লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র, যা ক্ষেত্রফলের সূত্র নামেও পরিচিত, জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোহানেস কেপলার কর্তৃক ১৬০৯ সালে প্রস্তাবিত গ্রহীয় গতির তিনটি সূত্রের মধ্যে অন্যতম। এই সূত্রটি গ্রহের কক্ষপথের গতি এবং সূর্যের সাথে তার দূরত্বের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করে।
সূত্রের মূল বক্তব্যটি হল:
গ্রহ এবং সূর্যের সংযোগকারী সরলরেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
অর্থাৎ, কোনো গ্রহ যখন সূর্যের কাছে থাকে, তখন তার গতিবেগ বেশি থাকে এবং যখন দূরে থাকে, তখন গতিবেগ কম থাকে। এর ফলে নির্দিষ্ট সময়ান্তরে গ্রহের দ্বারা অতিক্রান্ত ক্ষেত্রফল সর্বদা সমান থাকে।
বিষয়টি আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করা যেতে পারে:
গাণিতিকভাবে, কেপলারের দ্বিতীয় সূত্রকে এভাবে প্রকাশ করা যায়:
dA/dt = ধ্রুবক
এখানে:
| অবস্থান | সূর্য থেকে দূরত্ব | গতিবেগ |
|---|---|---|
| নিকটতম (পেরীহেলিওন) | কম | বেশি 🚀 |
| দূরতম (অ্যাপহেলিওন) | বেশি | কম 🐌 |
কেপলারের দ্বিতীয় সূত্রটি গ্রহীয় গতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উন্মোচন করে এবং এটি মহাকর্ষ বলের ধারণা বুঝতে সহায়ক। এটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র এবং শক্তির সংরক্ষণ নীতির সাথে সম্পর্কযুক্ত।
এই সূত্রটি ব্যবহার করে:
কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি মৌলিক ধারণা। এটি গ্রহীয় গতি এবং মহাকর্ষ বলের মধ্যে সম্পর্ক বুঝতে আমাদের সাহায্য করে। এই সূত্রটি শুধু একটি গাণিতিক বিবৃতি নয়, এটি মহাবিশ্বের নিয়মগুলোর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার নিদর্শন। ✨