লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
অথবা
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
বিজ্ঞানী জোহানেস কেপলার ১৬১৯ সালে গ্রহীয় গতির তৃতীয় সূত্রটি প্রকাশ করেন। এটি "পর্যায়কালের সূত্র" নামেও পরিচিত।
সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান কোনো গ্রহের পর্যায়কালের বর্গ (T²) গ্রহটির কক্ষপথের গড় দূরত্বের ঘনফলের (r³) সমানুপাতিক।
গাণিতিকভাবে এই সূত্রটি এভাবে লেখা যায়:
T² ∝ r³
অথবা,
T² = k * r³
যেখানে, k একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক।
| গ্রহের নাম | পর্যায়কাল (বছর) | গড় দূরত্ব (AU) |
|---|---|---|
| বুধ ☿ | ০.২৪ | ০.৩৯ |
| শুক্র ♀️ | ০.৬২ | ০.৭২ |
| পৃথিবী 🌍 | ১.০০ | ১.০০ |
| মঙ্গল ♂️ | ১.৮৮ | ১.৫২ |
| বৃহস্পতি ♃ | ১১.৮৬ | ৫.২০ |
| শনি ♄ | ২৯.৪৬ | ৯.৫৪ |
| ইউরেনাস ⛢ | ৮৪.০১ | ১৯.১৯ |
| নেপচুন ♆ | ১৬৪.??৯ | ৩০.০৬ |
AU: অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট (Astronomical Unit)। এটি পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব।
আশা করি, কেপলারের গ্রহীয় গতির তৃতীয় সূত্রটি বুঝতে পেরেছেন। 🚀