লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
কেপলারের দ্বিতীয় সূত্রটি ক্ষেত্রফলের সূত্র নামেও পরিচিত। এটি গ্রহের কক্ষপথে ঘূর্ণনের সময় গ্রহের গতি কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তা ব্যাখ্যা করে।
সূর্যকে কেন্দ্র করে কোনো গ্রহ যখন তার কক্ষপথে ঘোরে, তখন গ্রহ এবং সূর্যের সংযোগকারী ব্যাসার্ধ রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
ধরুন, একটি গ্রহ তার কক্ষপথে A থেকে B বিন্দুতে গেল ➡️ এবং একই সময়ে C থেকে D বিন্দুতে গেল 🚀। A থেকে B এবং C থেকে D তে যেতে যদি সমান সময় লাগে, তাহলে:
অর্থাৎ, গ্রহ যখন সূর্যের কাছে থাকে (যেমন C থেকে D), তখন তার গতিবেগ বেশি থাকে 🏃♀️, আর যখন দূরে থাকে (যেমন A থেকে B), তখন গতিবেগ কম থাকে 🚶♀️।
ক্ষেত্রফলের পরিবর্তনের হার ধ্রুবক:
dA/dt = ধ্রুবক
এখানে:
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| নাম | কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফলের সূত্র) |
| বিষয় | গ্রহের গতি |
| গুরুত্ব | গ্রহের কক্ষপথে অসম গতি ব্যাখ্যা করে |
এই সূত্রটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবেও কাজ করে। কেপলারের এই সূত্র জ্যোতির্বিজ্ঞানে একটি মাইলফলক 🚩।
আশা করি, কেপলারের দ্বিতীয় সূত্রটি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন! 👍