্পণের মেরু (pole) থেকে প্রধান ফোক???স (principal focus) পর্যন্ত দূরত্ব। প্রধান ফোকাস হলো সেই বিন্দু যেখানে সমান্তরাল আলোকরশ্মিগুলো প্রতিফলিত হওয়ার পর মিলিত হয় (অবতল দর্পণের ক্ষেত্রে) অথবা যেখান থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় (উত্তল দর্পণের ক্ষেত্রে)।

বক্রতার ব্যাসার্ধ (R) কী? 🧐

বক্রতার ব্যাসার্ধ হলো সেই গোলকের ব্যাসার্ধ যার অংশ হিসেবে দর্পণটি তৈরি। এটি দর্পণের মেরু থেকে বক্রতার কেন্দ্র (centre of curvature) পর্যন্ত দূরত্ব।

সম্পর্কটি যেভাবে কাজ করে 🧮

গাণিতিকভাবে, সম্পর্কটি হলো:

f = R / 2

অর্থাৎ, ফোকাস দূরত্ব = বক্রতার ব্যাসার্ধ / ২

ব্যাখ্যা 👇

আলোকরশ্মি যখন দর্পণের খুব কাছে আপতিত হয়, তখন জ্যামিতিক এবং ত্রিকোণমিতিক সম্পর্ক ব্যবহার করে এটি প্রমাণ করা যায়। এই প্রমাণ সাধারণত উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বইগুলোতে দেওয়া থাকে। মূল ধারণা হলো, আপতিত রশ্মি এবং প্রতিফলিত রশ্মি একটি নির্দিষ্ট কোণে আপতিত হয় এবং প্রতিফলনের সূত্র মেনে চলে।

উদাহরণ 💡

  • যদি কোনো গোলীয় দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ ২০ সেমি হয়, তবে তার ফোকাস দূরত্ব হবে ১০ সেমি। (f = 20 / 2 = 10)
  • যদি কোনো দর্পণের ফোকাস দূরত্ব ৫ সেমি হয়, তবে তার বক্রতার ব্যাসার্ধ হবে ১০ সেমি। (R = 5 * 2 = 10)

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ 📝

  • এই সম্পর্ক শুধুমাত্র ছোট উন্মেষের (small aperture) দর্পণের জন্য প্রযোজ্য।
  • অবতল দর্পণের (Concave mirror) ক্ষেত্রে ফোকাস দূরত্ব এবং বক্রতার ব্যাসার্ধ উভয়ই ধনাত্মক (+) ধরা হয়।
  • উত্তল দর্পণের (Convex mirror) ক্ষেত্রে ফোকাস দূরত্ব এবং বক্রতার ব্যাসার্ধ উভয়ই ঋণাত্মক (-) ধরা হয়।

সারণী 📊

বৈশিষ্ট্য অবতল দর্পণ উত্তল দর্পণ
ফোকাস দূরত্ব (f) ধনাত্মক (+) ঋণাত্মক (-)
বক্রতার ব্যাসার্ধ (R) ধনাত্মক (+) ঋণাত্মক (-)

ব্যবহারিক প্রয়োগ 🔭

এই ধারণাটি বিভিন্ন অপটিক্যাল যন্ত্র যেমন টেলিস্কোপ, মাইক্রোস্কোপ এবং ক্যামেরার লেন্স তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও গাড়ির হেডলাইট এবং দর্পণে এর ব্যবহার রয়েছে।

আশা করি, গোলীয় দর্পণের ফোকাস দূরত্ব এবং বক্রতার ব্যাসার্ধের মধ্যে সম্পর্কটি তোমরা বুঝতে পেরেছ। 😎👍