টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোন এঞ্জাইম ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে প্রধান ভুমিকা পালন করে?

A. এন্টারোকাইনেজ
B. লাইসোজাইম
C. টায়ালিন
D. কাইমোট্রিপসিন
সঠিক উত্তরঃ B. লাইসোজাইম
Explanation:

Another Explanation (5):

ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে লাইসোজাইমের ভূমিকা 🦠🔪

লাইসোজাইম একটি গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম যা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এটি মূলত আমাদের শরীরের বিভিন্ন তরল পদার্থে, যেমন - লালা 唾液, চোখের পানি 💧, ঘাম 땀, এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লিতে বিদ্যমান থাকে। এছাড়াও ডিমের সাদা অংশে 🥚 প্রচুর পরিমাণে লাইসোজাইম পাওয়া যায়।

লাইসোজাইমের কার্যাবলী ⚙️

  1. ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ধ্বংস: লাইসোজাইমের প্রধান কাজ হলো ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ভেঙে দেওয়া। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরে পেপটিডোগ্লাইকান নামক একটি উপাদান থাকে। লাইসোজাইম এই পেপটিডোগ্লাইকানের β-(1,4)-গ্লাইকোসিডিক বন্ধন ভেঙে দেয়। ফলে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর দুর্বল হয়ে যায় এবং ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।
  2. ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে লাইসোজাইম ভাইরাসের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে।
  3. রোগ প্রতিরোধে সহায়তা: লাইসোজাইম আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

লাইসোজাইমের উৎস ⛲

  • মানুষের শরীর 🧑‍⚕️
  • ডিমের সাদা অংশ 🥚
  • উদ্ভিদ 🌱
  • কিছু কীটপতঙ্গ 🐛

লাইসোজাইমের ব্যবহার 🧪

ক্ষেত্র ব্যবহার
খাদ্য শিল্প 🍔🍕 খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প 💊 ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে ঔষধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
কৃষি 🌾 মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দমনে ব্যবহৃত হয়।
কসমেটিকস 💄 ত্বকের সুরক্ষায় বিভিন্ন প্রসাধনীতে ব্যবহৃত হয়।

লাইসোজাইমের উপকারিতা 👍

  • প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান হওয়ায় নিরাপদ। ✅
  • রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে শরীরকে সুস্থ রাখে।💪
  • সহজলভ্য। 🛒

পরিশেষে, লাইসোজাইম একটি অত্যাবশ্যকীয় এনজাইম যা আমাদের শরীরকে ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। 😇

Option A Explanation:

এন্টারোকাইনেজের ব্যাখ্যা

  • অর্থ: এন্টারোকাইনেজ একটি এনজাইম যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়া দ্বারা উৎপন্ন হয় এবং পেটের অন্দরে থাকা খাদ্য বা অন্যান্য উপাদানগুলির উপর কাজ করে।
  • মূল কাজ: এটি মূলত পচন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে, বিশেষ করে শর্করা তে পরিবর্তন করে সহজে হজমযোগ্য যৌগে রূপান্তর করে।
  • ব্যবহার: এন্টারোকাইনেজের মাধ্যমে খাদ্য পরিপাকতন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করে, ফলে রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • উপকারিতা: এটি প্রাকৃতিকভাবে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং পাচনতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে।
Option B Explanation:
  1. লাইসোজাইম (Lysozyme): এটি একটি এন্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট যা জীবাণু কোষের ভেতরে থাকা পলিস্যাকারাইড গঠিত ঝিল্লি ভেঙে দেয়।
  2. মূল কাজ: জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং ক্ষতস্থানে সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করা।
  3. প্রাকৃতিক উপস্থিতি: এই এজাইমটি সাধারণত চোখের জল, লালা, নাকের স্রাব, ফুসফুসের স্রাব, এবং বিভিন্ন শারীরিক তরলে পাওয়া যায়।
  4. অন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: এটি মূলত জীবাণু কোষের ভেতরে থাকা পলিস্যাকারাইড গঠন ভেঙে দেয়, ফলে জীবাণু ধ্বংস হয়।
Option C Explanation:
  • টায়ালিন হল একটি এনজাইম যা মূলত লালাগ্রন্থিতে পাওয়া যায়।
  • এটি প্রধানত অ্যামাইলেজ এনজাইমের সাহায্যে শর্করা ভাঙতে সহায়তা করে।
  • টায়ালিনের কার্যকলাপ সাধারণত খাদ্য পরিপাকের সময় শুরু হয়, যেখানে এটি স্টার্চের মতো কার্বোহাইড্রেট ভাঙে।
  • এটি মূলত প্যাংক্রিয়াসের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
  • অন্য কোন অঙ্গ বা গ্রন্থি থেকে প্রধানত এই এনজাইম পাওয়া যায় না।
Option D Explanation: কাইমোট্রিপসিন (Chymotrypsin) হলো একটি প্রোটিয়াস অ্যাঞ্জাইম যা প্রধানত পেঁচানো বা ভেঙে দেয় প্রোটিনকে ছোট ছোট পেপটাইড ও অ্যামিনো অ্যাসিডে। এটি সাধারণত পাকস্থলী ও অদূরে স্নায়ু বা প্যাংক্রিয়াসে উৎপন্ন হয়। নিচে কাইমোট্রিপিনের বৈশিষ্ট্য ও ভূমিকা দেওয়া হলো:
  • ??্রকার: প্রোটিয়াস অ্যাঞ্জাইম (প্রোটিন ভাঙ্গা অ্যাঞ্জাইম)
  • মূল কাজ: প্রোটিনের পেপটাইড বাঁধন ভেঙে ফেলা
  • উৎপত্তি স্থান: প্যাংক্রিয়াস থেকে নিঃসৃত হয়
  • ব্যবহার: খাদ্য পরিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়ক
  • অন্য নাম: কাইমোট্রিপসিনজেন (প্রাথমিক আকার), যা পাকস্থলীতে অ্যামাইনো অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়