লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
কোনো টানাতারিত তারের কম্পাঙ্ক (Frequency) এবং তার দৈর্ঘ্যের (Length) মধ্যে একটি সুন্দর সম্পর্ক বিদ্যমান। যদি তারের টেনশন (T) এবং ভর ঘনত্ব (m) অপরিবর্তিত থাকে, তবে কম্পাঙ্ক তারের দৈর্ঘ্যের সাথে ব্যস্তানুপাতিক হয়। অর্থাৎ, দৈর্ঘ্য বাড়লে কম্পাঙ্ক কমবে এবং দৈর্ঘ্য কমলে কম্পাঙ্ক বাড়বে। 📉📈
ব্যাস্তানুপাতিক সম্পর্কটিকে গাণিতিকভাবে এভাবে প্রকাশ করা যায়:
f ∝ 1/L
এখানে,
এর কারণ হল, যখন তারের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করা হয়, তখন তরঙ্গকে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়। ফলে একটি নির্দিষ্ট সময়ে কম সংখ্যক কম্পন সম্পন্ন হয়। vice versa.
ধরা যাক, একটি তারের দৈর্ঘ্য 1 মিটার এবং এর কম্পাঙ্ক 100 Hz। এখন যদি তারের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে 2 মিটার করা হয়, তবে কম্পাঙ্ক কমে 50 Hz হবে। (যদি T ও m অপরিবর্তিত থাকে)।
এই সূত্রটি বাদ্যযন্ত্র যেমন গিটার, বেহালা, পিয়ানো ইত্যাদির সুর (tuning) করার সময় ব্যবহার করা হয়। তারের দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করে desired frequency পাওয়া যায়।
এখানে উল্লেখ্য যে, কম্পাঙ্ক আরও কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে, যেমন:
নিচের টেবিলে বিষয়টি সংক্ষেপে দেখানো হলো:
| বৈশিষ্ট্য | প্রভাব (দৈর্ঘ্য বাড়লে) |
|---|---|
| কম্পাঙ্ক (Frequency) | কমে 📉 |
আশা করি, বিষয়টি সহজে বোধগম্য হয়েছে। Happy learning! 🎉📚
এই সম্পর্কটি শুধুমাত্র "আড় তরঙ্গের" (Transverse Wave) জন্য প্রযোজ্য। অন্য কোনো তরঙ্গের ক্ষেত্রে এটি ভিন্ন হতে পারে।
মনে রাখবে বিজ্ঞান সবসময় পরিবর্তনশীল। নতুন আবিষ্কার আমাদের পুরনো ধারণাকে পরিবর্তন করতে পারে। 🚀