টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

গ্রহ এবং সূর্যের সংযোগকারী ব্যাসার্ধ রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে এটি-

A. নিউটনের সূত্র
B. আইস্টাইনের সূত্র
C. ডপলারের সূত্র
D. কেপলারের সূত্র
সঠিক উত্তরঃ D. কেপলারের সূত্র
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: কেপলারের সূত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন, যেখানে সূর্য এবং গ্রহের মধ্যে সংযোগকারী ব্যাসার্ধের গতি সম্পর্কিত। অপশন বিশ্লেষণ: A. নিউটনের সূত্র: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. আইস্টাইনের সূত্র: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. ডপলারের সূত্র: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. কেপলারের সূত্র: সঠিক, এটি কেপলারের তৃতীয় সূত্রের সাথে সম্পর্কিত। নোট: কেপলারের সূত্র অনুসারে, গ্রহ এবং সূর্য সংযোগকারী ব্যাসার্ধ সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
Another Explanation (5):

গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র 🪐

কেপলারের দ্বিতীয় সূত্রটি ক্ষেত্রফলের সূত্র নামেও পরিচিত। এটি গ্রহের কক্ষপথে ঘূর্ণনের সময় গ্রহের গতি কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তা ব্যাখ্যা করে।

সূত্রের মূল বক্তব্য 📝

সূর্যকে কেন্দ্র করে কোনো গ্রহ যখন তার কক্ষপথে ঘোরে, তখন গ্রহ এবং সূর্যের সংযোগকারী ব্যাসার্ধ রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

ব্যাখ্যা: সহজ ভাষায় 🗣️

ধরুন, একটি গ্রহ তার কক্ষপথে A থেকে B বিন্দুতে গেল ➡️ এবং একই সময়ে C থেকে D বিন্দুতে গেল 🚀। A থেকে B এবং C থেকে D তে যেতে যদি সমান সময় লাগে, তাহলে:

  • ক্ষেত্রফল ASB = ক্ষেত্রফল CSD হবে।

অর্থাৎ, গ্রহ যখন সূর্যের কাছে থাকে (যেমন C থেকে D), তখন তার গতিবেগ বেশি থাকে 🏃‍♀️, আর যখন দূরে থাকে (যেমন A থেকে B), তখন গতিবেগ কম থাকে 🚶‍♀️।

সূত্রের গাণিতিক রূপ ➗

ক্ষেত্রফলের পরিবর্তনের হার ধ্রুবক:

dA/dt = ধ্রুবক

এখানে:

  • dA = ক্ষেত্রফলের পরিবর্তন
  • dt = সময়ের পরিবর্তন

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ ✨

  1. এই সূত্র থেকে জানা যায়, গ্রহের কক্ষপথ উপবৃত্তাকার 🌌।
  2. গ্রহের কৌণিক ভরবেগ (Angular Momentum) সংরক্ষিত থাকে 💫।
  3. সূর্যের কাছাকাছি গ্রহের বেগ বেশি এবং দূরে বেগ কম 🌠।

সূত্রের প্রয়োগ 🎯

  • এই সূত্র ব্যবহার করে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে গ্রহের অবস্থান নির্ণয় করা যায় 🧭।
  • গ্রহের কক্ষপথের বিভিন্ন বিন্দুতে তার গতিবেগ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় 💡।

এক নজরে (টেবিল) 📊

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
নাম কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফলের সূত্র)
বিষয় গ্রহের গতি
গুরুত্ব গ্রহের কক্ষপথে অসম গতি ব্যাখ্যা করে

কিছু অতিরিক্ত তথ্য ➕

এই সূত্রটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবেও কাজ করে। কেপলারের এই সূত্র জ্যোতির্বিজ্ঞানে একটি মাইলফলক 🚩।

আশা করি, কেপলারের দ্বিতীয় সূত্রটি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন! 👍