টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

গ্রহ এবং সূর্যের সংযোগ সরলরেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে। এটি কোন সূত্র?

A. নিউটনের সূত্র
B. কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র
C. গাউসের সূত্র 
D. ম্যাক্সওয়েলের সূত্র
সঠিক উত্তরঃ B. কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র
Explanation:

Another Explanation (5):

কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র: একটি একাডেমিক আলোচনা 🌠

কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র, যা ক্ষেত্রফলের সূত্র নামেও পরিচিত, জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোহানেস কেপলার কর্তৃক ১৬০৯ সালে প্রস্তাবিত গ্রহীয় গতির তিনটি সূত্রের মধ্যে অন্যতম। এই সূত্রটি গ্রহের কক্ষপথের গতি এবং সূর্যের সাথে তার দূরত্বের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করে।

সূত্রের মূল বক্তব্য 📜

সূত্রের মূল বক্তব্যটি হল:

গ্রহ এবং সূর্যের সংযোগকারী সরলরেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

অর্থাৎ, কোনো গ্রহ যখন সূর্যের কাছে থাকে, তখন তার গতিবেগ বেশি থাকে এবং যখন দূরে থাকে, তখন গতিবেগ কম থাকে। এর ফলে নির্দিষ্ট সময়ান্তরে গ্রহের দ্বারা অতিক্রান্ত ক্ষেত্রফল সর্বদা সমান থাকে।

ব্যাখ্যা 🧐

বিষয়টি আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করা যেতে পারে:

  • উপবৃত্তাকার কক্ষপথ: কেপলারের প্রথম সূত্রানুসারে, গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার (elliptical) পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, যেখানে সূর্য উপবৃত্তের একটি ফোকাসে (focus)অবস্থান করে।
  • পরিবর্তনশীল গতি: গ্রহ যখন সূর্যের কাছাকাছি আসে, তখন সূর্যের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বেড়ে যায়, ফলে গ্রহের গতিও বৃদ্ধি পায়। আবার যখন দূরে যায়, তখন আকর্ষণ কমে যাওয়ায় গতিও কমে যায়।
  • ক্ষেত্রফলের ধারণা: একটি নির্দিষ্ট সময়ে গ্রহ তার কক্ষপথে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, সেই দূরত্ব এবং সূর্য থেকে গ্রহের দূরত্বের মধ্যে যে ক্ষেত্রফল তৈরি হয়, তা সবসময় সমান থাকে।

গাণিতিক প্রকাশ 🧑‍🏫

গাণিতিকভাবে, কেপলারের দ্বিতীয় সূত্রকে এভাবে প্রকাশ করা যায়:

dA/dt = ধ্রুবক

এখানে:

  • dA হল অতিবাহিত ক্ষেত্রফল (swept area)
  • dt হল অতিবাহিত সময় (swept time)

সারণি: দূরত্ব ও গতিবেগের সম্পর্ক 📊

অবস্থান সূর্য থেকে দূরত্ব গতিবেগ
নিকটতম (পেরীহেলিওন) কম বেশি 🚀
দূরতম (অ্যাপহেলিওন) বেশি কম 🐌

গুরুত্ব 💡

কেপলারের দ্বিতীয় সূত্রটি গ্রহীয় গতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উন্মোচন করে এবং এটি মহাকর্ষ বলের ধারণা বুঝতে সহায়ক। এটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র এবং শক্তির সংরক্ষণ নীতির সাথে সম্পর্কযুক্ত।

ব্যবহারিক প্রয়োগ 🔭

এই সূত্রটি ব্যবহার করে:

  • গ্রহের কক্ষপথের বিভিন্ন বিন্দুতে গতিবেগ নির্ণয় করা যায়।
  • গ্রহের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
  • মহাকাশ বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা যায়।

উপসংহার 🎉

কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি মৌলিক ধারণা। এটি গ্রহীয় গতি এবং মহাকর্ষ বলের মধ্যে সম্পর্ক বুঝতে আমাদের সাহায্য করে। এই সূত্রটি শুধু একটি গাণিতিক বিবৃতি নয়, এটি মহাবিশ্বের নিয়মগুলোর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার নিদর্শন। ✨