Another Explanation (5):
আপতিত রশ্মি ও নির্গত রশ্মির মধ্যবর্তী কোণ: একটি ব্যাখ্যা
আলোকরশ্মি যখন একটি স্বচ্ছ মাধ্যমের ভেতর দিয়ে অন্য একটি স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এর দিক পরিবর্তিত হয়। এই ঘটনা প্রতিসরণ নামে পরিচিত। এই প্রতিসরণের ক্ষেত্রে আপতিত রশ্মি ও নির্গত রশ্মির মধ্যে একটি কোণ তৈরি হয়, যা বিভিন্ন নামে পরিচিত। 🤔
বিভিন্ন প্রকার কোণ
* বিচ্যুতি কোণ (Angle of Deviation): আপতিত রশ্মি ও নির্গত রশ্মির মধ্যবর্তী কোণকে বিচ্যুতি কোণ বলা হয়। 🤔 এটি আলোর পথে বিচ্যুতি নির্দেশ করে।
আলোর প্রতিসরণের চিত্র
আলোর প্রতিসরণের সময় বিভিন্ন কোণ কিভাবে গঠিত হয়, তা নিচের ছবিতে দেখানো হলো:
বিভিন্ন মাধ্যমের প্রতিসরণে বিচ্যুতি কোণ
বিভিন্ন মাধ্যমে আলোর প্রতিসরণের ক্ষেত্রে বিচ্যুতি কোণের ভিন্নতা দেখা যায়। নিচে একটি টেবিলে কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হলো:
| মাধ্যম |
আপতন কোণ (ডিগ্রী) |
প্রতিসরণ কোণ (ডিগ্রী) |
বিচ্যুতি কোণ (ডিগ্রী) |
| বায়ু থেকে জ?? |
45 |
32 |
13 |
| বায়ু থেকে কাঁচ |
60 |
35 |
25 |
| জল থেকে কাঁচ |
30 |
22 |
8 |
বিচ্যুতি কোণ নির্ণয়ের সূত্র
বিচ্যুতি কোণ (δ) নির্ণয়ের সাধারণ সূত্রটি হলো:
δ = |i - r|
যেখানে,
i = আপতন কোণ
r = প্রতিসরণ কোণ
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ
* প্রতিসরণের সূত্র (Snell's Law) আলোর প্রতিসরণের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 🤓
* বিচ্যুতি কোণ মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্কের উপর নির্ভরশীল। 😮
* বিভিন্ন লেন্স এবং প্রিজম তৈরিতে এই কোণের ধারণা কাজে লাগে। 🤩
উদাহরণ
যদি কোনো আলোকরশ্মি বায়ু থেকে কাঁচের দিকে 45° কোণে আপতিত হয় এবং প্রতিসরণ কোণ 28° হয়, তবে বিচ্যুতি কোণ হবে:
δ = |45° - 28°| = 17°
অতএব, আপতিত রশ্মি এবং নির্গত রশ্মির মধ্যবর্তী কোণ, অর্থাৎ বিচ্যুতি কোণ হলো 17°। 🎉